আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ঢাকার বাতাস বেশ কিছুদিন ধরেই সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আজ শুক্রবারও সহনীয় পর্যায়ে আছে রাজধানী শহরের বাতাস। আজ বায়ুদূষণ ও বাতাসের গুণমান সূচক নিয়ে কাজ করা সুইস প্রতিষ্ঠান এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের সকাল ৮টার রেকর্ড অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুমান সূচক ৬০। আজ দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৫০। গতকাল বৃহস্পতিবার ৬৬ বায়ুমান সূচক নিয়ে ৪৭তম অবস্থানে ছিল ঢাকা।
আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে আছে বাহরাইনের মানামা। শহরটির বায়ুমান ২১৪, যা খুবই ক্ষতিকর বাতাসের নির্দেশক। দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে থাকা অন্য শহরগুলো সৌদি আরবের রিয়াদ, কঙ্গোর কিনশাসা, কাতারের দোহা, পাকিস্তানের লাহোর। শহরগুলোর বায়ুমান যথাক্রমে ২১২, ১৯৪, ১৭৩, ১৫৫।
বাতাসের গুণমান সূচকের (একিউআই) মাধ্যমে দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ু পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ-এয়ার। তাদের তালিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্রোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতি বছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।

ঢাকার বাতাস বেশ কিছুদিন ধরেই সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আজ শুক্রবারও সহনীয় পর্যায়ে আছে রাজধানী শহরের বাতাস। আজ বায়ুদূষণ ও বাতাসের গুণমান সূচক নিয়ে কাজ করা সুইস প্রতিষ্ঠান এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের সকাল ৮টার রেকর্ড অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুমান সূচক ৬০। আজ দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৫০। গতকাল বৃহস্পতিবার ৬৬ বায়ুমান সূচক নিয়ে ৪৭তম অবস্থানে ছিল ঢাকা।
আজ বায়ুদূষণের শীর্ষে আছে বাহরাইনের মানামা। শহরটির বায়ুমান ২১৪, যা খুবই ক্ষতিকর বাতাসের নির্দেশক। দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে থাকা অন্য শহরগুলো সৌদি আরবের রিয়াদ, কঙ্গোর কিনশাসা, কাতারের দোহা, পাকিস্তানের লাহোর। শহরগুলোর বায়ুমান যথাক্রমে ২১২, ১৯৪, ১৭৩, ১৫৫।
বাতাসের গুণমান সূচকের (একিউআই) মাধ্যমে দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ু পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ-এয়ার। তাদের তালিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্রোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতি বছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।

সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নওগাঁ জেলার বদলগাছীতে ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৭।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকায় আজ বুধবার তাপমাত্রা আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আজ সেটি বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৭।
৭ ঘণ্টা আগে
আজ ২০ জানুয়ারি অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
১ দিন আগে
রাজধানী ঢাকায় আজ মঙ্গলবার তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। গতকাল সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আজ সেটি কমে হয়েছে ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
১ দিন আগে