
টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বরকল, বড় হরিণা ও বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৮২০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। সড়ক ও নৌপথে বিঘ্ন ঘটায় দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে প্রশাসন।

টানা চার দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের ১৩টি উপজেলা এবং পার্শ্ববর্তী কক্সবাজার ও পার্বত্য বান্দরবানের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে লাখো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা, সড়ক তলিয়ে যাওয়া, পাহাড়ধস ও গাছ উপড়ে...

বান্দরবানে টানা ভারী বৃষ্টিতে সাঙ্গু ও মাতামুহুরীর পানি বেড়ে বন্যা ও পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাবাসীকে সরে যেতে মাইকিং করছে। ৭ উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

টানা ভারী বর্ষণের কারণে পর্যটক ও জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আজ ৬ জুলাই থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতেও প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।