সম্পাদকীয়

এ বছরই নাকি ঢাকার রাস্তায় ১০০ ইলেকট্রিক বাস নামবে। খবরটি আশার সঞ্চার করতে পারে মনে। কিন্তু আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা যা বলছে, তাতে খুব একটা উৎসাহিত হওয়ার সুযোগ আছে কি? বিআরটিসির সেই চালকেরাই বাস চালাবেন, সেই লোকেরাই মনিটরিং করবেন, যাঁদের মস্তিষ্কে সূক্ষ্মভাবে গেঁথে গেছে ‘সরকার কা মাল দরিয়া মে ঢাল’। ভালো উদ্যোগকে সরাসরি নষ্ট করে দেওয়ার বহু কীর্তি তাঁরা বহুবার গড়েছেন।
কথাগুলো বলা হলো এ কারণে যে, একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে পরিবহন খাতকে আনতে হলে যে জনবল দরকার এবং যে জনবলের ভাবনার জায়গাটি মজবুত করা দরকার, সেই জনবল তৈরি করতে হলে আনুষঙ্গিক যে দিকগুলোর দিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন, সেগুলোর অনুপস্থিতি দৃষ্টিকটুভাবেই দৃশ্যমান। পৃথিবীর বহু দেশ এই বাধা পাড়ি দিতে পেরেছে। এর কারণ সেখানে কাজটা সরকারি হিসেবে না দেখে নিজের কাজ হিসেবে দেখার প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারা গেছে।
কারিগরিভাবে উন্নত দেশগুলোতে গিয়ে তাদের পরিবহনব্যবস্থা দেখলে প্রথমেই চোখে পড়বে, এই কাঠামোর মধ্যে যাঁরাই রয়েছেন তাঁদের সবার রয়েছে জবাবদিহির ব্যবস্থা। যাত্রীদের সময়মতো, জায়গামতো পৌঁছে দিতে হবে, যাত্রীদের আনন্দময় ভ্রমণের নিশ্চয়তা দিতে হবে—এটা পরিবহনব্যবস্থায় নিশ্চিতভাবে গেঁথে দিতে হয়। আমাদের সরকারি পরিবহনের কর্তাব্যক্তি থেকে শুরু করে চালক বা তাঁর সহকারী পর্যন্ত যে বিশাল চেইন রয়েছে, তার প্রতিটি জায়গায় সরকারের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নিজস্ব লাভালাভের প্রবণতা কাজ করে। সেবা না দিয়েই যদি পার পাওয়া যায় তাহলে সেবা না দেওয়াই মঙ্গল—এ রকম প্রবণতা রয়েছে আমাদের।
আমাদের বৃহত্তর ঢাকার দুই মেয়র বলেছেন, ফিটনেসবিহীন এবং পুরোনো গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। লক্কড়ঝক্কড় মার্কা বাস ঢাকা শহরে চলাচল করতে পারবে না, এটা শুধু কথার কথা হয়েই থাকবে, যদি না সত্যিই রাস্তায় লক্কড়ঝক্কড় মার্কা বাস ধরপাকড় শুরু হয়ে যায়। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে, যাঁরা এই ধরপাকড়ের মধ্যে থাকেন, তাঁদের সঙ্গে ‘কীভাবে যেন’ একটা বন্দোবস্ত হয়ে যায় লক্কড়ঝক্কড় মার্কা বাসগুলোর। আপনি চান কি না চান, আপনাকে বাধ্য হয়ে সে রকম বাসে চলাচল করতে হতে পারে।
আমাদের পরিবহন খাতে শৃঙ্খলার বড় অভাব। পরিবহন খাতের মূল উদ্দেশ্য যে যাত্রীর সেবা করা এবং তারই মাধ্যমে মুনাফার দেখা পাওয়া, সেই ভুলে যাওয়া সত্যকে পরিবহনের সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে আনা যায় কি না, সেটাই হলো সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যখন অসাধুতা ঢুকে পড়েছে, তখন পরিবহনকাঠামো তা থেকে বের হয়ে আসতে পারবে কি না, তা নিয়ে ভয় হয়।
এ রকম একটা পরিবহনব্যবস্থা গড়ে উঠলে তা তো সোনায় সোহাগা হবে, কিন্তু বিআরটিসির বহু ভালো উদ্যোগকে সুপরিকল্পিতভাবে গলা টিপে মেরে ফেলতে দেখে এই নতুন উদ্যোগের ব্যাপারে আমাদের সন্দেহ এখনো যায় না।

এ বছরই নাকি ঢাকার রাস্তায় ১০০ ইলেকট্রিক বাস নামবে। খবরটি আশার সঞ্চার করতে পারে মনে। কিন্তু আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা যা বলছে, তাতে খুব একটা উৎসাহিত হওয়ার সুযোগ আছে কি? বিআরটিসির সেই চালকেরাই বাস চালাবেন, সেই লোকেরাই মনিটরিং করবেন, যাঁদের মস্তিষ্কে সূক্ষ্মভাবে গেঁথে গেছে ‘সরকার কা মাল দরিয়া মে ঢাল’। ভালো উদ্যোগকে সরাসরি নষ্ট করে দেওয়ার বহু কীর্তি তাঁরা বহুবার গড়েছেন।
কথাগুলো বলা হলো এ কারণে যে, একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে পরিবহন খাতকে আনতে হলে যে জনবল দরকার এবং যে জনবলের ভাবনার জায়গাটি মজবুত করা দরকার, সেই জনবল তৈরি করতে হলে আনুষঙ্গিক যে দিকগুলোর দিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন, সেগুলোর অনুপস্থিতি দৃষ্টিকটুভাবেই দৃশ্যমান। পৃথিবীর বহু দেশ এই বাধা পাড়ি দিতে পেরেছে। এর কারণ সেখানে কাজটা সরকারি হিসেবে না দেখে নিজের কাজ হিসেবে দেখার প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারা গেছে।
কারিগরিভাবে উন্নত দেশগুলোতে গিয়ে তাদের পরিবহনব্যবস্থা দেখলে প্রথমেই চোখে পড়বে, এই কাঠামোর মধ্যে যাঁরাই রয়েছেন তাঁদের সবার রয়েছে জবাবদিহির ব্যবস্থা। যাত্রীদের সময়মতো, জায়গামতো পৌঁছে দিতে হবে, যাত্রীদের আনন্দময় ভ্রমণের নিশ্চয়তা দিতে হবে—এটা পরিবহনব্যবস্থায় নিশ্চিতভাবে গেঁথে দিতে হয়। আমাদের সরকারি পরিবহনের কর্তাব্যক্তি থেকে শুরু করে চালক বা তাঁর সহকারী পর্যন্ত যে বিশাল চেইন রয়েছে, তার প্রতিটি জায়গায় সরকারের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নিজস্ব লাভালাভের প্রবণতা কাজ করে। সেবা না দিয়েই যদি পার পাওয়া যায় তাহলে সেবা না দেওয়াই মঙ্গল—এ রকম প্রবণতা রয়েছে আমাদের।
আমাদের বৃহত্তর ঢাকার দুই মেয়র বলেছেন, ফিটনেসবিহীন এবং পুরোনো গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। লক্কড়ঝক্কড় মার্কা বাস ঢাকা শহরে চলাচল করতে পারবে না, এটা শুধু কথার কথা হয়েই থাকবে, যদি না সত্যিই রাস্তায় লক্কড়ঝক্কড় মার্কা বাস ধরপাকড় শুরু হয়ে যায়। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে, যাঁরা এই ধরপাকড়ের মধ্যে থাকেন, তাঁদের সঙ্গে ‘কীভাবে যেন’ একটা বন্দোবস্ত হয়ে যায় লক্কড়ঝক্কড় মার্কা বাসগুলোর। আপনি চান কি না চান, আপনাকে বাধ্য হয়ে সে রকম বাসে চলাচল করতে হতে পারে।
আমাদের পরিবহন খাতে শৃঙ্খলার বড় অভাব। পরিবহন খাতের মূল উদ্দেশ্য যে যাত্রীর সেবা করা এবং তারই মাধ্যমে মুনাফার দেখা পাওয়া, সেই ভুলে যাওয়া সত্যকে পরিবহনের সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে আনা যায় কি না, সেটাই হলো সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যখন অসাধুতা ঢুকে পড়েছে, তখন পরিবহনকাঠামো তা থেকে বের হয়ে আসতে পারবে কি না, তা নিয়ে ভয় হয়।
এ রকম একটা পরিবহনব্যবস্থা গড়ে উঠলে তা তো সোনায় সোহাগা হবে, কিন্তু বিআরটিসির বহু ভালো উদ্যোগকে সুপরিকল্পিতভাবে গলা টিপে মেরে ফেলতে দেখে এই নতুন উদ্যোগের ব্যাপারে আমাদের সন্দেহ এখনো যায় না।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫