বিনোদন প্রতিবেদক

গান গেয়ে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। হয়েছেন সংসদ সদস্য। মানুষ ও সমাজের সেবা করার সুযোগ পেয়েছেন। এসবের জন্য এবার তিনি পেলেন সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। মমতাজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে খবরটি জানানো হয়।
ভারতের তামিলনাড়ুর গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভার্সিটি শনিবার (১০ এপ্রিল) মমতাজকে এ সম্মাননা দিয়েছে। তাঁরা উল্লেখ করে, বিশ্বের প্রথম শিল্পী হিসেবে ৭০০টির বেশি একক অ্যালবামের রেকর্ড, সুদীর্ঘ ৩০ বছর বাংলা গানকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা ও সমাজসেবা ছাড়াও নানামুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রেখে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন মমতাজ।
যে কারণে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘ডক্টর অব মিউজিক’ পদক প্রদান করে। এটি দেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. পি. ম্যানুয়েল। এর ফলে বহু সম্মানে ভূষিত মমতাজ প্রথমবারের মতো ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন।
সম্মাননা নিতে মমতাজ উড়ে গিয়েছিলেন তামিলনাড়ুতে। সোমবার (১২ এপ্রিল) দেশে ফিরেছেন তিনি। পদকপ্রাপ্তির অনুভূতি জানিয়ে এ শিল্পী বলেন, ‘এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। ৩০ বছর ধরে আমি মা-মাটির গান করে চলেছি। মানুষের সেবা করেছি। এই প্রাপ্তি আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।’
একই সময়ে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন চেন্নাইয়ের সাবেক জেলা জজ থিরু এজে মুরুগানানথাম, তামিলনাড়ুর আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু খলিফা মাস্তান সাহেব ক্বাদিরী এবং কেরালার ড. এপিজে আবুল কালাম ইনস্টিটিউট অব বিজনেস ম্যানেজমেন্টের পরিচালক উইলাত কোরাইয়া।
উল্লেখ্য, মমতাজ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পেশাদার শিল্পী হিসেবে কাজ করছেন। সংগীতজীবনে ৭০০টির বেশি একক অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে তাঁর। ২০০০ সালে হানিফ সংকেতের আমন্ত্রণে ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানে গান করেন তিনি। এরপরই সারাদেশের শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে তাঁর কণ্ঠ। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এই শিল্পী।

গান গেয়ে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। হয়েছেন সংসদ সদস্য। মানুষ ও সমাজের সেবা করার সুযোগ পেয়েছেন। এসবের জন্য এবার তিনি পেলেন সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। মমতাজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে খবরটি জানানো হয়।
ভারতের তামিলনাড়ুর গ্লোবাল হিউম্যান পিস ইউনিভার্সিটি শনিবার (১০ এপ্রিল) মমতাজকে এ সম্মাননা দিয়েছে। তাঁরা উল্লেখ করে, বিশ্বের প্রথম শিল্পী হিসেবে ৭০০টির বেশি একক অ্যালবামের রেকর্ড, সুদীর্ঘ ৩০ বছর বাংলা গানকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা ও সমাজসেবা ছাড়াও নানামুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রেখে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন মমতাজ।
যে কারণে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘ডক্টর অব মিউজিক’ পদক প্রদান করে। এটি দেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. পি. ম্যানুয়েল। এর ফলে বহু সম্মানে ভূষিত মমতাজ প্রথমবারের মতো ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন।
সম্মাননা নিতে মমতাজ উড়ে গিয়েছিলেন তামিলনাড়ুতে। সোমবার (১২ এপ্রিল) দেশে ফিরেছেন তিনি। পদকপ্রাপ্তির অনুভূতি জানিয়ে এ শিল্পী বলেন, ‘এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। ৩০ বছর ধরে আমি মা-মাটির গান করে চলেছি। মানুষের সেবা করেছি। এই প্রাপ্তি আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।’
একই সময়ে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন চেন্নাইয়ের সাবেক জেলা জজ থিরু এজে মুরুগানানথাম, তামিলনাড়ুর আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু খলিফা মাস্তান সাহেব ক্বাদিরী এবং কেরালার ড. এপিজে আবুল কালাম ইনস্টিটিউট অব বিজনেস ম্যানেজমেন্টের পরিচালক উইলাত কোরাইয়া।
উল্লেখ্য, মমতাজ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পেশাদার শিল্পী হিসেবে কাজ করছেন। সংগীতজীবনে ৭০০টির বেশি একক অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে তাঁর। ২০০০ সালে হানিফ সংকেতের আমন্ত্রণে ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানে গান করেন তিনি। এরপরই সারাদেশের শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে তাঁর কণ্ঠ। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এই শিল্পী।

মারা গেছেন বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ। অনেক দিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল ঢাকার মঞ্চে আবারও মঞ্চায়ন হবে দেশ নাটকের ‘দর্পণে শরৎশশী’। ১৯৯২ সালে প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল নাটকটি। রচনা করেছেন মনোজ মিত্র; ২০২৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্দেশক আলী যাকের; ২০২০ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
অস্কারের আশা কার না থাকে! হলিউডসহ বিশ্বজুড়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন যাঁরা, অস্কারের সোনালি ট্রফি পাওয়ার স্বপ্ন প্রায় সবাই দেখেন। তবে ব্যতিক্রম কথা বললেন হলিউড অভিনেত্রী আমান্ডা সেফ্রিড। অস্কার পাওয়া নাকি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণই নয়!
৭ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া যাত্রাদলগুলোর অংশগ্রহণে ১ ডিসেম্বর শুরু হয়েছিল বিজয়ের মাসজুড়ে যাত্রাপালা প্রদর্শনী। রাষ্ট্রীয় শোক পালন উপলক্ষে বিঘ্নিত হওয়া উৎসবের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ২১ থেকে ২৩ জা
৭ ঘণ্টা আগে