
স্টার জলসার নতুন সিরিয়াল ‘আয় তবে সহচরী’। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টায় দেখা যাচ্ছে সিরিয়ালটি। গতকাল শুরু হয়েছে এর প্রচার। এই সিরিয়ালের মাধ্যমে অনেক দিন পর ছোট পর্দায় ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর চরিত্রের নাম ‘সহচরী’। গল্পে সহচরী ও বরফির অসমবয়স্ক বন্ধুত্ব দেখা যাবে। বরফির চরিত্রে দেখা যাবে অরুণিমা হালদারকে।
আমাদের চারপাশে অনেক নারী আছে, যারা সংসারের চাপে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ে। কিন্তু সংসারের দায়িত্ব সামলে কেউ কেউ সাহস করে ঠিকই এগিয়ে যায়। আর সে রকমই এক নারী সহচরী। গল্পের নায়িকা সহচরীর ইচ্ছা উচ্চশিক্ষিত হওয়ার। সংসারের চাপ, সবার হেয়-তাচ্ছিল্য—সবকিছুর বাইরে গিয়ে কলেজে ভর্তি হয় সে। সেখানেই আলাপ হয় বরফির সঙ্গে। কথায় বলে, ‘বন্ধুত্ব না মানে বয়স, না মানে সময়’। সহচরীর স্বপ্নপূরণে সাহায্যের হাত বাড়ায় কলেজছাত্রী বরফি। দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। এমন অসমবয়সী বন্ধুত্বের গল্প প্রসঙ্গে ভারতীয় গণমাধ্যমে কনীনিকা বললেন, ‘বাস্তবেই আমার প্রায় সব বন্ধুর থেকে আমার বয়সের পার্থক্য ২০-২৫ বছরের। খুব কম বন্ধু আছে, যারা আমার বয়সী। তাই নিজেকে বরফির জায়গায় রেখে বলতে পারি, বাস্তবেও সত্যিই এমন বন্ধুত্ব হয়। এখানে দুটি মেয়ের বন্ধুত্ব দেখানো হচ্ছে। আমার মনে হয়, একজন মেয়েই কেবল আরেকজন মেয়েকে সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারে।’
গল্পে কি সহচরীর স্বপ্নপূরণ হবে? সেই উত্তর দেবে সময়। তবে কনীনিকার কি কোনো অপূর্ণ স্বপ্ন আছে? উত্তরে বলেন, ‘আমার না, কিন্তু আমার মায়ের আছে। ছোটবেলায় পড়াশোনায় ভালো ছিলাম। মায়ের ইচ্ছা ছিল আমি ডাক্তার হব। কিন্তু ছোট থেকে আমি বলতাম, আমি মাধুরী দীক্ষিত হব। বাবা পাশে ছিলেন সব সময়। বাবার উৎসাহে থিয়েটারে যোগ দেওয়া, অভিনয় শেখা। এখন আমার নিজের অভিনয় শেখানোর স্কুল আছে। এখন চাই সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা ভালো অভিনয় করুক। ইন্ডাস্ট্রিকে কিছু ভালো শিল্পী যেন দিয়ে যেতে পারি। এটাই এখন স্বপ্ন।’

স্টার জলসার নতুন সিরিয়াল ‘আয় তবে সহচরী’। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টায় দেখা যাচ্ছে সিরিয়ালটি। গতকাল শুরু হয়েছে এর প্রচার। এই সিরিয়ালের মাধ্যমে অনেক দিন পর ছোট পর্দায় ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর চরিত্রের নাম ‘সহচরী’। গল্পে সহচরী ও বরফির অসমবয়স্ক বন্ধুত্ব দেখা যাবে। বরফির চরিত্রে দেখা যাবে অরুণিমা হালদারকে।
আমাদের চারপাশে অনেক নারী আছে, যারা সংসারের চাপে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ে। কিন্তু সংসারের দায়িত্ব সামলে কেউ কেউ সাহস করে ঠিকই এগিয়ে যায়। আর সে রকমই এক নারী সহচরী। গল্পের নায়িকা সহচরীর ইচ্ছা উচ্চশিক্ষিত হওয়ার। সংসারের চাপ, সবার হেয়-তাচ্ছিল্য—সবকিছুর বাইরে গিয়ে কলেজে ভর্তি হয় সে। সেখানেই আলাপ হয় বরফির সঙ্গে। কথায় বলে, ‘বন্ধুত্ব না মানে বয়স, না মানে সময়’। সহচরীর স্বপ্নপূরণে সাহায্যের হাত বাড়ায় কলেজছাত্রী বরফি। দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। এমন অসমবয়সী বন্ধুত্বের গল্প প্রসঙ্গে ভারতীয় গণমাধ্যমে কনীনিকা বললেন, ‘বাস্তবেই আমার প্রায় সব বন্ধুর থেকে আমার বয়সের পার্থক্য ২০-২৫ বছরের। খুব কম বন্ধু আছে, যারা আমার বয়সী। তাই নিজেকে বরফির জায়গায় রেখে বলতে পারি, বাস্তবেও সত্যিই এমন বন্ধুত্ব হয়। এখানে দুটি মেয়ের বন্ধুত্ব দেখানো হচ্ছে। আমার মনে হয়, একজন মেয়েই কেবল আরেকজন মেয়েকে সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারে।’
গল্পে কি সহচরীর স্বপ্নপূরণ হবে? সেই উত্তর দেবে সময়। তবে কনীনিকার কি কোনো অপূর্ণ স্বপ্ন আছে? উত্তরে বলেন, ‘আমার না, কিন্তু আমার মায়ের আছে। ছোটবেলায় পড়াশোনায় ভালো ছিলাম। মায়ের ইচ্ছা ছিল আমি ডাক্তার হব। কিন্তু ছোট থেকে আমি বলতাম, আমি মাধুরী দীক্ষিত হব। বাবা পাশে ছিলেন সব সময়। বাবার উৎসাহে থিয়েটারে যোগ দেওয়া, অভিনয় শেখা। এখন আমার নিজের অভিনয় শেখানোর স্কুল আছে। এখন চাই সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা ভালো অভিনয় করুক। ইন্ডাস্ট্রিকে কিছু ভালো শিল্পী যেন দিয়ে যেতে পারি। এটাই এখন স্বপ্ন।’

মারা গেছেন বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ। অনেক দিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল ঢাকার মঞ্চে আবারও মঞ্চায়ন হবে দেশ নাটকের ‘দর্পণে শরৎশশী’। ১৯৯২ সালে প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল নাটকটি। রচনা করেছেন মনোজ মিত্র; ২০২৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্দেশক আলী যাকের; ২০২০ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
অস্কারের আশা কার না থাকে! হলিউডসহ বিশ্বজুড়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন যাঁরা, অস্কারের সোনালি ট্রফি পাওয়ার স্বপ্ন প্রায় সবাই দেখেন। তবে ব্যতিক্রম কথা বললেন হলিউড অভিনেত্রী আমান্ডা সেফ্রিড। অস্কার পাওয়া নাকি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণই নয়!
৭ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া যাত্রাদলগুলোর অংশগ্রহণে ১ ডিসেম্বর শুরু হয়েছিল বিজয়ের মাসজুড়ে যাত্রাপালা প্রদর্শনী। রাষ্ট্রীয় শোক পালন উপলক্ষে বিঘ্নিত হওয়া উৎসবের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ২১ থেকে ২৩ জা
৭ ঘণ্টা আগে