সম্পাদকীয়

আগামী জাতীয় নির্বাচনে কতটি আসনে ইভিএম বা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোট গ্রহণ করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অবশ্য সব আসনে নয়, নির্বাচন কমিশন ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। বলা হয়েছিল, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্প অনুমোদন না পেলে ইভিএম কেনা কঠিন হয়ে যাবে। এতে আগামী নির্বাচনে ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহার করা যাবে না।
ইভিএম কেনার প্রকল্পটি ১৭ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) তোলেনি পরিকল্পনা কমিশন। ফলে প্রকল্পটির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তও হয়নি। তাই প্রশ্ন আসছে, তাহলে কি আগামী নির্বাচনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে নির্বাচন কমিশন?
বুধবার আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, আগামী নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি সরকার। নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার আদৌ হবে কি না, সেটাও চূড়ান্ত হয়নি। অনেকে মনে করছেন, ইভিএমের ব্যাপারে পশ্চিমাদের মনোভাব বিবেচনা করার পরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কারণ, এর মধ্যে ইভিএম নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা শুরু হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, ইভিএমকে সরকার কারচুপির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। নাগরিক সমাজও ইভিএম প্রশ্নে একমত নয়।
প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, গত বছরের অক্টোবরে পরিকল্পনা কমিশনে ৮ হাজার ৭১১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ইভিএম প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠায় নির্বাচন কমিশন। এতে ২ লাখ সেট ইভিএম কেনার কথা বলা হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের আগে অবশ্যই প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা করতে হয়। যেখানে প্রকল্পের ওপর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। কিন্তু ইভিএম প্রকল্পে এখনো পিইসির সভাই হয়নি। পিইসি পরবর্তী ধাপ পার হতেও মাসখানেক সময় লাগতে পারে। এরই মধ্যে প্রকল্পের ওপর পর্যবেক্ষণসহ সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে সায় পাওয়ার ওপর নির্ভর করছে ইভিএম প্রকল্পের ভাগ্য।
মঙ্গলবার একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইভিএমের প্রকল্পটি একনেক সভার আজকের কার্যতালিকায় ছিল না। প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে কোনো কিছু জানতে চাননি। আমরা নিজেরাও এ বিষয়ে কিছু জানাবার প্রয়োজন মনে করিনি।’
পরিকল্পনামন্ত্রীর কথা থেকে এটা স্পষ্ট যে ইভিএম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীরও তেমন আগ্রহ নেই।
দেশের অর্থনৈতিক সংকট বিবেচনায় নিয়ে এখন প্রকল্প অনুমোদনের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে সরকার। এই পরিস্থিতিতে ইভিএম নিয়ে তাড়াহুড়ো করা অর্থহীন। দেশে অংশগ্রহণমূলক এবং সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইভিএম যেহেতু কোনো ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে না, সেহেতু বিপুল অঙ্কের টাকা ব্যয় করে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রসর না হওয়াই ভালো।
বিরোধীদের হাতে সমালোচনার একটি হাতিয়ার তুলে না দিয়ে আগামী নির্বাচনেও ব্যালট পেপারে ভোট নেওয়ার ঘোষণাই দেওয়া হোক।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে কতটি আসনে ইভিএম বা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোট গ্রহণ করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অবশ্য সব আসনে নয়, নির্বাচন কমিশন ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। বলা হয়েছিল, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্প অনুমোদন না পেলে ইভিএম কেনা কঠিন হয়ে যাবে। এতে আগামী নির্বাচনে ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহার করা যাবে না।
ইভিএম কেনার প্রকল্পটি ১৭ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) তোলেনি পরিকল্পনা কমিশন। ফলে প্রকল্পটির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তও হয়নি। তাই প্রশ্ন আসছে, তাহলে কি আগামী নির্বাচনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে নির্বাচন কমিশন?
বুধবার আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, আগামী নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি সরকার। নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার আদৌ হবে কি না, সেটাও চূড়ান্ত হয়নি। অনেকে মনে করছেন, ইভিএমের ব্যাপারে পশ্চিমাদের মনোভাব বিবেচনা করার পরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কারণ, এর মধ্যে ইভিএম নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা শুরু হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, ইভিএমকে সরকার কারচুপির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। নাগরিক সমাজও ইভিএম প্রশ্নে একমত নয়।
প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, গত বছরের অক্টোবরে পরিকল্পনা কমিশনে ৮ হাজার ৭১১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ইভিএম প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠায় নির্বাচন কমিশন। এতে ২ লাখ সেট ইভিএম কেনার কথা বলা হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের আগে অবশ্যই প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা করতে হয়। যেখানে প্রকল্পের ওপর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। কিন্তু ইভিএম প্রকল্পে এখনো পিইসির সভাই হয়নি। পিইসি পরবর্তী ধাপ পার হতেও মাসখানেক সময় লাগতে পারে। এরই মধ্যে প্রকল্পের ওপর পর্যবেক্ষণসহ সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে সায় পাওয়ার ওপর নির্ভর করছে ইভিএম প্রকল্পের ভাগ্য।
মঙ্গলবার একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইভিএমের প্রকল্পটি একনেক সভার আজকের কার্যতালিকায় ছিল না। প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে কোনো কিছু জানতে চাননি। আমরা নিজেরাও এ বিষয়ে কিছু জানাবার প্রয়োজন মনে করিনি।’
পরিকল্পনামন্ত্রীর কথা থেকে এটা স্পষ্ট যে ইভিএম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীরও তেমন আগ্রহ নেই।
দেশের অর্থনৈতিক সংকট বিবেচনায় নিয়ে এখন প্রকল্প অনুমোদনের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে সরকার। এই পরিস্থিতিতে ইভিএম নিয়ে তাড়াহুড়ো করা অর্থহীন। দেশে অংশগ্রহণমূলক এবং সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইভিএম যেহেতু কোনো ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে না, সেহেতু বিপুল অঙ্কের টাকা ব্যয় করে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রসর না হওয়াই ভালো।
বিরোধীদের হাতে সমালোচনার একটি হাতিয়ার তুলে না দিয়ে আগামী নির্বাচনেও ব্যালট পেপারে ভোট নেওয়ার ঘোষণাই দেওয়া হোক।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫