
জনপ্রিয় অভিনেত্রী আফসানা মিমির বাবা মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মিমির বাবার মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা।
মৃত্যুর সংবাদটি দিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমাদের প্রিয় বন্ধু আফসানা মিমির বাবা মারা গেছেন। বাদ জোহর মিমির বাসস্থান উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরে। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। শান্তিতে ঘুমাও খালু।’
সেই পোস্টে মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করেননি সুবর্ণা মুস্তাফা। তবে প্রিয়জনের মুখটি শেষবারের মতো দেখার জন্য মিমির বাড়ির ঠিকানা উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী।
আফসানা মিমির বাবার নাম সৈয়দ ফজলুল করিম। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডে চাকরি করতেন। মা শিরীন আফরোজ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
আফসানা মিমি পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৯০ সালে বাংলা টেলিভিশনে ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকে (বকুল চরিত্রে) অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। তার পর থেকে বহু টেলিভিশন নাটক এবং কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
১৯৯২ সালে আজিজুর রহমানের ‘দিল’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় মিমির। তারপর ‘নদীর নাম মধুমতী (১৯৯৪) ’, ‘চিত্রা নদীর পাড়ে (১৯৯৯) ’, ‘প্রিয়তমেষু (২০০৯)’ ছবিতে অভিনয় করেন।

জনপ্রিয় অভিনেত্রী আফসানা মিমির বাবা মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মিমির বাবার মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা।
মৃত্যুর সংবাদটি দিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমাদের প্রিয় বন্ধু আফসানা মিমির বাবা মারা গেছেন। বাদ জোহর মিমির বাসস্থান উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরে। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। শান্তিতে ঘুমাও খালু।’
সেই পোস্টে মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করেননি সুবর্ণা মুস্তাফা। তবে প্রিয়জনের মুখটি শেষবারের মতো দেখার জন্য মিমির বাড়ির ঠিকানা উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী।
আফসানা মিমির বাবার নাম সৈয়দ ফজলুল করিম। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডে চাকরি করতেন। মা শিরীন আফরোজ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
আফসানা মিমি পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৯০ সালে বাংলা টেলিভিশনে ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকে (বকুল চরিত্রে) অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। তার পর থেকে বহু টেলিভিশন নাটক এবং কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
১৯৯২ সালে আজিজুর রহমানের ‘দিল’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় মিমির। তারপর ‘নদীর নাম মধুমতী (১৯৯৪) ’, ‘চিত্রা নদীর পাড়ে (১৯৯৯) ’, ‘প্রিয়তমেষু (২০০৯)’ ছবিতে অভিনয় করেন।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৩ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৩ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৩ ঘণ্টা আগে