সম্পাদকীয়

অজয় রায় ছিলেন বামপন্থী নেতা, কলামিস্ট ও লেখক। তাঁর জন্ম ১৯২৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে। তবে তাঁদের আদি বাড়ি ছিল কিশোরগঞ্জের বনগ্রামে।
অজয় রায়ের শৈশবকাল কেটেছে ভারতের বারানসী শহরে। তাঁর পিতা ড. প্রমথ নাথ রায় বারানসী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদেশি ভাষার অধ্যাপক ছিলেন। তিনি বারানসী অ্যাংলো বেঙ্গলি ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং বারানসী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইএসসি পাস করেন। পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তিনি বারানসী থেকে কিশোরগঞ্জে চলে আসেন। বারানসীতে থাকাকালীন তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন মুন্সিগঞ্জের হরগঙ্গা কলেজ থেকে বিকম পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীকালে কারাবন্দী থাকা অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।
অজয় রায় ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন পরিষদ, উদীচী, ছায়ানটের প্রতিষ্ঠার সময়ে অন্যতম সংগঠক হিসেবে সামনের সারিতে ছিলেন।
কিশোরগঞ্জের বনগ্রামে ফিরে কমিউনিস্ট পার্টির কাজে সক্রিয় হন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির দ্বিতীয় কংগ্রেসে কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৯৩ সালে কমিউনিস্ট পার্টিতে ভাঙনের পর অজয় রায় গঠন করেন নতুন দল কমিউনিস্ট কেন্দ্র। তবে সে দল টেকেনি। ২০১০ সালের পর ‘সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন’ নামের একটি সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ‘সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদবিরোধী মঞ্চে’র সমন্বয়কও ছিলেন।
অজয় রায়ের লিখিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমি’, ‘ঊষালগ্ন’, ‘শিক্ষানবিশীর হাতেখড়ি’, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি: অতীত ও বর্তমান’, ‘বাংলাদেশের ভূমিব্যবস্থার সংকট ও সমাধান’, ‘রাজনীতির অ আ ক খ’, ‘রাজনীতি কি ও কেন?’, ‘বাংলার কৃষক বিদ্রোহ’, ‘গণআন্দোলনের এক দশক’, ‘আমাদের জাতীয় বিকাশের ধারা’, ‘বাংলাদেশের বামপন্থী আন্দোলন’, ‘পুঁজিবাদী অর্থনীতি’, ‘সত্যেন সেন’, ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’, ‘বাঙলা ও বাঙালী’, ‘বাঙলা, বাঙালি ও বাঙলাদেশী’, ‘তীরের অন্বেষায়: স্বাধীন বাংলাদেশ’ ইত্যাদি।
২০১৬ সালের ১৭ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন অজয় রায়।

অজয় রায় ছিলেন বামপন্থী নেতা, কলামিস্ট ও লেখক। তাঁর জন্ম ১৯২৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে। তবে তাঁদের আদি বাড়ি ছিল কিশোরগঞ্জের বনগ্রামে।
অজয় রায়ের শৈশবকাল কেটেছে ভারতের বারানসী শহরে। তাঁর পিতা ড. প্রমথ নাথ রায় বারানসী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদেশি ভাষার অধ্যাপক ছিলেন। তিনি বারানসী অ্যাংলো বেঙ্গলি ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং বারানসী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইএসসি পাস করেন। পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তিনি বারানসী থেকে কিশোরগঞ্জে চলে আসেন। বারানসীতে থাকাকালীন তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন মুন্সিগঞ্জের হরগঙ্গা কলেজ থেকে বিকম পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীকালে কারাবন্দী থাকা অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।
অজয় রায় ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন পরিষদ, উদীচী, ছায়ানটের প্রতিষ্ঠার সময়ে অন্যতম সংগঠক হিসেবে সামনের সারিতে ছিলেন।
কিশোরগঞ্জের বনগ্রামে ফিরে কমিউনিস্ট পার্টির কাজে সক্রিয় হন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির দ্বিতীয় কংগ্রেসে কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৯৩ সালে কমিউনিস্ট পার্টিতে ভাঙনের পর অজয় রায় গঠন করেন নতুন দল কমিউনিস্ট কেন্দ্র। তবে সে দল টেকেনি। ২০১০ সালের পর ‘সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন’ নামের একটি সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ‘সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদবিরোধী মঞ্চে’র সমন্বয়কও ছিলেন।
অজয় রায়ের লিখিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমি’, ‘ঊষালগ্ন’, ‘শিক্ষানবিশীর হাতেখড়ি’, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি: অতীত ও বর্তমান’, ‘বাংলাদেশের ভূমিব্যবস্থার সংকট ও সমাধান’, ‘রাজনীতির অ আ ক খ’, ‘রাজনীতি কি ও কেন?’, ‘বাংলার কৃষক বিদ্রোহ’, ‘গণআন্দোলনের এক দশক’, ‘আমাদের জাতীয় বিকাশের ধারা’, ‘বাংলাদেশের বামপন্থী আন্দোলন’, ‘পুঁজিবাদী অর্থনীতি’, ‘সত্যেন সেন’, ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’, ‘বাঙলা ও বাঙালী’, ‘বাঙলা, বাঙালি ও বাঙলাদেশী’, ‘তীরের অন্বেষায়: স্বাধীন বাংলাদেশ’ ইত্যাদি।
২০১৬ সালের ১৭ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন অজয় রায়।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫