Ajker Patrika

ঢাকায় বায়ুদূষণ কমলেও বারিধারার বাসিন্দাদের সতর্কতা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১১: ৫৬
ঢাকায় বায়ুদূষণ কমলেও বারিধারার বাসিন্দাদের সতর্কতা
ছবি: সংগৃহীত

সাধারণত বৃষ্টি হলে ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কম থাকে। আজ রোববার (৯ আগস্ট) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারে দেখা যায়, ঢাকার বাতাসে দূষণ সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে বারিধারা এলাকার বাতাস শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সংস্থাটির সকাল ৮টা থেকে ৯টা সময়সীমার রেকর্ডে দেখা যায়, বিশ্বে সর্বোচ্চ দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে আছে উগান্ডার কাম্পালা। শহরটির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ১৯৩, যা সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক। আর ঢাকা আছে ১৬তম স্থানে। আজকে ঢাকার একিউআই স্কোর ৮৬, যা সহনীয় বাতাসের নির্দেশক।

রিয়েল-টাইম একিউআই স্টেশন র‍্যাংকিংয়ে দেখা যায়, ঢাকার কিছু জায়গায় দূষণের মাত্রা সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় আছে। এর মধ্যে বারিধারার পার্ক রোড এলাকার বাতাস সবচেয়ে দূষিত অবস্থায় আছে। এলাকাটির আইকিউএয়ার স্কোর ১৪৪, যা সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক।

র‍্যাংকিং তালিকায় আরও যেসব এলাকা রয়েছে—গুলশান লেক পার্ক, বারিধারা লেকসাইড, পুরান ঢাকার বেচারাম দেউড়ি, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস), ধানমন্ডি, গুলশানের বেজ এজওয়াটার আউটডোর, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, গুলশান-২ এর রব ভবন ও গোড়ান।

আইকিউএয়ারের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে থাকা বিশ্বের অন্য শহরগুলো হলো ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা (১৬৩, সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর), কাতারের দোহা (১৫৭, সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর), বাহরাইনের মানামা (১৫৬, সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর) ও মালয়েশিয়ার কুচিং (১৫৫, সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর)।

বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।

বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।

বাতাসের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে করণীয়

অত্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠী: শিশু, বয়স্ক, হৃদ্‌রোগ বা শ্বাসকষ্টের রোগীরা সব ধরনের ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।

সাধারণ সুস্থ ব্যক্তি: তাদের উচিত বাইরে কাটানো সময় সীমিত করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলা।

যদি বাইরে বের হতে হয়, তবে অবশ্যই দূষণ রোধে কার্যকর মাস্ক ব্যবহার করুন।

ঘরের ভেতরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন এবং দূষিত বাতাস প্রবেশ ঠেকাতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত