ঢাকার বায়ুমান আজও সহনীয় পর্যায়েই রয়েছে। তবে, গতকালের তুলনায় আজ ঢাকার বাতাসের দূষিত কণার পরিমাণ বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।
বায়ুমান নিয়ে কাজ করা সুইস প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তালিকা অনুযায়ী, আজ সোমবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের রেকর্ড অনুযায়ী ঢাকার বায়ুমান ৮৮, যা সহনীয় পর্যায়ের বাতাসের নির্দেশক। আজ দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় এগিয়ে ঢাকার অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১৫তম।
এদিকে, গতকাল রোববার সকাল ৯টায় বায়ুমান ৬০ নিয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ৬৪।
বায়ুদূষণের তালিকায় আজ শীর্ষে আছে উগান্ডার কাম্পালা। শহরটির বায়ুমান ১৬২, যা সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক।
শীর্ষ পাঁচে থাকা অন্য শহরগুলো হলো—পাকিস্তানের লাহোর, ফিলিপাইনের ম্যানিলা, চীনের চেংদু ও ইন্দোনেশিয়ার বাটাম। শহরগুলোর বায়ুমান যথাক্রমে ১৫৪, ১৫৩, ১৫১ ও ১২৪।
বাতাসের গুণমান সূচকের (একিউআই) মাধ্যমে দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ু পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ-এয়ার। তাদের তালিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদরোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতি বছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।

উত্তর মিয়ানমার, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ আরও দুর্বল হতে পারে। ১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর এবং সংশ্লিষ্ট নৌবন্দরকে ১ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে
রাজধানীসহ দেশের সব বড় শহরেই এখন বায়ুদূষণ পরিস্থিতি ভয়াবহ। বায়ুতে ভাসমান ক্ষতিকর কণার মাত্রা প্রায়ই ছাড়িয়ে যাচ্ছে নিরাপদ সীমা। গত ছয় মাসের প্রতিবেদনে এমন উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সংস্থাটির বায়ুমান তথ্য বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
২ দিন আগে
সবচেয়ে জোরে ডাকতে পারে—এমন দুই পাখির সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস আমহার্স্টের গবেষকেরা জানিয়েছেন, বেয়ার-থ্রোটেড বেলবার্ড ও রেড-লেগড সিরিমা—দুই পাখিই ১২০ ডেসিবেলের বেশি তীব্রতায় ডাকতে পারে।
২ দিন আগে