নিজস্ব প্রতিবেদক, আহমেদাবাদ থেকে

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে কাল দুপুরে ঢুকেই একটু ভড়কে যেতে হলো। ১ লাখ ৩২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি স্টেডিয়ামে প্রথম পা রেখে একটু অবাক হতেই হয়। কিন্তু আহমেদাবাদের সবরমতী নদীর তীরে এ বিশাল স্টেডিয়াম দেখে ঠিক নয়, ভড়কে যাওয়া আসলে অন্য কারণে।
আহমেদাবাদের আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে তখন ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান ছুটে যাচ্ছে, শূন্যে ডিগবাজি খাচ্ছে! স্টেডিয়ামে ডিস্ক জকির (ডিজে) জায়গায় দাঁড়িয়ে বিমানবাহিনীর এক নারী কর্মকর্তা সংগীতের সঙ্গে ধারাবিবরণী দিয়ে চলেছেন, আর গগনবিদারী আওয়াজে আকাশে ছুটে চলেছে জঙ্গিবিমান। আগামীকাল ফাইনালের এয়ারশোর মহড়া এটি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আরও অনেক বর্ণিল আয়োজন রাখার পরিকল্পনা আয়োজকদের।
একসময়ের সরদার প্যাটেল স্টেডিয়ামকে নবরূপে পৃথিবীর সামনে হাজির করতে পুরো স্টেডিয়াম নতুন করে সাজানো হয়েছে ৮০০ কোটি রুপি ব্যয়ে। ২০১৬ সালে শুরু, চার বছর ধরে চলা নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০২০ সাল। নিজের স্বপ্নের প্রকল্প দেখাতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই স্টেডিয়ামে হাজির করেছেন নরেন্দ্র মোদি। কাল ফাইনালেও উপস্থিত থাকার কথা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর। ফাইনালে থাকার কথা ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব ও ২০১১ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির। কোক স্টুডিওর ভাইরাল গুজরাটি গান ‘খালাসি’র শিল্পীদের পরিবেশনাও থাকছে কাল। গতকাল সন্ধ্যায় বর্ণিল আয়োজনের মহড়া সেরে নিতে দেখা গেল শিল্পীদের।
২০২০ থেকে ক্রিকেট বিশ্বের কাছে এটি ‘নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম’ নামে পরিচিত হলেও এর ক্রিকেট ইতিহাস যথেষ্ট সমৃদ্ধ। এই মাঠে ১৯৮৭ সালে সুনীল গাভাস্কার টেস্ট ক্রিকেটে ১০ হাজার রান পূর্ণ করেছেন। এ মাঠেই ১৯৯৪ সালে টেস্টে কপিল দেব রিচার্ড হ্যাডলির রেকর্ড ৪৩২ উইকেট ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালে এ মাঠে শচীন টেন্ডুলকার পেয়েছিলেন তাঁর প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরির দেখা। ২০০৮ সালে এবি ডি ভিলিয়ার্সও তাঁর প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন এ মাঠেই। ক্রিকেটীয় সব কীর্তির চেয়ে গত কয়েক বছরে দর্শক মনে আহমেদাবাদের এই স্টেডিয়ামের বড় পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম হিসেবে।
ভারতীয় রাজনীতির সবচেয়ে প্রভাবশালী দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোদি ও অমিত শাহ যে রাজ্যের মানুষ, সেখানে এত বড় ক্রীড়া স্থাপনা হওয়াটাই তো স্বাভাবিক! অমিত শাহের ছেলে জয় শাহ আবার বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রিকেট সংস্থা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সেক্রেটারি। বিশাল এই স্টেডিয়ামে ক্রিকেট দুনিয়াকে হাজির করা তাঁদের কাছে তাই অসম্ভব কিছুই নয়।
গ্যালারিতে ১ লাখের ওপর নীল জার্সির সমর্থন নিয়ে এখন রোহিতদের একটি কাজ সম্ভব করতে হবে—অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শিরোপা জয়। না হলে বিশাল এ স্টেডিয়াম ভারতীয়দের কাছে পরিচিত হবে বেদনার বড় ভিটেমাটি হিসেবে।

নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে কাল দুপুরে ঢুকেই একটু ভড়কে যেতে হলো। ১ লাখ ৩২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি স্টেডিয়ামে প্রথম পা রেখে একটু অবাক হতেই হয়। কিন্তু আহমেদাবাদের সবরমতী নদীর তীরে এ বিশাল স্টেডিয়াম দেখে ঠিক নয়, ভড়কে যাওয়া আসলে অন্য কারণে।
আহমেদাবাদের আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে তখন ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান ছুটে যাচ্ছে, শূন্যে ডিগবাজি খাচ্ছে! স্টেডিয়ামে ডিস্ক জকির (ডিজে) জায়গায় দাঁড়িয়ে বিমানবাহিনীর এক নারী কর্মকর্তা সংগীতের সঙ্গে ধারাবিবরণী দিয়ে চলেছেন, আর গগনবিদারী আওয়াজে আকাশে ছুটে চলেছে জঙ্গিবিমান। আগামীকাল ফাইনালের এয়ারশোর মহড়া এটি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আরও অনেক বর্ণিল আয়োজন রাখার পরিকল্পনা আয়োজকদের।
একসময়ের সরদার প্যাটেল স্টেডিয়ামকে নবরূপে পৃথিবীর সামনে হাজির করতে পুরো স্টেডিয়াম নতুন করে সাজানো হয়েছে ৮০০ কোটি রুপি ব্যয়ে। ২০১৬ সালে শুরু, চার বছর ধরে চলা নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০২০ সাল। নিজের স্বপ্নের প্রকল্প দেখাতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই স্টেডিয়ামে হাজির করেছেন নরেন্দ্র মোদি। কাল ফাইনালেও উপস্থিত থাকার কথা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর। ফাইনালে থাকার কথা ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব ও ২০১১ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির। কোক স্টুডিওর ভাইরাল গুজরাটি গান ‘খালাসি’র শিল্পীদের পরিবেশনাও থাকছে কাল। গতকাল সন্ধ্যায় বর্ণিল আয়োজনের মহড়া সেরে নিতে দেখা গেল শিল্পীদের।
২০২০ থেকে ক্রিকেট বিশ্বের কাছে এটি ‘নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম’ নামে পরিচিত হলেও এর ক্রিকেট ইতিহাস যথেষ্ট সমৃদ্ধ। এই মাঠে ১৯৮৭ সালে সুনীল গাভাস্কার টেস্ট ক্রিকেটে ১০ হাজার রান পূর্ণ করেছেন। এ মাঠেই ১৯৯৪ সালে টেস্টে কপিল দেব রিচার্ড হ্যাডলির রেকর্ড ৪৩২ উইকেট ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালে এ মাঠে শচীন টেন্ডুলকার পেয়েছিলেন তাঁর প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরির দেখা। ২০০৮ সালে এবি ডি ভিলিয়ার্সও তাঁর প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন এ মাঠেই। ক্রিকেটীয় সব কীর্তির চেয়ে গত কয়েক বছরে দর্শক মনে আহমেদাবাদের এই স্টেডিয়ামের বড় পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম হিসেবে।
ভারতীয় রাজনীতির সবচেয়ে প্রভাবশালী দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোদি ও অমিত শাহ যে রাজ্যের মানুষ, সেখানে এত বড় ক্রীড়া স্থাপনা হওয়াটাই তো স্বাভাবিক! অমিত শাহের ছেলে জয় শাহ আবার বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রিকেট সংস্থা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সেক্রেটারি। বিশাল এই স্টেডিয়ামে ক্রিকেট দুনিয়াকে হাজির করা তাঁদের কাছে তাই অসম্ভব কিছুই নয়।
গ্যালারিতে ১ লাখের ওপর নীল জার্সির সমর্থন নিয়ে এখন রোহিতদের একটি কাজ সম্ভব করতে হবে—অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শিরোপা জয়। না হলে বিশাল এ স্টেডিয়াম ভারতীয়দের কাছে পরিচিত হবে বেদনার বড় ভিটেমাটি হিসেবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫