ফ্যাক্টচেক ডেস্ক
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা আবারও নতুন মোড় নিয়েছে। গতকাল সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দিয়ে জানান, যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে বিবদমান দুই পক্ষ। কিন্তু মাত্র এক দিনের ব্যবধানে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার তথ্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
এমন প্রেক্ষাপটে ‘ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠী আরব সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ কয়েকজন মার্কিন সেনা আটক করেছে’—দাবিতে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হয়েছে। এটি বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ থেকে একই ক্যাপশনে ছড়ানো হচ্ছে। ৩৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি সমুদ্রের জাহাজে কয়েকজন সৈন্য মাথার ওপরে হাত তুলে হাঁটু গেড়ে বসে আছেন। জাহাজে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র ও আধুনিক যন্ত্রপাতি দেখা গেছে।
‘Aladin Ahmad’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ জুন দিবাগত রাত ১টা ২৬ মিনিটে পোস্ট করা ভিডিওটি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে। এর ক্যাপশনে লেখা, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আরব সগরে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ সহ কয়েকজন মার্কিন সেনা কে আটক করেছে, ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি যোদ্ধারা,, জাহাজটিতে রয়েছে বিপুল অস্ত্র ভান্ডার।?’ (বানান অপরিবর্তিত)
আজ মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত ভিডিওটি ৯৯ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং ৬৪৭টি রিঅ্যাকশন পড়েছে। এতে ৪৪টি কমেন্ট পড়েছে এবং শেয়ার হয়েছে ১ হাজার ৬০০ বার।
Al-Joynal Abedin নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও True News এবং Amar Desh-আমার দেশ নামের পেজ থেকে একই ক্যাপশনে ভিডিওটি ছড়িয়েছে।
ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ভিডিওর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর মিল পাওয়া যায়। ভিডিওটি ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারি প্রকাশিত। এর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সৈনিক, তাঁদের হাঁটু গেড়ে বসা, অস্ত্র ও জাহাজের মিল রয়েছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ইরান একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে—তারা যুক্তরাষ্ট্রের ১০ জন সৈনিক আটক করেছে। সৈনিকেরা সবাই নৌকায় হাঁটু গেড়ে বসে ছিলেন এবং তাঁদের হাত মাথার পেছনে বাঁধা ছিল।
ঘটনার বিস্তারিত জানতে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড গুগলে সার্চ করে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের ওয়েবসাইটে ২০১৬ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ভিডিওর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর মিল রয়েছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করলে ইরানের জলসীমার একটি টহল বাহিনী তাদের আটক করে। আটক হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নাবিকেরা জানান, তাঁরা তাঁদের জাহাজের ইঞ্জিনের সমস্যার কারণে অ-ইচ্ছাকৃতভাবে ঢুকে পড়েন এবং তাঁরা এর জন্য তাৎক্ষণিক ক্ষমা চান।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পসের একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের নাবিকেরা ক্ষমা চাওয়ায় এবং এ ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি না করার স্বীকারোক্তি দিলে তাঁদের মুক্তি দিয়ে দেওয়া হয়। তবে এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।
সুতরাং, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠী আরব সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ কয়েকজন মার্কিন সেনা আটক করার দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো। প্রকৃতপক্ষে, ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করলে ইরানের জলসীমার একটি টহল বাহিনী তাদের আটক করে। সেই ঘটনারই দৃশ্য এটি।
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা আবারও নতুন মোড় নিয়েছে। গতকাল সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দিয়ে জানান, যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে বিবদমান দুই পক্ষ। কিন্তু মাত্র এক দিনের ব্যবধানে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার তথ্য সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
এমন প্রেক্ষাপটে ‘ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠী আরব সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ কয়েকজন মার্কিন সেনা আটক করেছে’—দাবিতে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো হয়েছে। এটি বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ থেকে একই ক্যাপশনে ছড়ানো হচ্ছে। ৩৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি সমুদ্রের জাহাজে কয়েকজন সৈন্য মাথার ওপরে হাত তুলে হাঁটু গেড়ে বসে আছেন। জাহাজে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র ও আধুনিক যন্ত্রপাতি দেখা গেছে।
‘Aladin Ahmad’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ জুন দিবাগত রাত ১টা ২৬ মিনিটে পোস্ট করা ভিডিওটি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে। এর ক্যাপশনে লেখা, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আরব সগরে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ সহ কয়েকজন মার্কিন সেনা কে আটক করেছে, ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি যোদ্ধারা,, জাহাজটিতে রয়েছে বিপুল অস্ত্র ভান্ডার।?’ (বানান অপরিবর্তিত)
আজ মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত ভিডিওটি ৯৯ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং ৬৪৭টি রিঅ্যাকশন পড়েছে। এতে ৪৪টি কমেন্ট পড়েছে এবং শেয়ার হয়েছে ১ হাজার ৬০০ বার।
Al-Joynal Abedin নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও True News এবং Amar Desh-আমার দেশ নামের পেজ থেকে একই ক্যাপশনে ভিডিওটি ছড়িয়েছে।
ভিডিওটির কিছু কি-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ভিডিওর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর মিল পাওয়া যায়। ভিডিওটি ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারি প্রকাশিত। এর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সৈনিক, তাঁদের হাঁটু গেড়ে বসা, অস্ত্র ও জাহাজের মিল রয়েছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ইরান একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে—তারা যুক্তরাষ্ট্রের ১০ জন সৈনিক আটক করেছে। সৈনিকেরা সবাই নৌকায় হাঁটু গেড়ে বসে ছিলেন এবং তাঁদের হাত মাথার পেছনে বাঁধা ছিল।
ঘটনার বিস্তারিত জানতে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড গুগলে সার্চ করে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের ওয়েবসাইটে ২০১৬ সালের ১৪ জানুয়ারি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ভিডিওর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর মিল রয়েছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করলে ইরানের জলসীমার একটি টহল বাহিনী তাদের আটক করে। আটক হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নাবিকেরা জানান, তাঁরা তাঁদের জাহাজের ইঞ্জিনের সমস্যার কারণে অ-ইচ্ছাকৃতভাবে ঢুকে পড়েন এবং তাঁরা এর জন্য তাৎক্ষণিক ক্ষমা চান।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পসের একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের নাবিকেরা ক্ষমা চাওয়ায় এবং এ ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি না করার স্বীকারোক্তি দিলে তাঁদের মুক্তি দিয়ে দেওয়া হয়। তবে এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।
সুতরাং, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠী আরব সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ কয়েকজন মার্কিন সেনা আটক করার দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ভিডিওটি পুরোনো। প্রকৃতপক্ষে, ২০১৬ সালের ১৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করলে ইরানের জলসীমার একটি টহল বাহিনী তাদের আটক করে। সেই ঘটনারই দৃশ্য এটি।

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫