সম্পাদকীয়

মানুষ কতটা পাষণ্ড বা হৃদয়হীন হয়ে উঠছে, তার একটি ছোট্ট উদাহরণ হতে পারে রোববার আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত ‘কিশোরের পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে নির্যাতন’ শিরোনামের খবরটি। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার একটি গ্রামে। নিষ্ঠুর নির্যাতনে গুরুতর আহত সজীব মোল্লা নামের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া কিশোর শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখন চিকিৎসা নিচ্ছে। তার আঘাত খুব গুরুতর না হলেও সুস্থ হয়ে উঠতে সময় লাগবে। তবে কেন এমন নির্যাতনের শিকার হতে হলো এই কিশোরকে? খবরটি পড়ে নেওয়া যাক: মাগুরার শালিখায় বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়েছে এক কিশোর। শুক্রবার উপজেলার ছান্দড়া গ্রামে সজীব মোল্লা (১২) নামের ওই কিশোরকে চুরির অপবাদে পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে নির্যাতন করেন স্থানীয় পোলট্রি ও মুদি ব্যবসায়ী হাসান আলী। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাসানকে ১৫১ ধারায় আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
সজীব ছান্দড়া গ্রামের কোহিনুর মোল্লার ছেলে। সে স্থানীয় ছান্দড়া প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সজীবের চাচা জয়নুল জানান, সজীব শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করতে ছান্দড়া চৌরাস্তা জামে মসজিদে যায়। এ সময় স্থানীয় মুদিদোকানদার হাসান তাকে দোকানে আটকে রেখে চোর অপবাদ দিয়ে নির্যাতন চালান। এরপর তাঁরা তাকে একটি ঘরের মধ্যে নিয়ে পায়ে পেরেক পুঁতে দেন। হাতুড়ি দিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় করেন নির্যাতন। পরে শালিখা থানা-পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সজীবের পায়ে ও শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক।
সজীবের বাবা কোহিনুর মোল্লা নির্যাতনের যে বিবরণ দিয়েছেন, তা এককথায় ভয়াবহ। সজীবকে প্রথমে রশি দিয়ে বেঁধে ঘরে নিয়ে যায়।তারপর পায়ের মধ্যে পেরেক ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। একটি বাচ্চা ছেলের ওপর এভাবে নির্যাতন করা যে অন্যায় এবং এটা যে দেশে প্রচলিত আইনের চোখে অপরাধ, সেটা কি নির্যাতনকারী ব্যক্তির জানা ছিল না? সজীব যে চুরি করেছে, সেটা কিন্তু প্রমাণিত নয়। অভিযোগমাত্র।
চুরির ঘটনা হয়তো মিথ্যা নয়। কিন্তু চোরকে তো হাতেনাতে ধরা যায়নি। ১২ বছরের এক কিশোর চুরি করতে পারে না, সেটাও হয়তো ঠিক নয়। কিন্তু শুধু সন্দেহের বশে একজনকে ধরে সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক নয়।
আমাদের দেশে আইন না মানার কিংবা আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখানোর একটি প্রবণতা কারও কারও মধ্যে প্রবল হয়ে উঠছে। বড় অপরাধ করেও অনেকেই ছাড় পাচ্ছেন। ছোটখাটো অপরাধ করেও আবার কারও-বা নিষ্কৃতি মিলছে না। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখা দরকার। সজীব মোল্লার ওপর অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় আটক ব্যক্তিকে কি এটা বুঝিয়ে দেওয়া হবে যে তিনি অপরাধ করেছেন?

মানুষ কতটা পাষণ্ড বা হৃদয়হীন হয়ে উঠছে, তার একটি ছোট্ট উদাহরণ হতে পারে রোববার আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত ‘কিশোরের পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে নির্যাতন’ শিরোনামের খবরটি। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার একটি গ্রামে। নিষ্ঠুর নির্যাতনে গুরুতর আহত সজীব মোল্লা নামের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া কিশোর শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখন চিকিৎসা নিচ্ছে। তার আঘাত খুব গুরুতর না হলেও সুস্থ হয়ে উঠতে সময় লাগবে। তবে কেন এমন নির্যাতনের শিকার হতে হলো এই কিশোরকে? খবরটি পড়ে নেওয়া যাক: মাগুরার শালিখায় বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়েছে এক কিশোর। শুক্রবার উপজেলার ছান্দড়া গ্রামে সজীব মোল্লা (১২) নামের ওই কিশোরকে চুরির অপবাদে পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে নির্যাতন করেন স্থানীয় পোলট্রি ও মুদি ব্যবসায়ী হাসান আলী। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাসানকে ১৫১ ধারায় আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
সজীব ছান্দড়া গ্রামের কোহিনুর মোল্লার ছেলে। সে স্থানীয় ছান্দড়া প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সজীবের চাচা জয়নুল জানান, সজীব শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করতে ছান্দড়া চৌরাস্তা জামে মসজিদে যায়। এ সময় স্থানীয় মুদিদোকানদার হাসান তাকে দোকানে আটকে রেখে চোর অপবাদ দিয়ে নির্যাতন চালান। এরপর তাঁরা তাকে একটি ঘরের মধ্যে নিয়ে পায়ে পেরেক পুঁতে দেন। হাতুড়ি দিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় করেন নির্যাতন। পরে শালিখা থানা-পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সজীবের পায়ে ও শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক।
সজীবের বাবা কোহিনুর মোল্লা নির্যাতনের যে বিবরণ দিয়েছেন, তা এককথায় ভয়াবহ। সজীবকে প্রথমে রশি দিয়ে বেঁধে ঘরে নিয়ে যায়।তারপর পায়ের মধ্যে পেরেক ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। একটি বাচ্চা ছেলের ওপর এভাবে নির্যাতন করা যে অন্যায় এবং এটা যে দেশে প্রচলিত আইনের চোখে অপরাধ, সেটা কি নির্যাতনকারী ব্যক্তির জানা ছিল না? সজীব যে চুরি করেছে, সেটা কিন্তু প্রমাণিত নয়। অভিযোগমাত্র।
চুরির ঘটনা হয়তো মিথ্যা নয়। কিন্তু চোরকে তো হাতেনাতে ধরা যায়নি। ১২ বছরের এক কিশোর চুরি করতে পারে না, সেটাও হয়তো ঠিক নয়। কিন্তু শুধু সন্দেহের বশে একজনকে ধরে সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি স্বাভাবিক নয়।
আমাদের দেশে আইন না মানার কিংবা আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখানোর একটি প্রবণতা কারও কারও মধ্যে প্রবল হয়ে উঠছে। বড় অপরাধ করেও অনেকেই ছাড় পাচ্ছেন। ছোটখাটো অপরাধ করেও আবার কারও-বা নিষ্কৃতি মিলছে না। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই দেখা দরকার। সজীব মোল্লার ওপর অমানবিক নির্যাতনের ঘটনায় আটক ব্যক্তিকে কি এটা বুঝিয়ে দেওয়া হবে যে তিনি অপরাধ করেছেন?

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫