
যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনার একটি কাউন্টির বাসিন্দারা টানা অস্বাভাবিক চড়া এক শব্দে রীতিমতো বিস্মিত হন। আর তাঁদের অবাক হওয়ার মাত্রাটা এতটাই বেশি ছিল যে পুলিশের শরণাপন্ন হন। তার পরই জানা গেল এই শব্দের উৎস—ছোট্ট এক প্রাণী, ঘুগরা পোকা।
লাল চোখের হাজারো কোটি ঘুগরা পোকারা কয়েক দশক এবং সম্ভবত শতাব্দীতে দেখা যায়নি এমন সংখ্যায় আবির্ভূত হতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায়। আর তাদের প্রচণ্ড চিৎকারে বিভ্রান্ত মানুষ শেরিফের অফিসে ফোন করে জিজ্ঞাসা করে কেন তারা এমন সাইরেনের মতো উচ্চ শব্দ শুনতে পাচ্ছে।
এসব তথ্য জানা যায় মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে।
ঘুগরা পোকার কোনো কোনো প্রজাতির মাটির নিচ থেকে উত্থান হওয়াটা বার্ষিক ঘটনা এবং অন্যগুলোর, যেগুলো পর্যায়ক্রমিক ঘুগরা পোকা নামে পরিচিত, প্রতি ১৩ বা ১৭ বছরে উত্থান হয়।
বছরের এই সময়ে ১৩ বছরের চক্র মেনে চলা দলটি সাউথ ও নর্থ ক্যারোলাইনায় উদ্ভব হতে শুরু করেছে। তারপর মধ্য পশ্চিম অঞ্চলে আবির্ভূত হবে ১৭ বছরের চক্র মেনে চলা দলটি। মধ্য ইলিনয়ের নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় একই সঙ্গে এ দুটি দলেরই আত্মপ্রকাশ ঘটতে পারে।
নিউবেরি কাউন্টি শেরিফের অফিস গত ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার ফেসবুকের এক পোস্টে সেখানকার বাসিন্দাদের জানায়, এক দশকেরও বেশি সময় পরে আবির্ভূত হওয়া পুরুষ ঘুগরা পোকারা সঙ্গীদের আকর্ষণ করতেই এমন শব্দ করছে।
নিউবেরি কাউন্টি শেরিফ লি ফস্টার বলেন, কিছু লোক এমনকি ডেপুটিদের গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞাসা করেছেন এই গোলমালের কারণ কী?
রাজ্যের রাজধানী কলাম্বিয়ার প্রায় ৪০ মাইল (৬৫ কিলোমিটার) উত্তর-পশ্চিমে ৩৮ হাজার বাসিন্দার শহর নিউবেরি কাউন্টি। আর এর চারপাশে প্রচণ্ড শব্দে ডাকতে ওস্তাদ ঘুগরা পোকাগুলোর আবির্ভাব ঘটেছে। বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের ডাকে বিভ্রান্ত হচ্ছিল মানুষ, বলেন ফস্টার।
এই মাসে পূর্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভূগর্ভ থেকে হাজারো কোটি লাল চোখের পর্যায়ক্রমিক ঘুগরা পোকা বের হতে চলেছে।
তাদের সম্মিলিত চিৎকার জেট ইঞ্জিনের মতো উচ্চস্বরে হতে পারে। যেসব বিজ্ঞানী এদের নিয়ে গবেষণা করেন, প্রায়ই শ্রবণশক্তি রক্ষা করার জন্য কানে পশম বা চামড়ার বিশেষ আবরণ পরেন।
‘যদিও কারও কারও কাছে শব্দটি বিরক্তিকর, তারা মানুষ বা পোষা প্রাণীর জন্য কোনো বিপদ ডেকে আনে না।’ ফস্টার কাউন্টির বাসিন্দাদের উদ্দেশে বিবৃতিতে জানান, ‘দুর্ভাগ্যবশত, এটি প্রকৃতির শব্দ।’

বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার ক্রান্তীয় অঞ্চলে, বর্তমানে জলবায়ু-সংক্রান্ত সবচেয়ে আলোচিত শব্দবন্ধ হলো ‘এল নিনো’। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এ বছর বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ এশিয়ায় স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের জুন মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসেও...
১০ ঘণ্টা আগে
বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রশান্ত মহাসাগরের ক্রান্তীয় অঞ্চলে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে এবং আগামী কয়েক মাসে এটি বৈশ্বিক তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ধরনে প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। এর ফলে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাবে বলে গতকাল মঙ্গলবার সতর্ক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। একই সঙ্গে, এল নিনোর প্রভাবে বাংলাদেশসহ পুরো দক্ষিণ
২ দিন আগে
আকাশ থেকে টগবগ করা সূর্য যেন চোখ রাঙাচ্ছে। প্রখর রোদে পুড়ছে সারা দেশ। ৬৪ জেলার মধ্যে ৪১টি তাপপ্রবাহের কবলে। অসহ্য গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। এক ফোঁটা বৃষ্টির জন্য চলছে হাহাকার।
২ দিন আগে