সাজ্জাদ মাহমুদ খান, ঢাকা

পুলিশ বাহিনীতে নিম্ন পদ বিলুপ্ত করে ১৭৮টি উচ্চ পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত অনুমোদন দিয়েছে। নতুন পদগুলো হলো ৪ জন অতিরিক্ত আইজিপি, ১৮ জন ডিআইজি, ৮৮ জন অতিরিক্ত ডিআইজি এবং ৪৮ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ।
গত রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, পুলিশ অধিদপ্তরের বিভিন্ন ইউনিটের সাংগঠনিক কাঠামোর অভ্যন্তরীণ সংস্কারের মাধ্যমে ১৭৮টি পদ বিলুপ্ত করে সমসংখ্যক পদ সৃষ্টি ও সমন্বয়ের জন্য সরকার মঞ্জুর করেছে।
১৭৮টি পদের মধ্যে ২০টি হলো পুলিশ সুপারের পদ, যাদের এক ইউনিট থেকে অন্য ইউনিটে নেওয়া হয়েছে। এই পদের মঞ্জুরি আগে থেকেই ছিল।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানা যায়, নতুন পদে নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়োগ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অন্তর্ভুক্ত করে ‘ক্যাডার কম্পোজিশন রুলস’ সংশোধন করতে হবে। অভ্যন্তরীণ সংস্কারের মাধ্যমে এই পদ সৃষ্টি হওয়ায় পুলিশের মোট সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হবে না।
মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, গত মাসে পুলিশের পদ বিলুপ্ত, সমন্বয় ও সৃজনের ব্যাপারে আর্থিক অনুমোদন দেয় অর্থ বিভাগ। এরপর সচিব কমিটির অনুমোদনের জন্য সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। গত ১৮ অক্টোবর সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির ভার্চুয়াল সভায় তা অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
তবে নিচের স্তরের ১৫৮টি পদ কমিয়ে উচ্চ পদ সৃষ্টির খবরে মাঠপর্যায়ে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শকের অনেকেই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একাধিক পুলিশ পরিদর্শক আজকের পত্রিকাকে বলেন, পেশাদার পুলিশ পরিদর্শকের স্বপ্ন থাকে এএসপি হয়ে আরও উচ্চ পদে পদোন্নতি পাওয়ার। এএসপি পদের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ায় তাঁদের পদোন্নতির স্বপ্ন ফিকে হয়ে যাবে।
বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে ৩ হাজার ১২৩টি ক্যাডার পদ আছে। এর মধ্যে ১৮ জন অতিরিক্ত আইজিপি ও ৬৭ জন উপমহাপুলিশ পরিদর্শকের পদ।
জানতে চাইলে পুলিশের সাবেক আইজি মুহাম্মদ নুরুল হুদা আজকের পত্রিকাকে বলেন, পুলিশের কাজটি স্পর্শকাতর হওয়ায় তত্ত্বাবধান নিবিড় করতে হয়। তাই উচ্চ পদে অর্থাৎ তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা যত বাড়বে তার ইতিবাচক দিক আছে। পরিদর্শকদের পদোন্নতিতে হতাশার ব্যাপারে তিনি বলেন, একটা প্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত পিরামিডের মতো। সেখানে কোন পদের কতজন থাকবে, তার নির্দিষ্ট অনুপাত রয়েছে। এটা মাথাভারী হচ্ছে কি না, সেটা অবশ্যই বিবেচনার বিষয়।

পুলিশ বাহিনীতে নিম্ন পদ বিলুপ্ত করে ১৭৮টি উচ্চ পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত অনুমোদন দিয়েছে। নতুন পদগুলো হলো ৪ জন অতিরিক্ত আইজিপি, ১৮ জন ডিআইজি, ৮৮ জন অতিরিক্ত ডিআইজি এবং ৪৮ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ।
গত রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, পুলিশ অধিদপ্তরের বিভিন্ন ইউনিটের সাংগঠনিক কাঠামোর অভ্যন্তরীণ সংস্কারের মাধ্যমে ১৭৮টি পদ বিলুপ্ত করে সমসংখ্যক পদ সৃষ্টি ও সমন্বয়ের জন্য সরকার মঞ্জুর করেছে।
১৭৮টি পদের মধ্যে ২০টি হলো পুলিশ সুপারের পদ, যাদের এক ইউনিট থেকে অন্য ইউনিটে নেওয়া হয়েছে। এই পদের মঞ্জুরি আগে থেকেই ছিল।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানা যায়, নতুন পদে নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়োগ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অন্তর্ভুক্ত করে ‘ক্যাডার কম্পোজিশন রুলস’ সংশোধন করতে হবে। অভ্যন্তরীণ সংস্কারের মাধ্যমে এই পদ সৃষ্টি হওয়ায় পুলিশের মোট সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হবে না।
মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, গত মাসে পুলিশের পদ বিলুপ্ত, সমন্বয় ও সৃজনের ব্যাপারে আর্থিক অনুমোদন দেয় অর্থ বিভাগ। এরপর সচিব কমিটির অনুমোদনের জন্য সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। গত ১৮ অক্টোবর সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির ভার্চুয়াল সভায় তা অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
তবে নিচের স্তরের ১৫৮টি পদ কমিয়ে উচ্চ পদ সৃষ্টির খবরে মাঠপর্যায়ে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শকের অনেকেই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একাধিক পুলিশ পরিদর্শক আজকের পত্রিকাকে বলেন, পেশাদার পুলিশ পরিদর্শকের স্বপ্ন থাকে এএসপি হয়ে আরও উচ্চ পদে পদোন্নতি পাওয়ার। এএসপি পদের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ায় তাঁদের পদোন্নতির স্বপ্ন ফিকে হয়ে যাবে।
বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে ৩ হাজার ১২৩টি ক্যাডার পদ আছে। এর মধ্যে ১৮ জন অতিরিক্ত আইজিপি ও ৬৭ জন উপমহাপুলিশ পরিদর্শকের পদ।
জানতে চাইলে পুলিশের সাবেক আইজি মুহাম্মদ নুরুল হুদা আজকের পত্রিকাকে বলেন, পুলিশের কাজটি স্পর্শকাতর হওয়ায় তত্ত্বাবধান নিবিড় করতে হয়। তাই উচ্চ পদে অর্থাৎ তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা যত বাড়বে তার ইতিবাচক দিক আছে। পরিদর্শকদের পদোন্নতিতে হতাশার ব্যাপারে তিনি বলেন, একটা প্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত পিরামিডের মতো। সেখানে কোন পদের কতজন থাকবে, তার নির্দিষ্ট অনুপাত রয়েছে। এটা মাথাভারী হচ্ছে কি না, সেটা অবশ্যই বিবেচনার বিষয়।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫