জাহীদ রেজা নূর

২ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় কী পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনের সাহায্যার্থে সামরিক বাহিনী তলব করা হয়েছিল, সে সম্পর্কে তদন্তের জন্য ‘খ’ অঞ্চলের সামরিক আইন প্রশাসক পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এহেন তদন্ত কমিশন আমরা চাই নাই। আমরা চেয়েছিলাম সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রকাশ্য তদন্ত। আমি দুঃখিত, যে তদন্ত কমিশনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আমার উত্থাপিত দাবির পরিপূরক নয়। একটি সামরিক নির্দেশবলে এই কমিশন গঠন এবং সামরিক কর্তৃপক্ষের কাছে তার রিপোর্ট দাখিলের বিধান অত্যন্ত আপত্তিকর।’
বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু আরও বলেন, ‘জনগণের পক্ষ থেকে আমরা গত ৭ মার্চ ৪ দফা দাবি তুলেছি। তার একটি দাবি ছিল যথাযথ বিবেচ্য সূচিসহ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রকাশ্য তদন্ত অনুষ্ঠানের। সেই দাবিগুলির নামমাত্র বা খণ্ডিত স্বীকৃতে উল্লিখিত পদ্ধতিতে আমাদের সামনে বিরাজমান গভীর সংকট সমাধানে কিছুমাত্র সহায়ক হবে না।’
আওয়ামী পার্লামেন্টারি পার্টির ডেপুটি লিডার এবং পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে আমাদের উপর্যুপরি প্রতিবাদ সত্ত্বেও সেনাবাহিনীর দায়িত্বজ্ঞানহীন কার্যকলাপ বর্ধিত পরিমাণে অব্যাহত রয়েছে। …বারবার আমরা এই সব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছি কিন্তু তারপরও ক্যান্টনমেন্ট এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় এই ধরনের উসকানিমূলক তৎপরতা অব্যাহত আছে। আমরা পরিষ্কারভাবে এ কথা জানিয়ে দিতে চাই যে কোনো রকম উসকানিমূলক আচরণ তা যেকোনো মহলেরই হোক না কেন, তা সহ্য করা হবে না এবং উসকানিদানকারীদেরকেই এর ফলাফলের দায়িত্ব সম্পূর্ণ বহন করতে হবে।’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির বাড়িতে মুক্তিকামী জনতার মিছিলের পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘বিদেশি বন্ধুরা দেখুন, আমার দেশের মানুষ আজ প্রতীক্ষায় কী অটল, সংগ্রাম আর ত্যাগের মন্ত্রে উজ্জীবিত। কার সাধ্য এদের রোখে? আমার দেশ আজ জেগেছে। জনগণ জেগেছে। জীবন দিতে শিখেছে। স্বাধীনতার জন্য জীবনদানের অগ্নিশপথের দীপ্ত জাগ্রত জনতার এ জীবন জোয়ারকে, প্রচণ্ড গণবিস্ফোরণকে স্তব্ধ করতে পারে এমন শক্তি মেশিনগানেরও আজ আর নেই।’
বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘জনগণের সার্বিক মুক্তি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে।’
গ্রন্থনা: জাহীদ রেজা নূর

২ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় কী পরিস্থিতিতে বেসামরিক প্রশাসনের সাহায্যার্থে সামরিক বাহিনী তলব করা হয়েছিল, সে সম্পর্কে তদন্তের জন্য ‘খ’ অঞ্চলের সামরিক আইন প্রশাসক পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এহেন তদন্ত কমিশন আমরা চাই নাই। আমরা চেয়েছিলাম সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রকাশ্য তদন্ত। আমি দুঃখিত, যে তদন্ত কমিশনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে, তা বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আমার উত্থাপিত দাবির পরিপূরক নয়। একটি সামরিক নির্দেশবলে এই কমিশন গঠন এবং সামরিক কর্তৃপক্ষের কাছে তার রিপোর্ট দাখিলের বিধান অত্যন্ত আপত্তিকর।’
বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু আরও বলেন, ‘জনগণের পক্ষ থেকে আমরা গত ৭ মার্চ ৪ দফা দাবি তুলেছি। তার একটি দাবি ছিল যথাযথ বিবেচ্য সূচিসহ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রকাশ্য তদন্ত অনুষ্ঠানের। সেই দাবিগুলির নামমাত্র বা খণ্ডিত স্বীকৃতে উল্লিখিত পদ্ধতিতে আমাদের সামনে বিরাজমান গভীর সংকট সমাধানে কিছুমাত্র সহায়ক হবে না।’
আওয়ামী পার্লামেন্টারি পার্টির ডেপুটি লিডার এবং পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে আমাদের উপর্যুপরি প্রতিবাদ সত্ত্বেও সেনাবাহিনীর দায়িত্বজ্ঞানহীন কার্যকলাপ বর্ধিত পরিমাণে অব্যাহত রয়েছে। …বারবার আমরা এই সব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছি কিন্তু তারপরও ক্যান্টনমেন্ট এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় এই ধরনের উসকানিমূলক তৎপরতা অব্যাহত আছে। আমরা পরিষ্কারভাবে এ কথা জানিয়ে দিতে চাই যে কোনো রকম উসকানিমূলক আচরণ তা যেকোনো মহলেরই হোক না কেন, তা সহ্য করা হবে না এবং উসকানিদানকারীদেরকেই এর ফলাফলের দায়িত্ব সম্পূর্ণ বহন করতে হবে।’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির বাড়িতে মুক্তিকামী জনতার মিছিলের পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘বিদেশি বন্ধুরা দেখুন, আমার দেশের মানুষ আজ প্রতীক্ষায় কী অটল, সংগ্রাম আর ত্যাগের মন্ত্রে উজ্জীবিত। কার সাধ্য এদের রোখে? আমার দেশ আজ জেগেছে। জনগণ জেগেছে। জীবন দিতে শিখেছে। স্বাধীনতার জন্য জীবনদানের অগ্নিশপথের দীপ্ত জাগ্রত জনতার এ জীবন জোয়ারকে, প্রচণ্ড গণবিস্ফোরণকে স্তব্ধ করতে পারে এমন শক্তি মেশিনগানেরও আজ আর নেই।’
বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘জনগণের সার্বিক মুক্তি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলবে।’
গ্রন্থনা: জাহীদ রেজা নূর

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫