Ajker Patrika

তীব্র সেশনজটে জবির ফার্মাসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা

জবি প্রতিনিধি
আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২২, ১১: ২২
তীব্র সেশনজটে জবির ফার্মাসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ফার্মাসি বিভাগে একই সঙ্গে সাতটি শিক্ষাবর্ষের শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিভাগটিতে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত মোট সাতটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরীক্ষা চলছে। এতে বিভাগের শিক্ষার্থীরা তীব্র সেশনজটের কবলে পড়েছেন।

বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ২০১৭ সালে স্নাতক ও ২০১৮ সালে স্নাতকোত্তর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এই বর্ষের শিক্ষার্থীরা সাড়ে তিন বছরের জটে এখনো মাস্টার্স দ্বিতীয় সেমিস্টারে আটকে আছেন। একই অবস্থা ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষেও।

ফার্মেসি বিভাগের একাধিক ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষা না হওয়া ও বিভাগের প্রতি শিক্ষকদের চরম উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তীব্র সেশনজটের সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, সেশনজটের কারণে ৬ মাস সময়ের এক সেমিস্টার শেষ করতে সময় লাগছে ৮ থেকে ১০ মাস। যার ফলে শিক্ষার্থীদের চার বছর মেয়াদি স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শেষ করতে ৫ থেকে ৭ বছরেরও বেশি সময় লাগছে।

তাঁদের অভিযোগ, অ্যাকাডেমিক রুটিন অনুযায়ী ক্লাস-পরীক্ষা নিতে শিক্ষকদের অপারগতা ও অনীহা, সান্ধ্যকালীন কোর্সের দিকে বেশি মনোনিবেশ করা এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিতে ব্যস্ত থাকা এবং ক্লাসরুম সংকটের কারণে সেশনজট আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২০১৩-১৪ বর্ষের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ করে বলেন, ‘৬ বছরে অনার্স শেষ করছি এখনো মাস্টার্স শেষ করতে পারিনি। কার কাছে অভিযোগ দেব? শিক্ষকেরা ঠিকমতো ক্লাস, পরীক্ষা নেন না।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা ২ বছরের জটে পড়েছি। ২০২১ অনার্স শেষ করেছি। এখনো মাস্টার্স শুরু করতে পারিনি। কোভিডের সময় অনলাইনে ক্লাস হলেও পরীক্ষা নিতে গড়িমসি করছে বিভাগ।’

এ বিষয়ে ফার্মাসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ জেড এম রুহুল মোমেন বলেন, ‘আমাদের আগে থেকে কিছুটা জট ছিল। তবে করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তা আরও তীব্র আকারে ধারণ করেছে। মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা বেশি জটের মধ্যে আছে। আশা করছি, আগামী ১ বছরের মধ্যে জট নিরসন করতে পারব।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেছি, জট নিরসনের জন্য। এটি এক দিনে তৈরি হয়নি। কোভিডের কারণে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করছে। তবে আমরা চেষ্টা করছি, দ্রুত পরীক্ষা নিয়ে তাদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করার।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

মাত্র দেড় বছর আগে র‍্যাবে যোগদান করেছিলেন বিজিবি সদস্য মোতালেব

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা: বিএনপিতে বিদ্রোহী অর্ধশতাধিক

রাস্তায় সাইকেল থামিয়ে মুদিদোকানিকে কুপিয়ে হত্যার পর ‘হামলাকারী’ নিহত গণপিটুনিতে

কূটনীতিকদের কাছে আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরল বিএনপি

ইডেন–বদরুন্নেসা–হোম ইকোনমিকস নিয়ে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়তে চায় জামায়াত

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত