
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদকে সবুজ করতে বসানো হচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার পানির পাইপ। এই পাইপগুলোর মাধ্যমে পানি দেওয়া সম্ভব হবে ৭৫ লাখ গাছে। ১৭ লাখ কিউবিক মিটার পানি বহনে সক্ষম হবে পাইপগুলো।
‘গ্রিন রিয়াদ’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এটা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের গণমাধ্যম আরব নিউজ। এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য পর্যাপ্ত সবুজ গাছপালাময় জায়গার ব্যবস্থা করা। যেটা ‘সবুজ রিয়াদ’ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। রাজধানীর বড় বড় সব উন্নয়ন কার্যক্রমেও কাজে লাগবে এটি।
আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে শুরু হয়েছে পাইপ বসানোর কাজ। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিশেষজ্ঞরা এতে কাজ করছেন।
গ্রিন রিয়াদ প্রকল্পের পরিচালক আবদুল আজিজ আল-মোকবেল বলেন, ‘রোপণ করা গাছের টিকে থাকা অনেকটা নির্ভর করছে পুনর্ব্যবহারোপযোগী পানির ওপর। এটা শহরেই করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রায় ২.৪ মিটার ব্যাসের বড় বড় সব পাইপ ব্যবহার করছি আমরা। মূল নেটওয়ার্ক থেকে রিয়াদের আশপাশের সব জায়গায় পানি সরবরাহ করা হবে।’
বিস্তৃত এই পাইপের পানি যেসব প্রকল্পে ব্যবহার করা হবে, তার মধ্যে আছে পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড, দিরিয়াহ গেট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি, কিং সালমান পার্ক, কিং আব্দুল আজিজ পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, স্পোর্টস বুলেভার্ড প্রভৃতি।
‘প্রকল্পটি শুরু হয় প্রায় দুই বছর আগে। এখন আমরা নির্মাণের পর্যায়ে রয়েছি। শহরটির সব জায়গায় চলছে কাজ।’ বলেন আবদুল আজিজ আল-মোকবেল।
তিনি আরও বলেন, ‘রিয়াদে পুনর্ব্যবহারোপযোগী পানি আছে, তবে এর ব্যবহার খুব সীমিত। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আমরা পুনর্ব্যবহারোপযোগী পানি শহরের মেগা প্রজেক্ট ও আশপাশের জায়গাগুলোতে সরবরাহ করব।’
গ্রিন রিয়াদ প্রকল্পটি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের চালু করা শহরের চারটি মেগা প্রকল্পের মধ্যে একটি। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এগুলোর উদ্যোক্তা। এই পরিকল্পনায় রিয়াদ শহরে ৭৫ লাখের বেশি গাছ লাগানো হবে, যার ফলে শহরটির সবুজ অংশের পরিমাণ বেড়ে হবে ৯.১ শতাংশ।
আবাসিক এলাকাগুলোয় সবুজ জায়গার পরিমাণ বাড়িয়ে শহরের পরিবেশের উন্নতি করা এর অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি গোটা দেশে ১ হাজার কোটি গাছ লাগানোর যে পরিকল্পনা, তাতেও সহায়তা করবে এটি।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদকে সবুজ করতে বসানো হচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার পানির পাইপ। এই পাইপগুলোর মাধ্যমে পানি দেওয়া সম্ভব হবে ৭৫ লাখ গাছে। ১৭ লাখ কিউবিক মিটার পানি বহনে সক্ষম হবে পাইপগুলো।
‘গ্রিন রিয়াদ’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এটা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের গণমাধ্যম আরব নিউজ। এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য পর্যাপ্ত সবুজ গাছপালাময় জায়গার ব্যবস্থা করা। যেটা ‘সবুজ রিয়াদ’ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। রাজধানীর বড় বড় সব উন্নয়ন কার্যক্রমেও কাজে লাগবে এটি।
আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে শুরু হয়েছে পাইপ বসানোর কাজ। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিশেষজ্ঞরা এতে কাজ করছেন।
গ্রিন রিয়াদ প্রকল্পের পরিচালক আবদুল আজিজ আল-মোকবেল বলেন, ‘রোপণ করা গাছের টিকে থাকা অনেকটা নির্ভর করছে পুনর্ব্যবহারোপযোগী পানির ওপর। এটা শহরেই করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রায় ২.৪ মিটার ব্যাসের বড় বড় সব পাইপ ব্যবহার করছি আমরা। মূল নেটওয়ার্ক থেকে রিয়াদের আশপাশের সব জায়গায় পানি সরবরাহ করা হবে।’
বিস্তৃত এই পাইপের পানি যেসব প্রকল্পে ব্যবহার করা হবে, তার মধ্যে আছে পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড, দিরিয়াহ গেট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি, কিং সালমান পার্ক, কিং আব্দুল আজিজ পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, স্পোর্টস বুলেভার্ড প্রভৃতি।
‘প্রকল্পটি শুরু হয় প্রায় দুই বছর আগে। এখন আমরা নির্মাণের পর্যায়ে রয়েছি। শহরটির সব জায়গায় চলছে কাজ।’ বলেন আবদুল আজিজ আল-মোকবেল।
তিনি আরও বলেন, ‘রিয়াদে পুনর্ব্যবহারোপযোগী পানি আছে, তবে এর ব্যবহার খুব সীমিত। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আমরা পুনর্ব্যবহারোপযোগী পানি শহরের মেগা প্রজেক্ট ও আশপাশের জায়গাগুলোতে সরবরাহ করব।’
গ্রিন রিয়াদ প্রকল্পটি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের চালু করা শহরের চারটি মেগা প্রকল্পের মধ্যে একটি। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এগুলোর উদ্যোক্তা। এই পরিকল্পনায় রিয়াদ শহরে ৭৫ লাখের বেশি গাছ লাগানো হবে, যার ফলে শহরটির সবুজ অংশের পরিমাণ বেড়ে হবে ৯.১ শতাংশ।
আবাসিক এলাকাগুলোয় সবুজ জায়গার পরিমাণ বাড়িয়ে শহরের পরিবেশের উন্নতি করা এর অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি গোটা দেশে ১ হাজার কোটি গাছ লাগানোর যে পরিকল্পনা, তাতেও সহায়তা করবে এটি।

শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এ কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ সোমবার সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তালিকার সকাল ৯টার রেকর্ড অনুযায়ী ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
১২ ঘণ্টা আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুর পর্যন্ত আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একই সঙ্গে উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
মাত্র দিন দশেক আগেও হাড়কাঁপানো শীত পড়েছিল। কিন্তু মাঘে শীতের কাঁপুনি তো দূরে থাক, শহরাঞ্চলে সামান্য গরমও অনুভূত হচ্ছে। গতকাল ফেনী শহরে তাপমাত্রা ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে উঠেছিল। আর আজ রোববার সকালে দেশে কোনো শৈত্যপ্রবাহ নেই। একমাত্র ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।
১ দিন আগে
পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুর পর্যন্ত আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একই সঙ্গে উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।
২ দিন আগে