নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শৃঙ্খলা ও চেইন অব কমান্ড যেকোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য সব থেকে বড় চালিকাশক্তি। গতকাল বিজিবি দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বিজিবি সদর দপ্তর পিলখানায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
বিজিবির কাছে দেশের মানুষের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শৃঙ্খলা ও চেইন অব কমান্ড শৃঙ্খলা বাহিনীর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। কখনো শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না। তাতে নিজেদেরই ক্ষতি হবে। চেইন অব কমান্ড মেনে চলবেন। কর্তৃপক্ষের আদেশ মেনে চলা প্রতিটি শৃঙ্খলা বাহিনীর অবশ্যই কর্তব্য।’
২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমরা ক্ষমতা গ্রহণের এক মাসের মাথায় বিডিআরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। যদিও ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আমরা তা সমাধান করি। কিন্তু সেই ঘটনায় তখনকার বিডিআরের ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭০ জন প্রাণ হারায়। এই ঘটনায় আমরা দ্রুততম সময়ে বিচারও সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।’
স্বাধীনতার পরে বিজিবি পুনর্গঠনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০১০ সালে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড আইন-২০১০ পাস করি। কারণ ফেব্রুয়ারি মাসের ওই ঘটনার পরে আমাদের জন্য এটা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল।’
বিডিআরকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৪১ সালের মধ্যে এই বাহিনীর সদস্য ৯২ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। বিজিবি এখন জল, স্থল ও আকাশপথে দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা লক্ষ্য স্থির করেছি ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শৃঙ্খলা ও চেইন অব কমান্ড যেকোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য সব থেকে বড় চালিকাশক্তি। গতকাল বিজিবি দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বিজিবি সদর দপ্তর পিলখানায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
বিজিবির কাছে দেশের মানুষের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শৃঙ্খলা ও চেইন অব কমান্ড শৃঙ্খলা বাহিনীর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। কখনো শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না। তাতে নিজেদেরই ক্ষতি হবে। চেইন অব কমান্ড মেনে চলবেন। কর্তৃপক্ষের আদেশ মেনে চলা প্রতিটি শৃঙ্খলা বাহিনীর অবশ্যই কর্তব্য।’
২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত তৎকালীন বিডিআর বিদ্রোহের কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমরা ক্ষমতা গ্রহণের এক মাসের মাথায় বিডিআরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। যদিও ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আমরা তা সমাধান করি। কিন্তু সেই ঘটনায় তখনকার বিডিআরের ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭০ জন প্রাণ হারায়। এই ঘটনায় আমরা দ্রুততম সময়ে বিচারও সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি।’
স্বাধীনতার পরে বিজিবি পুনর্গঠনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০১০ সালে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড আইন-২০১০ পাস করি। কারণ ফেব্রুয়ারি মাসের ওই ঘটনার পরে আমাদের জন্য এটা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল।’
বিডিআরকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৪১ সালের মধ্যে এই বাহিনীর সদস্য ৯২ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। বিজিবি এখন জল, স্থল ও আকাশপথে দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা লক্ষ্য স্থির করেছি ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫