
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের লোচিয়েল এলাকায় সীমান্তপথের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আনুমানিক ২০০ বছরের পুরোনো একটি কটনউডগাছ রক্ষায় অবস্থান নিয়েছেন পরিবেশবাদী ও সীমান্ত সংরক্ষণকর্মীরা। তাঁদের দাবি, গাছটি শুধু একটি প্রাচীন বৃক্ষ নয়; এটি ওই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ও প্রতিবেশব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সীমান্তপ্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পিত পথে থাকায় গাছটি অপসারণ করা প্রয়োজন।
গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইউএসএ টুডেকে অ্যাকটিভিস্টরা জানান, সীমান্তপ্রাচীর নির্মাণের নির্ধারিত পথে থাকা চারটি ঐতিহাসিক কটনউডগাছের মধ্যে এখন মাত্র একটিই টিকে আছে। এর আগের দিন সোমবার (২৭ জুলাই) হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের ঠিকাদারেরা অন্য তিনটি গাছ কেটে ফেলেছেন।
মেক্সিকো সীমান্তের কাছে অবস্থিত লোচিয়েল একসময় সীমান্তকেন্দ্রিক জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। ১৯৮০-এর দশকে সীমান্ত পারাপার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এলাকাটি অনেকটাই জনশূন্য হয়ে পড়ে। তবে পরিবেশবাদীদের কাছে অঞ্চলটি এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের মতে, কটনউডগাছগুলোকে ঘিরে থাকা এলাকায় অ্যান্টিলোপ, বিগহর্ন ভেড়া, জাগুয়ারসহ নানা প্রাণীর বিচরণ রয়েছে।
সীমান্ত সংরক্ষণকর্মী কেট স্কট বলেন, মেক্সিকো থেকে অ্যারিজোনার ভেতর পর্যন্ত বিস্তৃত কটনউডগাছের সারি ওই এলাকার প্রতিবেশব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এসব গাছের উপস্থিতি সেখানে পানির উৎস থাকারও ইঙ্গিত দেয়। তিনি গাছ কাটার ঘটনাকে ‘পরিবেশ ধ্বংস’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রকৃতির প্রতি এমন অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না।
স্কট প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে অবশিষ্ট গাছটির পাশে অবস্থান করছেন। সীমান্তপ্রাচীর নির্মাণের জন্য গাছ কাটার প্রতিবাদে অন্তত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সান্তা ক্রুজ কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়।
অন্যদিকে সীমান্তরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, গাছগুলো ফেডারেল সরকারের জমিতে অবস্থিত এবং পরিকল্পিত সীমান্তপ্রাচীর নির্মাণের জন্য এগুলো সরানো প্রয়োজন ছিল। সংস্থাটির দাবি, পরিবেশ পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতেই আগের তিনটি কটনউডগাছ অপসারণ করা হয়েছে এবং আইনগতভাবে সুরক্ষিত কোনো পাখির আবাসস্থলে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
তবে এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে সিয়েরা ক্লাব। সংগঠনটি দাবি করেছে, গাছগুলো কাটার সময় কোনো পরিবেশ পর্যবেক্ষক উপস্থিত ছিলেন না এবং একটি কটনউডগাছে সুরক্ষিত প্রজাতির ক্যাসিনস কিংবার্ড পাখির বাসা ছিল।
পরিবেশবাদীদের আশঙ্কা, সীমান্তপ্রাচীর নির্মাণের ফলে জাগুয়ার, নেকড়েসহ বিরল প্রাণীদের চলাচল বাধাগ্রস্ত হবে। তাঁদের মতে, প্রাণীরা রাজনৈতিক সীমান্ত মানে না; কিন্তু প্রাচীর ও কাঁটাতারের বেড়া তাদের স্বাভাবিক চলাচলের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে। এতে প্রাণীর মৃত্যু, পানিপ্রবাহে বাধা ও পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
স্কট জানিয়েছেন, অবশিষ্ট শতবর্ষী কটনউডগাছটি রক্ষায় তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন। তাঁর আশা, সীমান্তপ্রাচীরের এমন একটি বিকল্প পথ নির্ধারণ করা হবে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে পুরোনো এসব গাছ ধ্বংস করতে না হয়। মানুষেরও প্রকৃতির কাছ থেকে সহাবস্থানের শিক্ষা নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সুন্দরবনের বাঘ ও এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেছেন, বাঘ সংরক্ষণ শুধু একটি প্রাণীকে রক্ষা করা নয়, বরং সুন্দরবনের পুরো বাস্তুতন্ত্র, জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য সংরক্ষণের বি
৪ ঘণ্টা আগে
সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা গত এক দশকে প্রায় ১৮ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫ সালে যেখানে বাঘের সংখ্যা ছিল ১০৬টি, সেখানে সর্বশেষ ২০২৪ সালের জরিপে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫টিতে। একই সময়ে অন্তত ১৯টি বাঘশাবকও শনাক্ত হয়েছে, যা সুন্দরবনে বাঘের প্রজনন ও সংরক্ষণ কার্যক্রমে ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে
পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান রক্ষায় বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বর্জ্যজীবীরা। আজ বুধবার (২৯ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন: পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, রিসাইক্লিং এবং বর্জ্যজীবীদের জীবিকার ওপর প্রভাব’ শীর্ষক সভায় বক্তারা এ আহ্বান
৭ ঘণ্টা আগে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বাঘ পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী এবং জীববৈচিত্র্যের অপরিহার্য অংশ। এ প্রাণী সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে সংরক্ষণবিষয়ক মানসিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
৮ ঘণ্টা আগে