সম্পাদকীয়

ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠা রাজনীতির মাঠটা এমন কোনো সংকেত দিচ্ছে না, যা থেকে আমরা ধরে নিতে পারি, খুব শিগগির এর একটা যৌক্তিক সমাধান হবে। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সম্পর্কটা দিনে দিনে এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যাতে মনে হচ্ছে এই অস্থিরতা খুব সহজে কাটবে না।
আজ ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ হওয়ার কথা। এই সমাবেশ নিয়ে কদিনে যে ঘটনাগুলো ঘটে গেল, তা ছিল অনভিপ্রেত। নয়াপল্টনে বিএনপির কর্মীদের অবস্থান ও পুলিশি অভিযান স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করেছে। পুলিশ যেমন ধৈর্যের পরিচয় দেয়নি, বিরোধী দলের পক্ষ থেকেও উসকানি ছিল। এই পরিস্থিতিতে সরকারপক্ষকেই সংযত আচরণ করতে হয়। লাশের রাজনীতি কোনো রাজনীতি নয়। কিন্তু উত্তপ্ত সময়ে অবিবেচকের মতো গুলি চালালে তার বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য বিরোধীদলীয় সমর্থক হতে হয় না, যেকোনো সুস্থ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষই বলবে, এটা ঠিক হয়নি।
সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে দুই পক্ষেরই উচিত অতি দ্রুত একটি সংলাপে বসা। দেশের ভবিষ্যৎ যেন অনিশ্চিত হয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করা।
দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করেছে বিএনপি। তাতে জনসমাগম হয়েছে। পরিবহন বন্ধসহ, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সমাবেশ ব্যাহত করার যে চেষ্টা হয়েছে, তাতে কোনো কাজ হয়নি; বরং এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে সরকার বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে পারত। সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুণ্ন না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য যে প্রশ্নগুলো ইদানীং উঠছে, তার সমাধান করেই বিরোধী দলের রাজনীতির জবাব দিতে পারত সরকার। ব্যাংক থেকে হাজার কোটি টাকা লোপাট করছে যারা, রাজনীতির মাঠে পেশিশক্তির ব্যবহার করছে যারা, লুটপাট করছে যারা, ক্যাসিনো খুলে বসছে যারা, বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে জনগণের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে যারা, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলে সরকারের প্রতি সমর্থন বাড়তে পারত। রেমিট্যান্স প্রবাহ নিশ্চিত করার কার্যকরী ব্যবস্থা নিয়ে এবং রপ্তানি আয় বাড়ানোর পথ খুঁজে বের করে রিজার্ভ ঘাটতি দূর করার চেষ্টা করলে সরকার বাহবা পেত। এসব না ভেবে বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে সংঘাতের পথটাকেই এ মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ পথ বলে মনে করা হলে সরকার ভুল করবে। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের আটক করার মাধ্যমে সরকার কী সংকেত দিতে চায়?
বিরোধী রাজনীতির মধ্যেও উসকানিমূলক আচরণ দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ সরকারবিরোধী যে উগ্র প্রচারণা চালাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, তা মোটেই সুবিবেচিত নয়। কোনো পক্ষ থেকেই কোনো ধরনের হঠকারিতা কাম্য নয়।
রাজনীতির লক্ষ্য যদি জনগণের সেবা করা হয়, তাহলে সরকার ও বিরোধী দল—উভয় পক্ষকেই ধৈর্য ধরতে হবে। জনগণের ভাষা বুঝতে হবে। এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি করা ঠিক হবে না, যা জনসাধারণের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে।
জনতার জয় হোক—এই যেন হয় রাজনীতির লক্ষ্য।

ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠা রাজনীতির মাঠটা এমন কোনো সংকেত দিচ্ছে না, যা থেকে আমরা ধরে নিতে পারি, খুব শিগগির এর একটা যৌক্তিক সমাধান হবে। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সম্পর্কটা দিনে দিনে এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যাতে মনে হচ্ছে এই অস্থিরতা খুব সহজে কাটবে না।
আজ ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ হওয়ার কথা। এই সমাবেশ নিয়ে কদিনে যে ঘটনাগুলো ঘটে গেল, তা ছিল অনভিপ্রেত। নয়াপল্টনে বিএনপির কর্মীদের অবস্থান ও পুলিশি অভিযান স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করেছে। পুলিশ যেমন ধৈর্যের পরিচয় দেয়নি, বিরোধী দলের পক্ষ থেকেও উসকানি ছিল। এই পরিস্থিতিতে সরকারপক্ষকেই সংযত আচরণ করতে হয়। লাশের রাজনীতি কোনো রাজনীতি নয়। কিন্তু উত্তপ্ত সময়ে অবিবেচকের মতো গুলি চালালে তার বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য বিরোধীদলীয় সমর্থক হতে হয় না, যেকোনো সুস্থ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষই বলবে, এটা ঠিক হয়নি।
সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে দুই পক্ষেরই উচিত অতি দ্রুত একটি সংলাপে বসা। দেশের ভবিষ্যৎ যেন অনিশ্চিত হয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করা।
দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করেছে বিএনপি। তাতে জনসমাগম হয়েছে। পরিবহন বন্ধসহ, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সমাবেশ ব্যাহত করার যে চেষ্টা হয়েছে, তাতে কোনো কাজ হয়নি; বরং এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে সরকার বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে পারত। সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুণ্ন না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য যে প্রশ্নগুলো ইদানীং উঠছে, তার সমাধান করেই বিরোধী দলের রাজনীতির জবাব দিতে পারত সরকার। ব্যাংক থেকে হাজার কোটি টাকা লোপাট করছে যারা, রাজনীতির মাঠে পেশিশক্তির ব্যবহার করছে যারা, লুটপাট করছে যারা, ক্যাসিনো খুলে বসছে যারা, বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে জনগণের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে যারা, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলে সরকারের প্রতি সমর্থন বাড়তে পারত। রেমিট্যান্স প্রবাহ নিশ্চিত করার কার্যকরী ব্যবস্থা নিয়ে এবং রপ্তানি আয় বাড়ানোর পথ খুঁজে বের করে রিজার্ভ ঘাটতি দূর করার চেষ্টা করলে সরকার বাহবা পেত। এসব না ভেবে বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে সংঘাতের পথটাকেই এ মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ পথ বলে মনে করা হলে সরকার ভুল করবে। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের আটক করার মাধ্যমে সরকার কী সংকেত দিতে চায়?
বিরোধী রাজনীতির মধ্যেও উসকানিমূলক আচরণ দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ সরকারবিরোধী যে উগ্র প্রচারণা চালাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, তা মোটেই সুবিবেচিত নয়। কোনো পক্ষ থেকেই কোনো ধরনের হঠকারিতা কাম্য নয়।
রাজনীতির লক্ষ্য যদি জনগণের সেবা করা হয়, তাহলে সরকার ও বিরোধী দল—উভয় পক্ষকেই ধৈর্য ধরতে হবে। জনগণের ভাষা বুঝতে হবে। এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি করা ঠিক হবে না, যা জনসাধারণের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে।
জনতার জয় হোক—এই যেন হয় রাজনীতির লক্ষ্য।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫