
দেশের ইতিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় ক্ষতিপূরণের প্রথম রায় হয় ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল। মামলা হওয়ার পর আইনি লড়াইয়ের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ওই রায় আসতে সময় লেগেছে ২৫ বছর। যদিও চূড়ান্ত রায়ের সাত বছর পরও এক টাকাও পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার। উল্টো প্রতিবার আদালতের তারিখ নিতে গাঁটের টাকা খরচ হচ্ছে ওই দুর্ঘটনায় নিহত সাংবাদিকের স্ত্রীর।
১৯৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর শান্তিনগরে আনন্দ ভবনের সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় দৈনিক সংবাদের তখনকার বার্তা সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন মন্টুকে ধাক্কা দেয় বাংলাদেশ বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পানীয়বোঝাই একটি মিনি ট্রাক। মন্টু মাথা ও মুখমণ্ডলে আঘাত পেলে স্থানীয় লোকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। ১৩ দিন হাসপাতালে থেকে সে বছরের ১৬ ডিসেম্বর মারা যান তিনি।
মন্টুর স্ত্রী রওশন আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি তিন যুগ ধরে লড়াই করে যাচ্ছি। কিন্তু তারা এক টাকাও দেবে বলে মনে হচ্ছে না। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ও বাস্তবায়ন হয় না এ দেশে। অবশ্য বাংলাদেশ বেভারেজের পক্ষে খুব প্রভাবশালী মহল কাজ করছে। প্রতিবার এক হাজার টাকা খরচ হয় আমার তারিখ নিতে। সাড়ে তিন কোটি থেকে দেড় কোটিতে নামিয়ে এনেছে তারা ক্ষতিপূরণ। কয়েক দিন পর হয়তো বলবে, আপনি কোনো টাকাই পাবেন না।’
আদালত সূত্রে জানা যায়, মন্টুর স্ত্রী রওশন আখতার ১৯৯১ সালের ১ জানুয়ারি ৩ কোটি ৫২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেন। ২০০৫ সালের ২০ মার্চ বিচারিক আদালত বাংলাদেশ বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে ওই টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেন। রায়ে ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে বিবাদীপক্ষ। উচ্চ আদালত ২০১০ সালের ১১ মে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ কোটি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮ টাকা টাকা দেওয়ার ডিক্রি দেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বাংলাদেশ বেভারেজ। ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল আপিল বিভাগ পর্যবেক্ষণসহ লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে রায় দেন। তাতে বলা হয়, নিহত ব্যক্তির স্ত্রী ১ কোটি ৭১ লাখ ৪৭ হাজার ৮ টাকা ক্ষতিপূরণ পাবেন। যদিও এখনো এক টাকাও পাননি বাদী।
বাদীপক্ষের আইনজীবী খলিলুর রহমান জানান, রায়ের সাত বছরেও বিবাদীপক্ষ কোনো অর্থ দেয়নি। টাকা পেতে ডিক্রি জারির মামলা করার পর আদালত বিবাদীপক্ষের সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেভারেজের পাঁচ বিঘা জায়গা নিলামে বিক্রি করে ওই অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়েছিল।

দেশের ইতিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় ক্ষতিপূরণের প্রথম রায় হয় ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল। মামলা হওয়ার পর আইনি লড়াইয়ের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ওই রায় আসতে সময় লেগেছে ২৫ বছর। যদিও চূড়ান্ত রায়ের সাত বছর পরও এক টাকাও পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার। উল্টো প্রতিবার আদালতের তারিখ নিতে গাঁটের টাকা খরচ হচ্ছে ওই দুর্ঘটনায় নিহত সাংবাদিকের স্ত্রীর।
১৯৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর শান্তিনগরে আনন্দ ভবনের সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় দৈনিক সংবাদের তখনকার বার্তা সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন মন্টুকে ধাক্কা দেয় বাংলাদেশ বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পানীয়বোঝাই একটি মিনি ট্রাক। মন্টু মাথা ও মুখমণ্ডলে আঘাত পেলে স্থানীয় লোকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। ১৩ দিন হাসপাতালে থেকে সে বছরের ১৬ ডিসেম্বর মারা যান তিনি।
মন্টুর স্ত্রী রওশন আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি তিন যুগ ধরে লড়াই করে যাচ্ছি। কিন্তু তারা এক টাকাও দেবে বলে মনে হচ্ছে না। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ও বাস্তবায়ন হয় না এ দেশে। অবশ্য বাংলাদেশ বেভারেজের পক্ষে খুব প্রভাবশালী মহল কাজ করছে। প্রতিবার এক হাজার টাকা খরচ হয় আমার তারিখ নিতে। সাড়ে তিন কোটি থেকে দেড় কোটিতে নামিয়ে এনেছে তারা ক্ষতিপূরণ। কয়েক দিন পর হয়তো বলবে, আপনি কোনো টাকাই পাবেন না।’
আদালত সূত্রে জানা যায়, মন্টুর স্ত্রী রওশন আখতার ১৯৯১ সালের ১ জানুয়ারি ৩ কোটি ৫২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেন। ২০০৫ সালের ২০ মার্চ বিচারিক আদালত বাংলাদেশ বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে ওই টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেন। রায়ে ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে বিবাদীপক্ষ। উচ্চ আদালত ২০১০ সালের ১১ মে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ কোটি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮ টাকা টাকা দেওয়ার ডিক্রি দেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বাংলাদেশ বেভারেজ। ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল আপিল বিভাগ পর্যবেক্ষণসহ লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে রায় দেন। তাতে বলা হয়, নিহত ব্যক্তির স্ত্রী ১ কোটি ৭১ লাখ ৪৭ হাজার ৮ টাকা ক্ষতিপূরণ পাবেন। যদিও এখনো এক টাকাও পাননি বাদী।
বাদীপক্ষের আইনজীবী খলিলুর রহমান জানান, রায়ের সাত বছরেও বিবাদীপক্ষ কোনো অর্থ দেয়নি। টাকা পেতে ডিক্রি জারির মামলা করার পর আদালত বিবাদীপক্ষের সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেভারেজের পাঁচ বিঘা জায়গা নিলামে বিক্রি করে ওই অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়েছিল।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫