কক্সবাজার প্রতিনিধি

বঙ্গোপসাগর ও নদ-নদীতে ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষে গত সোমবার মধ্যরাত থেকে কক্সবাজারের সমুদ্র উপকূলের মোহনা ও ঘাট থেকে আবারও জেলেরা মাছ ধরতে সাগরে রওনা দিয়েছেন।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তর গত সোমবার রাত ১২টায় জেলে ও ট্রলার মালিকদের নিয়ে আতশবাজি ফাটিয়ে অনুষ্ঠান করে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে সাগর ও নদ-নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে সরকার। একই কারণে ২০১৯ সাল থেকে বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক মাছ ও ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধিতে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন মাছ ধরা ও বিপণনে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হয় জেলেদের।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে দেশের বৃহৎ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র কক্সবাজার ফিশারি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, বাঁকখালী মোহনায় নোঙর করে রাখা ট্রলারগুলো ঘাট থেকে মাঝিমাল্লা নিয়ে একে একে সাগরের দিকে ছুটে যাচ্ছে। মাঝিমাল্লা ও ট্রলার মালিকদের বেড়েছে কর্ম তৎপরতা। সবার চোখেমুখে আনন্দ। কেউ এক সপ্তাহ, কেউ এক পক্ষকাল আবার কেউবা তিন দিনের যাত্রায় সাগরে ছুটে চলেছেন।
এফবি আদনানের মাঝি ছৈয়দ আলম বলেন, ‘এক বছর ধরে সাগরে ঘনঘন দুর্যোগের কারণে মাছের আকাল ছিল। এখন সাগর শান্ত হয়ে আসায় ভালো মাছ জালে আটকা পরবে বলে আশা করছি। তিনি জানান, দু-তিন দিন ধরে বেশির ভাগ ট্রলার সাগরে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে।’
চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালীর জেলে মঙ্গল জলদাস সাগরে যেতে পেরে মহাখুশি। তিনি বলেন, ‘জাল চললেই তো আমাদের চুলা জ্বলে। না হয় এক বেলা খেয়ে আরেক বেলা উপোস থাকতে হয়।’
জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির তথ্য মতে, জেলার কুতুবদিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও টেকনাফের উপকূলে প্রায় সাত হাজার ছোট-বড় মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। এসব ট্রলারে প্রায় লক্ষাধিক মাঝিমাল্লা রয়েছে। এর মধ্যে বড় নৌকায় ৩০ থেকে ৪০ জন এবং ছোট নৌকায় ৫ থেকে ১৭ জন জেলে থাকে। আবার কিছু এলাকায় উপকূলের কাছাকাছি ইঞ্জিনবিহীন ককশিটের বোটে থাকে দুজন জেলে।
জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে বেশির ভাগ ট্রলার নিয়ে জেলেরা সাগরে রওনা হয়েছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম খালেকুজ্জামান বলেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে কক্সবাজার অঞ্চলের জেলে ও ট্রলার মালিকদের প্রবল আগ্রহ ছিল। সোমবার রাত ১২টায় বেশ উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়েই সাগরে মাছ ধরা উন্মুক্ত করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে কক্সবাজার উপকূলে যেমন বড় বড় ইলিশ ধরা পড়েছে এবারও তাই হবে।

বঙ্গোপসাগর ও নদ-নদীতে ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষে গত সোমবার মধ্যরাত থেকে কক্সবাজারের সমুদ্র উপকূলের মোহনা ও ঘাট থেকে আবারও জেলেরা মাছ ধরতে সাগরে রওনা দিয়েছেন।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তর গত সোমবার রাত ১২টায় জেলে ও ট্রলার মালিকদের নিয়ে আতশবাজি ফাটিয়ে অনুষ্ঠান করে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে সাগর ও নদ-নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে সরকার। একই কারণে ২০১৯ সাল থেকে বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক মাছ ও ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধিতে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন মাছ ধরা ও বিপণনে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হয় জেলেদের।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে দেশের বৃহৎ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র কক্সবাজার ফিশারি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, বাঁকখালী মোহনায় নোঙর করে রাখা ট্রলারগুলো ঘাট থেকে মাঝিমাল্লা নিয়ে একে একে সাগরের দিকে ছুটে যাচ্ছে। মাঝিমাল্লা ও ট্রলার মালিকদের বেড়েছে কর্ম তৎপরতা। সবার চোখেমুখে আনন্দ। কেউ এক সপ্তাহ, কেউ এক পক্ষকাল আবার কেউবা তিন দিনের যাত্রায় সাগরে ছুটে চলেছেন।
এফবি আদনানের মাঝি ছৈয়দ আলম বলেন, ‘এক বছর ধরে সাগরে ঘনঘন দুর্যোগের কারণে মাছের আকাল ছিল। এখন সাগর শান্ত হয়ে আসায় ভালো মাছ জালে আটকা পরবে বলে আশা করছি। তিনি জানান, দু-তিন দিন ধরে বেশির ভাগ ট্রলার সাগরে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে।’
চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালীর জেলে মঙ্গল জলদাস সাগরে যেতে পেরে মহাখুশি। তিনি বলেন, ‘জাল চললেই তো আমাদের চুলা জ্বলে। না হয় এক বেলা খেয়ে আরেক বেলা উপোস থাকতে হয়।’
জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির তথ্য মতে, জেলার কুতুবদিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও টেকনাফের উপকূলে প্রায় সাত হাজার ছোট-বড় মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। এসব ট্রলারে প্রায় লক্ষাধিক মাঝিমাল্লা রয়েছে। এর মধ্যে বড় নৌকায় ৩০ থেকে ৪০ জন এবং ছোট নৌকায় ৫ থেকে ১৭ জন জেলে থাকে। আবার কিছু এলাকায় উপকূলের কাছাকাছি ইঞ্জিনবিহীন ককশিটের বোটে থাকে দুজন জেলে।
জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে বেশির ভাগ ট্রলার নিয়ে জেলেরা সাগরে রওনা হয়েছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম খালেকুজ্জামান বলেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে কক্সবাজার অঞ্চলের জেলে ও ট্রলার মালিকদের প্রবল আগ্রহ ছিল। সোমবার রাত ১২টায় বেশ উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়েই সাগরে মাছ ধরা উন্মুক্ত করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে কক্সবাজার উপকূলে যেমন বড় বড় ইলিশ ধরা পড়েছে এবারও তাই হবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫