রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবস্থিত জেলার প্রথম ডাকঘর এখন পুরোপুরি জৌলুশহীন। এখানে পর্যাপ্ত জনবল নেই, যান্ত্রিকতার স্বল্পতায় আধুনিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এই ডাকঘরের কার্যক্রম চলছে জরাজীর্ণ ভবনে। এক সময় জেলার দূর যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু এই ‘রামগড় প্রধান ডাকঘর’ এখন প্রায় নির্জীব।
১৯৮৪ সালের ৩০ মে রামগড় ডাকঘরটিকে বি-গ্রেডে উন্নীত করে প্রধান ডাকঘরের স্বীকৃতি দেয় ডাক বিভাগ। জেলার মাটিরাঙ্গা, লক্ষ্মীছড়ি এবং মানিকছড়ি উপজেলার ডাকঘরগুলো রামগড় ডাকঘরের আওতাধীন। জেলার চারটি উপজেলায় রয়েছে এর ১২টি উপশাখা। তবে প্রধান ডাকঘরে ২১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিপরীতে বর্তমানে কাজ করছেন ১২ জন। ৯টি পদই শূন্য পড়ে আছে।
১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর বিকেলে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রয়াত সাংসদ সুলতান আহমেদ ডাকঘরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে রামগড়কে হানাদার মুক্ত ঘোষণ করেন।
রামগড় প্রধান ডাকঘর সূত্রে জানা যায়, রামগড় ডাক বিভাগে ট্রেজারি কার্যক্রম ও ইলেকট্রনিক মানি অর্ডার (ইএমইএস) সার্ভিসটির সুবিধা নেই। বাংলালিংক নেটওয়ার্ক চালু হলেও এটির অবস্থা করুন। কার্যক্রমটি চালু করা গেলে পার্বত্য চট্টগ্রামের পুরোনো এ পোস্ট অফিস থেকে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাহককে সুবিধা দেওয়া সম্ভব। সেবাটি চালু করা হলে ডাক বিভাগ কেন্দ্রিক মানুষের কর্মতৎপরতা বাড়ার পাশাপাশি সরকার রাজস্ব পাবে।
মানবাধিকার কর্মী করিম শাহ জানান, সাধারণ মানুষভাবে চিঠিপত্র আদান-প্রদান ছাড়া ডাকঘরের কোনো কাজ নেই। বর্তমানে ডাকঘরের সেবার পরিধি বেড়েছে। কিন্তু রামগড় প্রধান ডাকঘর তার সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না। আগে সঞ্চয়পত্রের সুবিধা থাকলেও অনলাইন নির্ভর হওয়ার গ্রাহক সে সুবিধা পাচ্ছে না।
স্থানীয় প্রবীণ নুর ইসলাম জানান, নব্বইয়ের দশকে প্রবাস থাকা কালে তিনি এই ডাকঘর ব্যবহার করে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। মাস শেষে বেতন মানি অর্ডার করে পাঠাতেন। এখন এই ডাকঘর স্মৃতিতে ঠাঁই নিচ্ছে।
ডাকঘরের পিয়ন দিদার হোসেন মজুমদার জানান, ব্যক্তিগত চিঠিপত্র এখন তেমন আসে না। মাঝে মাঝে দু-একটি আসে। সরকারি চিঠিপত্র বিলি করতে হয় বেশি।
রামগড় প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার সুমিত কান্তি শীল বলেন, এখানে দক্ষ জনবলের অভাব। প্রত্যন্ত এলাকা বিধায় কেউ থাকতে চায় না। জনবল নিয়োগ, ইএমএস এবং সঞ্চয়পত্র সুবিধা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করেছেন বলে জানান।

খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবস্থিত জেলার প্রথম ডাকঘর এখন পুরোপুরি জৌলুশহীন। এখানে পর্যাপ্ত জনবল নেই, যান্ত্রিকতার স্বল্পতায় আধুনিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এই ডাকঘরের কার্যক্রম চলছে জরাজীর্ণ ভবনে। এক সময় জেলার দূর যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু এই ‘রামগড় প্রধান ডাকঘর’ এখন প্রায় নির্জীব।
১৯৮৪ সালের ৩০ মে রামগড় ডাকঘরটিকে বি-গ্রেডে উন্নীত করে প্রধান ডাকঘরের স্বীকৃতি দেয় ডাক বিভাগ। জেলার মাটিরাঙ্গা, লক্ষ্মীছড়ি এবং মানিকছড়ি উপজেলার ডাকঘরগুলো রামগড় ডাকঘরের আওতাধীন। জেলার চারটি উপজেলায় রয়েছে এর ১২টি উপশাখা। তবে প্রধান ডাকঘরে ২১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিপরীতে বর্তমানে কাজ করছেন ১২ জন। ৯টি পদই শূন্য পড়ে আছে।
১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর বিকেলে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রয়াত সাংসদ সুলতান আহমেদ ডাকঘরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে রামগড়কে হানাদার মুক্ত ঘোষণ করেন।
রামগড় প্রধান ডাকঘর সূত্রে জানা যায়, রামগড় ডাক বিভাগে ট্রেজারি কার্যক্রম ও ইলেকট্রনিক মানি অর্ডার (ইএমইএস) সার্ভিসটির সুবিধা নেই। বাংলালিংক নেটওয়ার্ক চালু হলেও এটির অবস্থা করুন। কার্যক্রমটি চালু করা গেলে পার্বত্য চট্টগ্রামের পুরোনো এ পোস্ট অফিস থেকে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাহককে সুবিধা দেওয়া সম্ভব। সেবাটি চালু করা হলে ডাক বিভাগ কেন্দ্রিক মানুষের কর্মতৎপরতা বাড়ার পাশাপাশি সরকার রাজস্ব পাবে।
মানবাধিকার কর্মী করিম শাহ জানান, সাধারণ মানুষভাবে চিঠিপত্র আদান-প্রদান ছাড়া ডাকঘরের কোনো কাজ নেই। বর্তমানে ডাকঘরের সেবার পরিধি বেড়েছে। কিন্তু রামগড় প্রধান ডাকঘর তার সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না। আগে সঞ্চয়পত্রের সুবিধা থাকলেও অনলাইন নির্ভর হওয়ার গ্রাহক সে সুবিধা পাচ্ছে না।
স্থানীয় প্রবীণ নুর ইসলাম জানান, নব্বইয়ের দশকে প্রবাস থাকা কালে তিনি এই ডাকঘর ব্যবহার করে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। মাস শেষে বেতন মানি অর্ডার করে পাঠাতেন। এখন এই ডাকঘর স্মৃতিতে ঠাঁই নিচ্ছে।
ডাকঘরের পিয়ন দিদার হোসেন মজুমদার জানান, ব্যক্তিগত চিঠিপত্র এখন তেমন আসে না। মাঝে মাঝে দু-একটি আসে। সরকারি চিঠিপত্র বিলি করতে হয় বেশি।
রামগড় প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার সুমিত কান্তি শীল বলেন, এখানে দক্ষ জনবলের অভাব। প্রত্যন্ত এলাকা বিধায় কেউ থাকতে চায় না। জনবল নিয়োগ, ইএমএস এবং সঞ্চয়পত্র সুবিধা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করেছেন বলে জানান।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫