
বর্ষার শুরু থেকে ঢাকার বাতাসে দূষণ সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও আজ মঙ্গলবার দূষণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। রাজধানী শহরের বায়ুমান আজ ১২৯, যা সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর।
গতকাল সোমবারও ঢাকার বাতাস ছিল সহনীয়। বায়ুমানে বেশ উন্নতি দেখা গিয়েছিল। বায়ুমান নিয়ে কাজ করা সুইস প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের রেকর্ড অনুযায়ী ঢাকার বায়ুমান ছিল ৫৭, যা সহনীয় পর্যায়ের বাতাসের নির্দেশক। আর দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ৫৪ তম।
আর আজ মঙ্গলবার দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা উঠে এসেছে ষষ্ঠ স্থানে।
আজ বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষে আছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর কিনশাসা। শহরটির বায়ুমান ১৭৬, যা অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক। শীর্ষ পাঁচে থাকা অন্য শহরগুলো হলো—উগান্ডার কাম্পালা, যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট, বাহরাইনের মানামা ও ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। শহরগুলোর বায়ুমান যথাক্রমে ১৬৫, ১৫৯, ১৪৯ ও ১৪৫।
বাতাসের গুণমান সূচকের (একিউআই) মাধ্যমে দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ু পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ-এয়ার। তাদের তালিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্রোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতি বছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আজকের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
১ দিন আগে
আজ সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহিনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, পয়লা বৈশাখের আগপর্যন্ত সিলেট বিভাগ সারা দেশে কালবৈশাখী বা বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। নববর্ষের প্রথম দিন ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ অঞ্চলে বৃষ্টি হলেও বিচ্ছিন্ন ভাবে হতে পারে।
২ দিন আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজ রোববার ঢাকায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা ও আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। আজকের সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব কথা বলা হয়েছে।
৩ দিন আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আজকের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় আজ শনিবার অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
৪ দিন আগে