শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে আসা ৪০ কেজি ওজনের বিশালাকৃতির একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বন সংলগ্ন খুড়িয়াখালী গ্রামের জামাল গাজীর ঘরের পাশ থেকে ওয়াইল্ড টিমের সদস্যরা সাপটি উদ্ধার করে। পরে বন বিভাগের সহায়তায় সাপটিকে শুক্রবার বিকেলে বনে অবমুক্ত করা হয়।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তা মো. মান্নান হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে পূর্ব সুন্দরবনের ভোলা নদী পাড় হয়ে অজগর সাপটি জামাল ফরাজির ঘরের পাশে অস্থান নেয়। ৪০ কেজি ওজনের সাপটি প্রায় ২২ ফুট লম্বা। অজগরের শব্দে ঘরের লোকজন বাইরে এসে সাপটিকে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তারা স্থানীয় বন রক্ষা সিপিজি কমিটি ওয়াইল্ড টিম ও টাইগারটীমের সদস্যদের খবর দেয়। অনেক চেষ্টায় তারা সাপটি উদ্ধার করে বন বিভাগকে খবর দেয়। পরে তার উপস্থিতিতে সাপটি রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন বনে অবমুক্ত করা হয়।
এলাকাবাসী জানান, সুন্দরবন থেকে বিশালাকৃতির এ অজগর লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় গ্রামবাসীর মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বন বিভাগ ও এলাকাবাসীর ধারণা, সুন্দরবন ও লোকালয় একই সমতলে হওয়ায় খাদ্যের সন্ধানে সাপগুলো প্রায়ই গ্রামে চলে আসছে। গত এক বছরে শতাধিক সাপ বনে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে তারা জানান। গ্রামের জয়নাল মুন্সী, সাগর হোসেন, আলম হোসেন, জাফর খান, ডালিম আকন জানান, গত ২০ বছরেও এত বড় সাপ আমরা দেখিনি। গ্রামের মানুষ অজগর আতঙ্কে রয়েছে। এ সাপ গবাদিপশু ও শিশুদের খেয়ে ফেলতে পারে বলেও এলাকাবাসী আশঙ্কা জানায়।
ওয়াইল্ড টিমের শরণখোলা উপজেলা সমন্বয়কারী আলম হাওলাদার জানান, সুন্দরবনের এ সাপ গুলো প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসে, তবে মানুষের খুব ক্ষতির কারণ নয় সাপগুলি। স্থানীয়দের সহায়তায় সাপগুলো আমরা অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে চেষ্টা করি।

বাগেরহাটের সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে আসা ৪০ কেজি ওজনের বিশালাকৃতির একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বন সংলগ্ন খুড়িয়াখালী গ্রামের জামাল গাজীর ঘরের পাশ থেকে ওয়াইল্ড টিমের সদস্যরা সাপটি উদ্ধার করে। পরে বন বিভাগের সহায়তায় সাপটিকে শুক্রবার বিকেলে বনে অবমুক্ত করা হয়।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তা মো. মান্নান হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে পূর্ব সুন্দরবনের ভোলা নদী পাড় হয়ে অজগর সাপটি জামাল ফরাজির ঘরের পাশে অস্থান নেয়। ৪০ কেজি ওজনের সাপটি প্রায় ২২ ফুট লম্বা। অজগরের শব্দে ঘরের লোকজন বাইরে এসে সাপটিকে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তারা স্থানীয় বন রক্ষা সিপিজি কমিটি ওয়াইল্ড টিম ও টাইগারটীমের সদস্যদের খবর দেয়। অনেক চেষ্টায় তারা সাপটি উদ্ধার করে বন বিভাগকে খবর দেয়। পরে তার উপস্থিতিতে সাপটি রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন বনে অবমুক্ত করা হয়।
এলাকাবাসী জানান, সুন্দরবন থেকে বিশালাকৃতির এ অজগর লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় গ্রামবাসীর মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বন বিভাগ ও এলাকাবাসীর ধারণা, সুন্দরবন ও লোকালয় একই সমতলে হওয়ায় খাদ্যের সন্ধানে সাপগুলো প্রায়ই গ্রামে চলে আসছে। গত এক বছরে শতাধিক সাপ বনে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে তারা জানান। গ্রামের জয়নাল মুন্সী, সাগর হোসেন, আলম হোসেন, জাফর খান, ডালিম আকন জানান, গত ২০ বছরেও এত বড় সাপ আমরা দেখিনি। গ্রামের মানুষ অজগর আতঙ্কে রয়েছে। এ সাপ গবাদিপশু ও শিশুদের খেয়ে ফেলতে পারে বলেও এলাকাবাসী আশঙ্কা জানায়।
ওয়াইল্ড টিমের শরণখোলা উপজেলা সমন্বয়কারী আলম হাওলাদার জানান, সুন্দরবনের এ সাপ গুলো প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসে, তবে মানুষের খুব ক্ষতির কারণ নয় সাপগুলি। স্থানীয়দের সহায়তায় সাপগুলো আমরা অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে চেষ্টা করি।

পৌষ মাস বিদায় নিতে চলেছে। কয়েক দিন পরই শুরু হবে মাঘ মাস। কয়েক দিন ধরে দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে তাপমাত্রা বাড়ছে। ৭ জানুয়ারি দেশের ৪৪টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় শৈত্যপ্রবাহ। তবে আজ রোববার ১৩টি জেলা রয়েছে শৈত্যপ্রবাহের কবলে। এর মধ্যে আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ে...
১৪ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুর পর্যন্ত আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। একই সঙ্গে উত্তর-পশ্চিম অথবা উত্তর দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।
২১ ঘণ্টা আগে
শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এ কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকার বাতাসের মান ‘সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে থাকলেও বেলা ১২টায় দেখা যায়, বাতাসের মান ‘বিপজ্জনক’ অবস্থার কাছাকাছি রয়েছে।
২ দিন আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। আজ শনিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব কথা বলা হয়েছে।
২ দিন আগে