রেজা করিম, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির এক দফার আন্দোলন বড় ধাক্কা খেয়েছে। তৃণমূলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও হতাশ। তাঁদের চাঙা করার মতো কর্মসূচিও নেই। দলীয় সূত্র বলছে, মহাসচিবসহ বিপুলসংখ্যক নেতা কারাগারে থাকায় নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণে বড় কোনো কর্মসূচি দেবে না দল। আপাতত বিক্ষোভ-সমাবেশের মতো কর্মসূচি চলবে।
অবশ্য বিএনপির নীতিনির্ধারকদের দাবি, দলে নেতৃত্বের দুর্বলতা নেই, দল আন্দোলনেই আছে। দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান গতকাল রোববার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা সময়ক্ষেপণ করছি না। আমাদের লাইনেই চিন্তা করছি। আমাদের ভাবনা অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছি।’
বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বলছেন, এক দফার আন্দোলন এখন পর্যন্ত ব্যর্থতার বেশ কয়েকটি কারণের অন্যতম বিএনপির নেতৃত্বের দুর্বলতা। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সামনের সারির বেশ কয়েকজন নেতাসহ কারাবন্দী রয়েছেন বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী। মহাসচিবের অনুপস্থিতিতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর হতাশ নেতা-কর্মীরাও কর্মসূচি পালনে আগের মতো আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এ অবস্থায় জুতসই কৌশল নির্ধারণে হুটহাট সিদ্ধান্ত নিতে চান না নীতিনির্ধারকেরা। অতীতের ভুলক্রটিসহ নানা বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে চান তাঁরা। সবকিছু গোছাতে একটু সময় লাগতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা বলেন, মহাসচিব মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত জোরালো কোনো কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তা নেই। আপাতত ছোট পরিসরে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মানববন্ধনের মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির চিন্তা করা হচ্ছে, যা আগামী সপ্তাহেই আসতে পারে। রমজান মাস সামনে রেখেও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তা আছে। এর মধ্যে কিছু কর্মসূচি যুগপৎভাবেও পালিত হবে।
তবে সেলিমা রহমান বলেন, ‘নেতৃত্বের দুর্বলতা কোথায়? প্রশ্নটা হচ্ছে, এটা কারা বলছে?’ তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে কর্মসূচি কেমন হবে, কীভাবে হবে, তা নিয়ে আমাদের আলোচনা চলছে। আমাদের আন্দোলন চলমান, আমাদের কাজ চলছে।’
বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, আন্দোলনে সাংগঠনিক দুর্বলতাও ধরা পড়েছে। তাই বড় কর্মসূচিতে যাওয়ার আগে সাংগঠনিক দুর্বলতাও কাটিয়ে ওঠায় নজর দেওয়া হয়েছে। ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের মূল্যায়ন করে সংগঠন পুনর্গঠনের উদ্যোগ শিগগির নেওয়া হবে। পলায়নপর ও নিষ্ক্রিয়দের বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আন্দোলন জমাতে হলে নেতা-কর্মী দরকার। কিন্তু বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী কারাগারে।
বিএনপির সাংগঠনিক (কুমিল্লা) সম্পাদক মোস্তাক মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাজনীতি করলে ভালো-মন্দ নিয়েই চলতে হবে। আন্দোলনেও উত্থান-পতন থাকবে। তবে আমরা আমাদের পথেই আছি। পরিস্থিতির আলোকে ইতিমধ্যে কৌশলে ভিন্নতা এসেছে। আগামীতে কৌশল বদল হতে পারে।’
বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, জনগণের ইস্যু নিয়ে এক দফা দাবিতে দল আন্দোলনের মধ্যেই আছে। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে।
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গেও আলোচনা শুরু করেছে বিএনপি। তবে কর্মসূচি নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। শরিক দলগুলোর নেতারা বলছেন, যুগপৎ আন্দোলন পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলছে। কর্মসূচি গ্রহণসহ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব কে দেবেন, সেটিও আসছে আলোচনায়। মিত্র দলগুলো বিএনপির কাছে এ ব্যাপারে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরছে।
আন্দোলনের শরিক গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখনই কোনো বড় কর্মসূচিতে আমরা যাব না। আপাতত বিক্ষোভ-সমাবেশের মতো কর্মসূচি দেওয়া হবে। এরপর ধাপে ধাপে পরিস্থিতি অনুযায়ী হরতাল-অবরোধও আসতে পারে।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির এক দফার আন্দোলন বড় ধাক্কা খেয়েছে। তৃণমূলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও হতাশ। তাঁদের চাঙা করার মতো কর্মসূচিও নেই। দলীয় সূত্র বলছে, মহাসচিবসহ বিপুলসংখ্যক নেতা কারাগারে থাকায় নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণে বড় কোনো কর্মসূচি দেবে না দল। আপাতত বিক্ষোভ-সমাবেশের মতো কর্মসূচি চলবে।
অবশ্য বিএনপির নীতিনির্ধারকদের দাবি, দলে নেতৃত্বের দুর্বলতা নেই, দল আন্দোলনেই আছে। দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান গতকাল রোববার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা সময়ক্ষেপণ করছি না। আমাদের লাইনেই চিন্তা করছি। আমাদের ভাবনা অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছি।’
বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বলছেন, এক দফার আন্দোলন এখন পর্যন্ত ব্যর্থতার বেশ কয়েকটি কারণের অন্যতম বিএনপির নেতৃত্বের দুর্বলতা। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সামনের সারির বেশ কয়েকজন নেতাসহ কারাবন্দী রয়েছেন বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী। মহাসচিবের অনুপস্থিতিতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর হতাশ নেতা-কর্মীরাও কর্মসূচি পালনে আগের মতো আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এ অবস্থায় জুতসই কৌশল নির্ধারণে হুটহাট সিদ্ধান্ত নিতে চান না নীতিনির্ধারকেরা। অতীতের ভুলক্রটিসহ নানা বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে চান তাঁরা। সবকিছু গোছাতে একটু সময় লাগতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা বলেন, মহাসচিব মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত জোরালো কোনো কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তা নেই। আপাতত ছোট পরিসরে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মানববন্ধনের মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির চিন্তা করা হচ্ছে, যা আগামী সপ্তাহেই আসতে পারে। রমজান মাস সামনে রেখেও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তা আছে। এর মধ্যে কিছু কর্মসূচি যুগপৎভাবেও পালিত হবে।
তবে সেলিমা রহমান বলেন, ‘নেতৃত্বের দুর্বলতা কোথায়? প্রশ্নটা হচ্ছে, এটা কারা বলছে?’ তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে কর্মসূচি কেমন হবে, কীভাবে হবে, তা নিয়ে আমাদের আলোচনা চলছে। আমাদের আন্দোলন চলমান, আমাদের কাজ চলছে।’
বিএনপির একাধিক সূত্র বলছে, আন্দোলনে সাংগঠনিক দুর্বলতাও ধরা পড়েছে। তাই বড় কর্মসূচিতে যাওয়ার আগে সাংগঠনিক দুর্বলতাও কাটিয়ে ওঠায় নজর দেওয়া হয়েছে। ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের মূল্যায়ন করে সংগঠন পুনর্গঠনের উদ্যোগ শিগগির নেওয়া হবে। পলায়নপর ও নিষ্ক্রিয়দের বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আন্দোলন জমাতে হলে নেতা-কর্মী দরকার। কিন্তু বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী কারাগারে।
বিএনপির সাংগঠনিক (কুমিল্লা) সম্পাদক মোস্তাক মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাজনীতি করলে ভালো-মন্দ নিয়েই চলতে হবে। আন্দোলনেও উত্থান-পতন থাকবে। তবে আমরা আমাদের পথেই আছি। পরিস্থিতির আলোকে ইতিমধ্যে কৌশলে ভিন্নতা এসেছে। আগামীতে কৌশল বদল হতে পারে।’
বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, জনগণের ইস্যু নিয়ে এক দফা দাবিতে দল আন্দোলনের মধ্যেই আছে। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে।
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গেও আলোচনা শুরু করেছে বিএনপি। তবে কর্মসূচি নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। শরিক দলগুলোর নেতারা বলছেন, যুগপৎ আন্দোলন পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলছে। কর্মসূচি গ্রহণসহ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব কে দেবেন, সেটিও আসছে আলোচনায়। মিত্র দলগুলো বিএনপির কাছে এ ব্যাপারে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরছে।
আন্দোলনের শরিক গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখনই কোনো বড় কর্মসূচিতে আমরা যাব না। আপাতত বিক্ষোভ-সমাবেশের মতো কর্মসূচি দেওয়া হবে। এরপর ধাপে ধাপে পরিস্থিতি অনুযায়ী হরতাল-অবরোধও আসতে পারে।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫