মুনীরুল ইসলাম

মানবজাতির হেদায়েতের জন্য আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে ১ লাখ ২৪ হাজার নবী পাঠিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩১৫ জন ছিলেন রাসুল। হজরত আদম (আ.) ছিলেন প্রথম প্রেরিত রাসুল এবং হজরত মুহাম্মদ (সা.) সর্বশেষ প্রেরিত রাসুল। অনেক নবীকে আল্লাহ ‘সহিফা’ বা ছোট কিতাব দিয়েছেন এবং প্রত্যেক রাসুলকে দিয়েছেন পৃথক শরিয়ত। তবে চারজন শ্রেষ্ঠ রাসুলের ওপর আল্লাহ প্রধান চার আসমানি কিতাব নাজিল করেন। মুসা (আ.)-এর ওপর তাওরাত, দাউদ (আ.)-এর ওপর জাবুর, ঈসা (আ.)-এর ওপর ইনজিল এবং মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব আল কোরআন নাজিল করেন।
হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রেরিত হয়েছিলেন বিশ্ববাসীর জন্য রাসুল হিসেবে। মানুষের বাস্তব চাহিদা অনুযায়ী দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে তাঁর ওপর কোরআন নাজিল হয়েছিল। তাঁর আগমন ও কোরআন নাজিলের পর বিগত সব নবুওয়ত এবং কিতাবের হুকুম রহিত হয়ে গেছে। এখন হেদায়েতের জন্য কেবল কোরআনই অবশিষ্ট আছে।
১ লাখ ২৪ হাজার নবীর মধ্যে কোরআনে মাত্র ২৫-২৬ জন নবী-রাসুলের নাম এসেছে। কোরআনে পূর্ববর্তী নবী-রাসুলের কাহিনি বর্ণনার উদ্দেশ্য হলো, রাসুলুল্লাহ (সা.) যেন নবুওয়তের গুরুদায়িত্ব পালনে প্রস্তুত হতে পারেন এবং তাঁর উম্মত তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। আল্লাহ বলেন, ‘আমি নবীদের এসব কাহিনি আপনার কাছে বর্ণনা করার মাধ্যমে আপনার অন্তর সুদৃঢ় করি। আর এর মধ্যে এসেছে আপনার প্রতি সত্য, উপদেশ ও বিশ্বাসীদের জন্য স্মরণীয় বস্তুসমূহ।’ (সুরা হুদ: ১২০)
পৃথিবীতে আসা সব নবী-রাসুলই চারটি বংশধারা থেকে এসেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ আদম, নুহ, আলে ইবরাহিম ও আলে ইমরানকে নির্বাচিত করেছেন, যারা একে অপরের বংশধর ছিল।’ (আলে ইমরান: ৩৩-৩৪)
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

মানবজাতির হেদায়েতের জন্য আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে ১ লাখ ২৪ হাজার নবী পাঠিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩১৫ জন ছিলেন রাসুল। হজরত আদম (আ.) ছিলেন প্রথম প্রেরিত রাসুল এবং হজরত মুহাম্মদ (সা.) সর্বশেষ প্রেরিত রাসুল। অনেক নবীকে আল্লাহ ‘সহিফা’ বা ছোট কিতাব দিয়েছেন এবং প্রত্যেক রাসুলকে দিয়েছেন পৃথক শরিয়ত। তবে চারজন শ্রেষ্ঠ রাসুলের ওপর আল্লাহ প্রধান চার আসমানি কিতাব নাজিল করেন। মুসা (আ.)-এর ওপর তাওরাত, দাউদ (আ.)-এর ওপর জাবুর, ঈসা (আ.)-এর ওপর ইনজিল এবং মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব আল কোরআন নাজিল করেন।
হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রেরিত হয়েছিলেন বিশ্ববাসীর জন্য রাসুল হিসেবে। মানুষের বাস্তব চাহিদা অনুযায়ী দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে তাঁর ওপর কোরআন নাজিল হয়েছিল। তাঁর আগমন ও কোরআন নাজিলের পর বিগত সব নবুওয়ত এবং কিতাবের হুকুম রহিত হয়ে গেছে। এখন হেদায়েতের জন্য কেবল কোরআনই অবশিষ্ট আছে।
১ লাখ ২৪ হাজার নবীর মধ্যে কোরআনে মাত্র ২৫-২৬ জন নবী-রাসুলের নাম এসেছে। কোরআনে পূর্ববর্তী নবী-রাসুলের কাহিনি বর্ণনার উদ্দেশ্য হলো, রাসুলুল্লাহ (সা.) যেন নবুওয়তের গুরুদায়িত্ব পালনে প্রস্তুত হতে পারেন এবং তাঁর উম্মত তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। আল্লাহ বলেন, ‘আমি নবীদের এসব কাহিনি আপনার কাছে বর্ণনা করার মাধ্যমে আপনার অন্তর সুদৃঢ় করি। আর এর মধ্যে এসেছে আপনার প্রতি সত্য, উপদেশ ও বিশ্বাসীদের জন্য স্মরণীয় বস্তুসমূহ।’ (সুরা হুদ: ১২০)
পৃথিবীতে আসা সব নবী-রাসুলই চারটি বংশধারা থেকে এসেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ আদম, নুহ, আলে ইবরাহিম ও আলে ইমরানকে নির্বাচিত করেছেন, যারা একে অপরের বংশধর ছিল।’ (আলে ইমরান: ৩৩-৩৪)
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫