সম্পাদকীয়

‘ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে’—স্কুলজীবনে অনেককেই এই বাক্যের ভাবসম্প্রসারণ করতে হয়েছে। শিশুরাই যেকোনো জাতির ভবিষ্যৎ, সেটা মুখে বলা হলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন দেখা যায় না।
শিশুদের উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে তাদের জীবন আলোকিত ও সম্ভাবনাময় করে তোলার বিষয়টি আমাদের দেশে মেনে চলা হয় না। অনেক শিশুই তো পথশিশু হিসেবে অনাদরে-অবহেলায় বেড়ে ওঠে। দরিদ্র বা অভাবী পরিবারের শিশুরাও সবাই শিক্ষার সুযোগ পায়, তা-ও না। সবার জন্য শিক্ষা–এখনো আমাদের দেশে স্লোগান হিসেবেই আছে, বাস্তবে পরিণত হয়নি।
শিশুশ্রম নিষিদ্ধ হলেও অসংখ্য শিশুকে বেঁচে থাকার জন্য পরিশ্রম করতে হয়। কলকারখানায় শুধু নয়, অনেকের বাসাবাড়িতেও অল্পবয়সী শিশুদের কাজ করতে দেখা যায়। শারীরিক-মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে অন্তরায় হওয়ার মতো কঠোর শ্রমে নিযুক্ত হয়ে কত শিশু জীবনের হিসাব থেকে বাদ পড়ছে, তারই বা খোঁজ রাখে কতজন?
মঙ্গলবার আজকের পত্রিকায় মন খারাপ হওয়ার মতো একটি ছোট খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে এক পথশিশুকে অপহরণ করে গৃহকর্মী হিসেবে চার বছর আটকে রেখেছিলেন এক ব্যক্তি। এ সময় পরিবারের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করতে না দিয়ে নির্যাতন করা হতো শিশুটিকে। অবশেষে রোববার খিলগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে (বর্তমানে কিশোরী) উদ্ধার করেছে র্যাব। সেই সঙ্গে অপহরণকারী আব্দুল্লাহকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, জীবিকার তাগিদে রাস্তায় ফুল ও কাগজের স্টিকার বিক্রি করত শিশুটি। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসের কোনো একদিন ফুল বিক্রি করতে বের হয়ে সে আর বাসায় ফেরেনি।
অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও সন্ধান না পেয়ে গুলশান থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেছিল তার পরিবার। জিডি করার চার বছর পরেও কোনো খোঁজ না পেয়ে তারা র্যাব-৩-এ একটি অভিযোগ করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-৩ ছায়া তদন্ত শুরু করে। র্যাবের তদন্তে জানা যায়, গুলশান এলাকার আজাদ মসজিদের সামনের ফুটপাতে শিশুটিকে দেখে তাকে অপহরণের টার্গেট করেন আব্দুল্লাহ। একদিন ফুল বিক্রির সময় শিশুটির নাম জিজ্ঞেস করেন এবং নতুন জামা-কাপড়, খেলনা কিনে দিয়ে প্রথমে তাকে একটি মার্কেটে নিয়ে যান। সেখান থেকে শিশুটিকে নেওয়া হয় একটি কারখানায়। কারখানায় সে অসুস্থ হয়ে পড়লে আব্দুল্লাহ তাঁর বাসায় নিয়ে যান এবং তাকে দিয়ে গৃহপরিচারিকার কাজ করাতে থাকেন।
এই ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য নিয়েই যে শিশুটিকে অপহরণ করেছিলেন, সেটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। অথচ ওই ব্যক্তিও নিশ্চয়ই এক বা একাধিক সন্তানের পিতা। তাঁর শিশুপুত্র বা কন্যাকে কেউ যদি এভাবে অপহরণ করে বাসায় কাজ করতে বাধ্য করত এবং নির্যাতন করা হতো, তখন তাঁর নিশ্চয়ই ভালো লাগত না। একটি শিশুকে অপহরণ করে তার সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করার মধ্য দিয়ে আব্দুল্লাহর নির্যাতক মনোবৃত্তি ফুটে উঠেছে। আব্দুল্লাহর মতো মানসিকতাসম্পন্ন মানুষ আমাদের সমাজে কম নেই।

‘ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে’—স্কুলজীবনে অনেককেই এই বাক্যের ভাবসম্প্রসারণ করতে হয়েছে। শিশুরাই যেকোনো জাতির ভবিষ্যৎ, সেটা মুখে বলা হলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন দেখা যায় না।
শিশুদের উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে তাদের জীবন আলোকিত ও সম্ভাবনাময় করে তোলার বিষয়টি আমাদের দেশে মেনে চলা হয় না। অনেক শিশুই তো পথশিশু হিসেবে অনাদরে-অবহেলায় বেড়ে ওঠে। দরিদ্র বা অভাবী পরিবারের শিশুরাও সবাই শিক্ষার সুযোগ পায়, তা-ও না। সবার জন্য শিক্ষা–এখনো আমাদের দেশে স্লোগান হিসেবেই আছে, বাস্তবে পরিণত হয়নি।
শিশুশ্রম নিষিদ্ধ হলেও অসংখ্য শিশুকে বেঁচে থাকার জন্য পরিশ্রম করতে হয়। কলকারখানায় শুধু নয়, অনেকের বাসাবাড়িতেও অল্পবয়সী শিশুদের কাজ করতে দেখা যায়। শারীরিক-মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে অন্তরায় হওয়ার মতো কঠোর শ্রমে নিযুক্ত হয়ে কত শিশু জীবনের হিসাব থেকে বাদ পড়ছে, তারই বা খোঁজ রাখে কতজন?
মঙ্গলবার আজকের পত্রিকায় মন খারাপ হওয়ার মতো একটি ছোট খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে এক পথশিশুকে অপহরণ করে গৃহকর্মী হিসেবে চার বছর আটকে রেখেছিলেন এক ব্যক্তি। এ সময় পরিবারের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করতে না দিয়ে নির্যাতন করা হতো শিশুটিকে। অবশেষে রোববার খিলগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে (বর্তমানে কিশোরী) উদ্ধার করেছে র্যাব। সেই সঙ্গে অপহরণকারী আব্দুল্লাহকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, জীবিকার তাগিদে রাস্তায় ফুল ও কাগজের স্টিকার বিক্রি করত শিশুটি। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসের কোনো একদিন ফুল বিক্রি করতে বের হয়ে সে আর বাসায় ফেরেনি।
অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও সন্ধান না পেয়ে গুলশান থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেছিল তার পরিবার। জিডি করার চার বছর পরেও কোনো খোঁজ না পেয়ে তারা র্যাব-৩-এ একটি অভিযোগ করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-৩ ছায়া তদন্ত শুরু করে। র্যাবের তদন্তে জানা যায়, গুলশান এলাকার আজাদ মসজিদের সামনের ফুটপাতে শিশুটিকে দেখে তাকে অপহরণের টার্গেট করেন আব্দুল্লাহ। একদিন ফুল বিক্রির সময় শিশুটির নাম জিজ্ঞেস করেন এবং নতুন জামা-কাপড়, খেলনা কিনে দিয়ে প্রথমে তাকে একটি মার্কেটে নিয়ে যান। সেখান থেকে শিশুটিকে নেওয়া হয় একটি কারখানায়। কারখানায় সে অসুস্থ হয়ে পড়লে আব্দুল্লাহ তাঁর বাসায় নিয়ে যান এবং তাকে দিয়ে গৃহপরিচারিকার কাজ করাতে থাকেন।
এই ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্য নিয়েই যে শিশুটিকে অপহরণ করেছিলেন, সেটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। অথচ ওই ব্যক্তিও নিশ্চয়ই এক বা একাধিক সন্তানের পিতা। তাঁর শিশুপুত্র বা কন্যাকে কেউ যদি এভাবে অপহরণ করে বাসায় কাজ করতে বাধ্য করত এবং নির্যাতন করা হতো, তখন তাঁর নিশ্চয়ই ভালো লাগত না। একটি শিশুকে অপহরণ করে তার সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করার মধ্য দিয়ে আব্দুল্লাহর নির্যাতক মনোবৃত্তি ফুটে উঠেছে। আব্দুল্লাহর মতো মানসিকতাসম্পন্ন মানুষ আমাদের সমাজে কম নেই।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫