কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জ শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা হলেও মাত্রাতিরিক্ত বিদ্যুৎবিভ্রাটে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে উপজেলাবাসীর জনজীবন। প্রতিদিন নিয়ম করে বিদ্যুৎ চলে যাওয়াটাই এখানে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোজার শুরু থেকেই ইফতার অথবা তারাবি নামাজের সময় হলেই চলে যায় বিদ্যুৎ। ঘণ্টারও বেশি সময় পার হওয়ার পরও বিদ্যুৎ না আসায় স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ করা যাচ্ছে।
কালীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ বিদ্যুতায়িত এ উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ৩০ মেগাওয়াট। কিন্তু পল্লী বিদ্যুতের কালীগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় গ্রাহকদের কাছে সরবরাহের জন্য পাচ্ছে মাত্র ১৫ মেগাওয়াট; যা প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক। নরসিংদীর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল কালীগঞ্জ উপজেলা।
এ ছাড়া ওই একটি মাত্র গ্রিড থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ, গাজীপুরের জয়দেবপুর এবং কালিয়াকৈর কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। যে কারণে চাহিদার উচ্চমাত্রা থাকা সত্ত্বেও আঞ্চলিক কার্যালয় তার সরবরাহ দিতে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও জানা যায়।
এদিকে ঘনঘন বিদ্যুৎবিভ্রাটকে কেন্দ্র করে দিন দিন জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকে আবার বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘেরাও করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। তাই বিদ্যুৎবিভ্রাটের সমাধান না করা হলে বিদ্যুৎকর্মীরা জনরোষে পড়তে পারেন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
কালীগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম (৫৫) বলেন, হয় ইফতার, না হয় তারাবি নামাজের আগে অথবা নামাজ চলাকালীন বিদ্যুৎ চলে যাওয়াটা স্বাভাবিক কোনো ঘটনা না। সারা দিনের অন্য সময় ঠিকমতো বিদ্যুৎ থাকলেও রাতের বেলায় তা-ও নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যুৎ না থাকাটা অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই বিদ্যুৎ কার্যালয়ের উচিত অতি সত্বর এর সমাধান বের করা।
পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. শরীফ হোসেন পাঠান (৩৪) বলেন, ‘সারা দিন আমরা রোজা রেখে ক্লান্ত থাকি। ইফতারটুকু শান্তিতে করতে পারি না। যদি কোনো দিন ইফতারে বিদ্যুৎ না যায়, তাহলে তারাবির নামাজের সময় যাবেই। এক মাসের বিদ্যুতের বিল না দিতে পারলে বাড়িতে অফিস থেকে লোক চলে আসে লাইন কাটবে বলে। কিন্তু তাদের এই রহস্যজনক আচরণের বিচার কে করবে?’
উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের পৈলানপুর এলাকার মোহাম্মদ আলী (৩৬) বলেন, ‘আমরা শান্তিতে ইফতার ও তারাবি নামাজ আদায় করতে চাই। বিশেষ করে তারাবি নামাজে এখন মুসল্লির সংখ্যা বেশি হয়, তাই মসজিদের ভেতরে গরমের প্রভাবটাও থাকে অনেক বেশি। বিদ্যুৎ না থাকলে তা আরও প্রকট আকার ধারণ করে।’
পল্লী বিদ্যুতের কালীগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘কালীগঞ্জে যে পরিমাণ চাহিদা রয়েছে, আমরা তার অর্ধেকেরও কম পাই। যে পরিমাণ বিদ্যুৎ পাই, তা-ও যদি নিজেদের ফিড থেকে সঞ্চালন করতে পারতাম, তবুও এত সমস্যা হতো না। এখানে কালীগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের কিছুই করার নেই।’

গাজীপুরের কালীগঞ্জ শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা হলেও মাত্রাতিরিক্ত বিদ্যুৎবিভ্রাটে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে উপজেলাবাসীর জনজীবন। প্রতিদিন নিয়ম করে বিদ্যুৎ চলে যাওয়াটাই এখানে নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোজার শুরু থেকেই ইফতার অথবা তারাবি নামাজের সময় হলেই চলে যায় বিদ্যুৎ। ঘণ্টারও বেশি সময় পার হওয়ার পরও বিদ্যুৎ না আসায় স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ করা যাচ্ছে।
কালীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ বিদ্যুতায়িত এ উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ৩০ মেগাওয়াট। কিন্তু পল্লী বিদ্যুতের কালীগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় গ্রাহকদের কাছে সরবরাহের জন্য পাচ্ছে মাত্র ১৫ মেগাওয়াট; যা প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক। নরসিংদীর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল কালীগঞ্জ উপজেলা।
এ ছাড়া ওই একটি মাত্র গ্রিড থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ, গাজীপুরের জয়দেবপুর এবং কালিয়াকৈর কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। যে কারণে চাহিদার উচ্চমাত্রা থাকা সত্ত্বেও আঞ্চলিক কার্যালয় তার সরবরাহ দিতে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও জানা যায়।
এদিকে ঘনঘন বিদ্যুৎবিভ্রাটকে কেন্দ্র করে দিন দিন জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকে আবার বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘেরাও করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। তাই বিদ্যুৎবিভ্রাটের সমাধান না করা হলে বিদ্যুৎকর্মীরা জনরোষে পড়তে পারেন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
কালীগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম (৫৫) বলেন, হয় ইফতার, না হয় তারাবি নামাজের আগে অথবা নামাজ চলাকালীন বিদ্যুৎ চলে যাওয়াটা স্বাভাবিক কোনো ঘটনা না। সারা দিনের অন্য সময় ঠিকমতো বিদ্যুৎ থাকলেও রাতের বেলায় তা-ও নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যুৎ না থাকাটা অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই বিদ্যুৎ কার্যালয়ের উচিত অতি সত্বর এর সমাধান বের করা।
পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. শরীফ হোসেন পাঠান (৩৪) বলেন, ‘সারা দিন আমরা রোজা রেখে ক্লান্ত থাকি। ইফতারটুকু শান্তিতে করতে পারি না। যদি কোনো দিন ইফতারে বিদ্যুৎ না যায়, তাহলে তারাবির নামাজের সময় যাবেই। এক মাসের বিদ্যুতের বিল না দিতে পারলে বাড়িতে অফিস থেকে লোক চলে আসে লাইন কাটবে বলে। কিন্তু তাদের এই রহস্যজনক আচরণের বিচার কে করবে?’
উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের পৈলানপুর এলাকার মোহাম্মদ আলী (৩৬) বলেন, ‘আমরা শান্তিতে ইফতার ও তারাবি নামাজ আদায় করতে চাই। বিশেষ করে তারাবি নামাজে এখন মুসল্লির সংখ্যা বেশি হয়, তাই মসজিদের ভেতরে গরমের প্রভাবটাও থাকে অনেক বেশি। বিদ্যুৎ না থাকলে তা আরও প্রকট আকার ধারণ করে।’
পল্লী বিদ্যুতের কালীগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘কালীগঞ্জে যে পরিমাণ চাহিদা রয়েছে, আমরা তার অর্ধেকেরও কম পাই। যে পরিমাণ বিদ্যুৎ পাই, তা-ও যদি নিজেদের ফিড থেকে সঞ্চালন করতে পারতাম, তবুও এত সমস্যা হতো না। এখানে কালীগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের কিছুই করার নেই।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫