নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শিগগিরই রিজার্ভে সুখবর আসছে না। মাত্র ১৩ মাসের ব্যবধানে ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উঠে যাওয়া রিজার্ভ কমতে কমতে ৩৬ বিলিয়ন ডলারে এসে ঠেকলেও দ্রুতই তা বেড়ে আগের জায়গায় উঠবে—এমন কোনো লক্ষণ নেই। বরং উচ্চ চাহিদার কারণে প্রতিদিনই ডলার খরচ অব্যাহত রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলারে বিক্রি চলমান রেখেছে। সেই ডলার দিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যাংকগুলো জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি বিল পরিশোধ করছে। আর রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়েছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্সের মূল্য কমায় প্রবাসী আয়ও কমেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে রিজার্ভের সুখবর অধরাই থেকে যাবে। কারণ মাত্র ১৩ মাসের ব্যবধানে ৪৮ দশমিক ৬ বিলিয়নের রেকর্ড রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়নের নিচে নেমেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর রেমিট্যান্স এসেছে ৫৬৭ কোটি ৪২ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে অর্থবছরের জুলাই মাসে ২০৯ কোটি ৬৯ লাখ ডলার, আগস্টে কমে হয়েছে ২০৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার এবং সেপ্টেম্বরে এসে তা দাঁড়িয়েছে ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতি, প্রবাসী আয় হ্রাস এবং বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহত ডলার বিক্রির ফলে রিজার্ভ আরও কমবে। আর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে রিজার্ভের পরিমাণ বৃদ্ধি না পেয়ে বরং কমেছে। হুন্ডি বন্ধ করতে হবে।’
ব্যাংক সূত্র জানায়, গত সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স আয়ে ৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করছে। এতে রিজার্ভে নতুন করে ধাক্কা লেগেছে। বর্তমানে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমেছে রিজার্ভ। আর সেখান থেকে প্রায় সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার আপদকালীন সময়ে ব্যবহারযোগ্য নয়। সবমিলে প্রকৃত রিজার্ভ ২৯ বিলিয়নের ঘরে অবস্থান করছে।
হুন্ডিতে প্রবাসী আয় পাঠান এমন কয়েকজনের স্বজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বিদেশে অবস্থিত এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোয় রেমিট্যান্সে মূল্য ঠিক করে দেয় বৈদেশিক মুদ্রায় নিয়োজিত ব্যাংকগুলো, যা আগের ক্রয়মূল্য থেকে কম। এতে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে আগ্রহ কমেছে প্রবাসীদের। ব্যাংকিং চ্যানেলের পরিবর্তে হুন্ডিতে নিজেদের আয় দেশে পাঠালে প্রতি ডলারে ৫ থেকে ৭ টাকা বেশি পাওয়া যায়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে রপ্তানি হয়েছে ৮১৩ কোটি ডলার। একই সময়ে আমদানি হয়েছে ১ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪৫৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট ঘাটতি ছিল ৪২৮ কোটি ডলার। আর ২০২১-২২ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) দেশে বাণিজ্য ঘাটতি ৩ হাজার ৩২৫ কোটি ডলার, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ। তার আগে ২০২০-২১ অর্থবছরের এ বাণিজ্য ঘাটতির অঙ্ক ছিল ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ডলার।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক গত বুধবার পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের প্রায় ৪০০ কোটি ডলার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে বাজার থেকে ৩৮ হাজার কোটি টাকার মতো উঠে এসেছে। গত অর্থবছর ৭৬২ কোটি ১৭ লাখ ডলার বিক্রি করা হয়েছে।

শিগগিরই রিজার্ভে সুখবর আসছে না। মাত্র ১৩ মাসের ব্যবধানে ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উঠে যাওয়া রিজার্ভ কমতে কমতে ৩৬ বিলিয়ন ডলারে এসে ঠেকলেও দ্রুতই তা বেড়ে আগের জায়গায় উঠবে—এমন কোনো লক্ষণ নেই। বরং উচ্চ চাহিদার কারণে প্রতিদিনই ডলার খরচ অব্যাহত রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলারে বিক্রি চলমান রেখেছে। সেই ডলার দিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যাংকগুলো জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি বিল পরিশোধ করছে। আর রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়েছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্সের মূল্য কমায় প্রবাসী আয়ও কমেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে রিজার্ভের সুখবর অধরাই থেকে যাবে। কারণ মাত্র ১৩ মাসের ব্যবধানে ৪৮ দশমিক ৬ বিলিয়নের রেকর্ড রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়নের নিচে নেমেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর রেমিট্যান্স এসেছে ৫৬৭ কোটি ৪২ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে অর্থবছরের জুলাই মাসে ২০৯ কোটি ৬৯ লাখ ডলার, আগস্টে কমে হয়েছে ২০৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার এবং সেপ্টেম্বরে এসে তা দাঁড়িয়েছে ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতি, প্রবাসী আয় হ্রাস এবং বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহত ডলার বিক্রির ফলে রিজার্ভ আরও কমবে। আর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে রিজার্ভের পরিমাণ বৃদ্ধি না পেয়ে বরং কমেছে। হুন্ডি বন্ধ করতে হবে।’
ব্যাংক সূত্র জানায়, গত সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স আয়ে ৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করছে। এতে রিজার্ভে নতুন করে ধাক্কা লেগেছে। বর্তমানে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমেছে রিজার্ভ। আর সেখান থেকে প্রায় সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার আপদকালীন সময়ে ব্যবহারযোগ্য নয়। সবমিলে প্রকৃত রিজার্ভ ২৯ বিলিয়নের ঘরে অবস্থান করছে।
হুন্ডিতে প্রবাসী আয় পাঠান এমন কয়েকজনের স্বজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বিদেশে অবস্থিত এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোয় রেমিট্যান্সে মূল্য ঠিক করে দেয় বৈদেশিক মুদ্রায় নিয়োজিত ব্যাংকগুলো, যা আগের ক্রয়মূল্য থেকে কম। এতে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে আগ্রহ কমেছে প্রবাসীদের। ব্যাংকিং চ্যানেলের পরিবর্তে হুন্ডিতে নিজেদের আয় দেশে পাঠালে প্রতি ডলারে ৫ থেকে ৭ টাকা বেশি পাওয়া যায়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে রপ্তানি হয়েছে ৮১৩ কোটি ডলার। একই সময়ে আমদানি হয়েছে ১ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪৫৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট ঘাটতি ছিল ৪২৮ কোটি ডলার। আর ২০২১-২২ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) দেশে বাণিজ্য ঘাটতি ৩ হাজার ৩২৫ কোটি ডলার, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ। তার আগে ২০২০-২১ অর্থবছরের এ বাণিজ্য ঘাটতির অঙ্ক ছিল ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ডলার।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক গত বুধবার পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের প্রায় ৪০০ কোটি ডলার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে বাজার থেকে ৩৮ হাজার কোটি টাকার মতো উঠে এসেছে। গত অর্থবছর ৭৬২ কোটি ১৭ লাখ ডলার বিক্রি করা হয়েছে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫