সম্পাদকীয়

১ ফেব্রুয়ারি ৬টি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচন হয়ে গেল। গত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ী সংসদ সদস্যরা সরকার পতনের আন্দোলনের অংশ হিসেবে একযোগে পদত্যাগ করাশূন্য হওয়া আসনগুলোতে এই উপনির্বাচন হয়। বিএনপি সংসদ থেকে পদত্যাগ করায় সরকারের ওপর বিশেষ কোনো চাপ পড়েছে বা দলটির আন্দোলনে নতুন গতিবেগ সঞ্চার হয়েছে, তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা কথার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। মানুষ তাঁদের বক্তব্য গ্রহণ বা বর্জন করছে, সেটা বোঝার কোনো উপায় নেই।
বিএনপি ও তার মিত্র কোনো রাজনৈতিক দলও এই নির্বাচনে অংশ নেয়নি। ৬ আসনের ৩টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে আওয়ামী লীগ।একটি করে আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগের মিত্র জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টিকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। ৬ আসনে উপনির্বাচন হলেও সবার মনোযোগ ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দিকেই। কারণ, ওই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির পাঁচবারের এমপি এবং সম্প্রতি দলত্যাগী উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া। আওয়ামী লীগ উকিল আবদুস সাত্তারকে সমর্থন দিয়েছে এবং তাঁকে জিতিয়ে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীদের আওয়ামী লীগ বসিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বিএনপিরই আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদও ভোটের আগে ‘নিখোঁজ’ ছিলেন দিন কয়েক। উকিল আবদুস সাত্তারের বিজয় নিশ্চিত করতে কোনো আয়োজনই বাদ ছিল না।
উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া জিতেছেন। তবে ৬ আসনের মধ্যে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনেই, মাত্র ১৬ দশমিক ১ শতাংশ। অন্য আসনগুলোতেও ছিল ভোটের খরা। ৬ আসনে গড় ভোট পড়েছে ২৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এত কম ভোট কেন পড়ল, ভোটাররা কেন ভোট দিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেললেন, তা নিয়ে এখন নানা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ হবে। হচ্ছেও। তবে এটা ঠিক যে নির্বাচন বিষয়টিকে তামাশায় পরিণত করার কারণে মানুষের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে। এই উপনির্বাচনে কম ভোটার উপস্থিতি মানুষের একধরনের প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ।
উপনির্বাচনে বগুড়ার দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং একটি আসনে জাসদের প্রার্থীর কাছে মাত্র ৮৩৪ ভোটে পরাজিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খ্যাতি পাওয়া হিরো আলমও যথেষ্ট আলোচনায় এসেছেন। হিরো আলমের অভিযোগ, তাঁকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি উচ্চ আদালতে যাবেন। উচ্চ আদালতে তিনি কী রায় পাবেন, তা পরের বিষয়। কিন্তু হিরো আলমের মতো একজন অরাজনৈতিক ও কৌতুক চরিত্রের ব্যক্তিকে কেন, কোন বিবেচনায় মানুষ ভোট দিচ্ছেন, তার কারণ কি অনুসন্ধান করা উচিত নয়?
আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা জয়লাভ করবেন বা তাঁদের জেতার পথে কোনো বাধা থাকবে না, এটা একরকম জানা কথা। কিন্তু ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মিত্র ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থীকে হারিয়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর জয়ী হওয়াটা কিছুটা বিচিত্র বৈকি! উপনির্বাচনগুলো রাজনীতির জন্য কোনো নতুন বার্তা তৈরি করল কি?

১ ফেব্রুয়ারি ৬টি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচন হয়ে গেল। গত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ী সংসদ সদস্যরা সরকার পতনের আন্দোলনের অংশ হিসেবে একযোগে পদত্যাগ করাশূন্য হওয়া আসনগুলোতে এই উপনির্বাচন হয়। বিএনপি সংসদ থেকে পদত্যাগ করায় সরকারের ওপর বিশেষ কোনো চাপ পড়েছে বা দলটির আন্দোলনে নতুন গতিবেগ সঞ্চার হয়েছে, তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা কথার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। মানুষ তাঁদের বক্তব্য গ্রহণ বা বর্জন করছে, সেটা বোঝার কোনো উপায় নেই।
বিএনপি ও তার মিত্র কোনো রাজনৈতিক দলও এই নির্বাচনে অংশ নেয়নি। ৬ আসনের ৩টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে আওয়ামী লীগ।একটি করে আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল আওয়ামী লীগের মিত্র জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টিকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছিল। ৬ আসনে উপনির্বাচন হলেও সবার মনোযোগ ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দিকেই। কারণ, ওই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির পাঁচবারের এমপি এবং সম্প্রতি দলত্যাগী উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া। আওয়ামী লীগ উকিল আবদুস সাত্তারকে সমর্থন দিয়েছে এবং তাঁকে জিতিয়ে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীদের আওয়ামী লীগ বসিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বিএনপিরই আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদও ভোটের আগে ‘নিখোঁজ’ ছিলেন দিন কয়েক। উকিল আবদুস সাত্তারের বিজয় নিশ্চিত করতে কোনো আয়োজনই বাদ ছিল না।
উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া জিতেছেন। তবে ৬ আসনের মধ্যে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনেই, মাত্র ১৬ দশমিক ১ শতাংশ। অন্য আসনগুলোতেও ছিল ভোটের খরা। ৬ আসনে গড় ভোট পড়েছে ২৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এত কম ভোট কেন পড়ল, ভোটাররা কেন ভোট দিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেললেন, তা নিয়ে এখন নানা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ হবে। হচ্ছেও। তবে এটা ঠিক যে নির্বাচন বিষয়টিকে তামাশায় পরিণত করার কারণে মানুষের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে। এই উপনির্বাচনে কম ভোটার উপস্থিতি মানুষের একধরনের প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ।
উপনির্বাচনে বগুড়ার দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং একটি আসনে জাসদের প্রার্থীর কাছে মাত্র ৮৩৪ ভোটে পরাজিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খ্যাতি পাওয়া হিরো আলমও যথেষ্ট আলোচনায় এসেছেন। হিরো আলমের অভিযোগ, তাঁকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি উচ্চ আদালতে যাবেন। উচ্চ আদালতে তিনি কী রায় পাবেন, তা পরের বিষয়। কিন্তু হিরো আলমের মতো একজন অরাজনৈতিক ও কৌতুক চরিত্রের ব্যক্তিকে কেন, কোন বিবেচনায় মানুষ ভোট দিচ্ছেন, তার কারণ কি অনুসন্ধান করা উচিত নয়?
আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা জয়লাভ করবেন বা তাঁদের জেতার পথে কোনো বাধা থাকবে না, এটা একরকম জানা কথা। কিন্তু ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মিত্র ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থীকে হারিয়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর জয়ী হওয়াটা কিছুটা বিচিত্র বৈকি! উপনির্বাচনগুলো রাজনীতির জন্য কোনো নতুন বার্তা তৈরি করল কি?

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫