সম্পাদকীয়

তখনকার ফিফথ ক্লাসে ওঠার পর কোচবিহার থেকে তুফানগঞ্জে টিসি নিয়ে চলে এসেছিলেন আব্বাসউদ্দীন। কোচবিহার তো তখনই শহর, আর তুফানগঞ্জ হচ্ছে একটি মহকুমা, অনেকটা গ্রামের মতো। বাবার কর্মস্থল ছিল তুফানগঞ্জ।
কেন তুফানগঞ্জে এলেন? কোচবিহার শহরে কোথাও গলা খুলে গান গাওয়া যায় না। তুফানগঞ্জের চলতি পথেও গলা ছেড়ে গান গাইলে কেউ কিছু মনে করবে না। এটাই ছিল কারণ।
তুফানগঞ্জে ছিলেন একজন সরকারি ডাক্তার। মোবারক হোসেন ছিল তাঁর নাম। তিনি খুব ভালো রবীন্দ্রসংগীত গাইতেন। অর্গানের সঙ্গে। আব্বাসউদ্দীনের হোস্টেলের কাছেই ছিল ডাক্তার সাহেবের বাড়ি। তাই গানের নেশায় প্রতিদিন তাঁর বাড়িতে হাজিরা দিতে শুরু করলেন আব্বাসউদ্দীন। মোবারক সাহেব যখন গাইতেন, তখন দু-তিনবার শুনেই গানটি রপ্ত হয়ে যেত আব্বাসউদ্দীনের।
ফিফথ ক্লাসে পরীক্ষায় ফার্স্ট হলেন আব্বাসউদ্দীন। ডাক্তার সাহেব ছিলেন স্কুল কমিটির মেম্বার। তিনি পুরস্কার বিতরণীর সময় ঘোষণা করলেন, ‘যে ছেলে ভালো গান করতে পারবে, তাকেও একটা পুরস্কার দেওয়া হবে। ১০ টাকার বই।’ ১০ টাকার বই মানে অনেক বই।
তখন স্কুলে হলো গানের প্রতিযোগিতা। আব্বাসউদ্দীনই হলেন প্রথম। পুরস্কার বিতরণী সভায় আব্বাসউদ্দীন উদ্বোধনী সংগীত হিসেবে গাইলেন, ‘অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া...’। আর সমাপ্তি সংগীত গাইলেন, ‘সভা যখন ভাঙবে তখন শেষের গানটি যাব গেয়ে...’। সেবারের পুরস্কার বিতরণী সভায় এই গানগুলো বেশ নতুনত্ব সৃষ্টি করল স্কুলে।
ছোট শহরের সবার কাছেই পরিচিত ছিলেন বালক আব্বাসউদ্দীন। সব বাড়িতেই ছিল তাঁর যাতায়াত। হোস্টেলে এক ঘরে চারজন থাকতে হতো। তাদের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে দুজন মুসলমান আর দুজন হিন্দু। শুধু রান্নাঘর ছিল আলাদা। এতে দুই ধর্মের মধ্যে গড়ে উঠেছিল আত্মীয়তা। মজার ব্যাপার হলো, কোচবিহারে একটা রেওয়াজ ছিল। মুসলমান ছাত্রদের দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে নিতে হতো সংস্কৃত, আর হিন্দু ছেলেদের ফারসি। বিএ পর্যন্ত আব্বাসউদ্দীন সংস্কৃত পড়েছেন এবং সংস্কৃতে তিনি হয়েছিলেন ‘কাব্যরত্নাকর।’
সূত্র: আব্বাসউদ্দীন আহমদ, আমার শিল্পীজীবনের কথা, পৃষ্ঠা ৩১-৩৩

তখনকার ফিফথ ক্লাসে ওঠার পর কোচবিহার থেকে তুফানগঞ্জে টিসি নিয়ে চলে এসেছিলেন আব্বাসউদ্দীন। কোচবিহার তো তখনই শহর, আর তুফানগঞ্জ হচ্ছে একটি মহকুমা, অনেকটা গ্রামের মতো। বাবার কর্মস্থল ছিল তুফানগঞ্জ।
কেন তুফানগঞ্জে এলেন? কোচবিহার শহরে কোথাও গলা খুলে গান গাওয়া যায় না। তুফানগঞ্জের চলতি পথেও গলা ছেড়ে গান গাইলে কেউ কিছু মনে করবে না। এটাই ছিল কারণ।
তুফানগঞ্জে ছিলেন একজন সরকারি ডাক্তার। মোবারক হোসেন ছিল তাঁর নাম। তিনি খুব ভালো রবীন্দ্রসংগীত গাইতেন। অর্গানের সঙ্গে। আব্বাসউদ্দীনের হোস্টেলের কাছেই ছিল ডাক্তার সাহেবের বাড়ি। তাই গানের নেশায় প্রতিদিন তাঁর বাড়িতে হাজিরা দিতে শুরু করলেন আব্বাসউদ্দীন। মোবারক সাহেব যখন গাইতেন, তখন দু-তিনবার শুনেই গানটি রপ্ত হয়ে যেত আব্বাসউদ্দীনের।
ফিফথ ক্লাসে পরীক্ষায় ফার্স্ট হলেন আব্বাসউদ্দীন। ডাক্তার সাহেব ছিলেন স্কুল কমিটির মেম্বার। তিনি পুরস্কার বিতরণীর সময় ঘোষণা করলেন, ‘যে ছেলে ভালো গান করতে পারবে, তাকেও একটা পুরস্কার দেওয়া হবে। ১০ টাকার বই।’ ১০ টাকার বই মানে অনেক বই।
তখন স্কুলে হলো গানের প্রতিযোগিতা। আব্বাসউদ্দীনই হলেন প্রথম। পুরস্কার বিতরণী সভায় আব্বাসউদ্দীন উদ্বোধনী সংগীত হিসেবে গাইলেন, ‘অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া...’। আর সমাপ্তি সংগীত গাইলেন, ‘সভা যখন ভাঙবে তখন শেষের গানটি যাব গেয়ে...’। সেবারের পুরস্কার বিতরণী সভায় এই গানগুলো বেশ নতুনত্ব সৃষ্টি করল স্কুলে।
ছোট শহরের সবার কাছেই পরিচিত ছিলেন বালক আব্বাসউদ্দীন। সব বাড়িতেই ছিল তাঁর যাতায়াত। হোস্টেলে এক ঘরে চারজন থাকতে হতো। তাদের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে দুজন মুসলমান আর দুজন হিন্দু। শুধু রান্নাঘর ছিল আলাদা। এতে দুই ধর্মের মধ্যে গড়ে উঠেছিল আত্মীয়তা। মজার ব্যাপার হলো, কোচবিহারে একটা রেওয়াজ ছিল। মুসলমান ছাত্রদের দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে নিতে হতো সংস্কৃত, আর হিন্দু ছেলেদের ফারসি। বিএ পর্যন্ত আব্বাসউদ্দীন সংস্কৃত পড়েছেন এবং সংস্কৃতে তিনি হয়েছিলেন ‘কাব্যরত্নাকর।’
সূত্র: আব্বাসউদ্দীন আহমদ, আমার শিল্পীজীবনের কথা, পৃষ্ঠা ৩১-৩৩

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫