
প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ারে ১০টি জনপ্রিয় অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন মার্কিন পপ গায়িকা টেলর সুইফট। এই বিষয়টি উদ্যাপন করতেই সম্প্রতি ইরাস ট্যুর শুরু করেছিলেন তিনি। এই ট্যুরের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একের পর এক কনসার্ট করছেন সুইফট। ইরাস ট্যুরের মধ্য দিয়ে বিপুল আর্থিক লাভেরও মুখ দেখলেন মার্কিন পপ তারকা।
ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশে সুইফটের ইরাস ট্যুরের টিকিট ৭৮০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি হয়েছে। তাই সুইফটের এই সফরকে সর্বকালের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী সফর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এই সফরের বিপুল আয় ৩৩ বছর বয়সী গায়িকাকে মর্যাদাপূর্ণ বিলিয়নিয়ার ক্লাবেও পৌঁছে দিয়েছে।
বলা হচ্ছে, টেলর সুইফটই প্রথম যিনি শুধুমাত্র গানের ওপর ভিত্তি করে একজন বিলিয়নিয়ার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। ফোর্বসের ধারণা অনুযায়ী, বর্তমানে তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১.১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এ হিসেবে গত জুনের পর থেকে সুইফটের মোট সম্পদে ৩৬০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ যোগ হয়েছে। সে সময় নিজের যোগ্যতায় সবচেয়ে ধনী হওয়া মার্কিন নারীদের মধ্যে ৩৪ নম্বরে ছিলেন সুইফট।
ইরাস ট্যুরের সময়টিকে সুইফটের জীবনের ‘অবিস্মরণীয় গ্রীষ্ম’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে ফোর্বস। এই ট্যুরের প্রথম পর্ব থেকে কর পরিশোধের পরও ১৯০ মিলিয়ন ডলার আয় করেন তিনি। পাশাপাশি ‘টেলর সুইফট: দ্য ইরাস ট্যুর’ মুভির প্রথম দুই সপ্তাহেই আরও ৩৫ মিলিয়ন ডলার পকেটে ঢুকিয়েছিলেন গায়িকা। সব মিলিয়ে সুইফটে সম্পদের ৫০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ এসেছে মূলত সংগীত রয়্যালটি এবং সফরের মধ্য দিয়ে। আরও ৫০০ মিলিয়ন ডলার এসেছে তাঁর সংগীত ক্যাটালগের ক্রমবর্ধমান মূল্যের ওপর ভিত্তি করে। ৬টি বিলাসবহুল বাড়ি এবং ১০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি ব্যক্তিগত জেট বিমান রয়েছে এই গায়িকার।
অর্থ সম্পদের বিষয়ে ফোর্বসের পক্ষ থেকে টেলর সুইফটের একাধিক প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা কোনো সাড়া দেননি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিলিয়নিয়ার তালিকায় আরও চারজন সংগীত তারকা থাকলেও সুইফটের মতো তাঁরা কেউই শুধুমাত্র সংগীত থেকে এই অর্থ উপার্জন করেননি। এদের মধ্যে র্যাপার গায়ক জে-জেডের রয়েছে আরমান্দ ডি ব্রাইন্যাক এবং ডি’উজি নামে দুটি মদের ব্র্যান্ড। পাশাপাশি উবারের মতো একাধিক কোম্পানিতেও তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে। একইভাবে সংগীত শিল্পী রিহানাও বিলিয়নিয়ার ক্লাবে পৌঁছেছেন ফ্যান্টি বিউটি নামে তাঁর প্রসাধনী ব্র্যান্ড দিয়ে। অন্তর্বাসের ব্র্যান্ড স্যাভেজ অ্যাক্স ফেন্টিও রিহানাকে বিপুল লাভবান করেছে। এই তালিকার তৃতীয় জন হলেন—প্রয়াত জিমি বাফেট। সংগীতের চেয়েও মার্গারিটাভিল হোল্ডিংস সাম্রাজ্য, অ্যালকোহল ব্যবসা এবং বার্কশায়ার হ্যাথওয়েতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিলিয়নিয়ার হয়ে উঠেছিলেন জিমি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে মৃত্যুর আগে জিমিকে বিলিয়নিয়ার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল ফোর্বস।
এসব বিষয় পর্যালোচনা করে শুধুমাত্র সংগীত দিয়ে বিলিয়নিয়ার হওয়া টেলর সুইফটকে তুলনা করা হচ্ছে ব্রুস স্প্রিংস্টিনের মতো কিংবদন্তিদের সঙ্গে। জীবদ্দশায় শুধুমাত্র রোড শো করেই বিলিয়ন ডলার আয় করেছিলেন ব্রুস।

প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ারে ১০টি জনপ্রিয় অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন মার্কিন পপ গায়িকা টেলর সুইফট। এই বিষয়টি উদ্যাপন করতেই সম্প্রতি ইরাস ট্যুর শুরু করেছিলেন তিনি। এই ট্যুরের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একের পর এক কনসার্ট করছেন সুইফট। ইরাস ট্যুরের মধ্য দিয়ে বিপুল আর্থিক লাভেরও মুখ দেখলেন মার্কিন পপ তারকা।
ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশে সুইফটের ইরাস ট্যুরের টিকিট ৭৮০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি হয়েছে। তাই সুইফটের এই সফরকে সর্বকালের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী সফর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এই সফরের বিপুল আয় ৩৩ বছর বয়সী গায়িকাকে মর্যাদাপূর্ণ বিলিয়নিয়ার ক্লাবেও পৌঁছে দিয়েছে।
বলা হচ্ছে, টেলর সুইফটই প্রথম যিনি শুধুমাত্র গানের ওপর ভিত্তি করে একজন বিলিয়নিয়ার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। ফোর্বসের ধারণা অনুযায়ী, বর্তমানে তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১.১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এ হিসেবে গত জুনের পর থেকে সুইফটের মোট সম্পদে ৩৬০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ যোগ হয়েছে। সে সময় নিজের যোগ্যতায় সবচেয়ে ধনী হওয়া মার্কিন নারীদের মধ্যে ৩৪ নম্বরে ছিলেন সুইফট।
ইরাস ট্যুরের সময়টিকে সুইফটের জীবনের ‘অবিস্মরণীয় গ্রীষ্ম’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে ফোর্বস। এই ট্যুরের প্রথম পর্ব থেকে কর পরিশোধের পরও ১৯০ মিলিয়ন ডলার আয় করেন তিনি। পাশাপাশি ‘টেলর সুইফট: দ্য ইরাস ট্যুর’ মুভির প্রথম দুই সপ্তাহেই আরও ৩৫ মিলিয়ন ডলার পকেটে ঢুকিয়েছিলেন গায়িকা। সব মিলিয়ে সুইফটে সম্পদের ৫০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ এসেছে মূলত সংগীত রয়্যালটি এবং সফরের মধ্য দিয়ে। আরও ৫০০ মিলিয়ন ডলার এসেছে তাঁর সংগীত ক্যাটালগের ক্রমবর্ধমান মূল্যের ওপর ভিত্তি করে। ৬টি বিলাসবহুল বাড়ি এবং ১০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি ব্যক্তিগত জেট বিমান রয়েছে এই গায়িকার।
অর্থ সম্পদের বিষয়ে ফোর্বসের পক্ষ থেকে টেলর সুইফটের একাধিক প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা কোনো সাড়া দেননি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিলিয়নিয়ার তালিকায় আরও চারজন সংগীত তারকা থাকলেও সুইফটের মতো তাঁরা কেউই শুধুমাত্র সংগীত থেকে এই অর্থ উপার্জন করেননি। এদের মধ্যে র্যাপার গায়ক জে-জেডের রয়েছে আরমান্দ ডি ব্রাইন্যাক এবং ডি’উজি নামে দুটি মদের ব্র্যান্ড। পাশাপাশি উবারের মতো একাধিক কোম্পানিতেও তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে। একইভাবে সংগীত শিল্পী রিহানাও বিলিয়নিয়ার ক্লাবে পৌঁছেছেন ফ্যান্টি বিউটি নামে তাঁর প্রসাধনী ব্র্যান্ড দিয়ে। অন্তর্বাসের ব্র্যান্ড স্যাভেজ অ্যাক্স ফেন্টিও রিহানাকে বিপুল লাভবান করেছে। এই তালিকার তৃতীয় জন হলেন—প্রয়াত জিমি বাফেট। সংগীতের চেয়েও মার্গারিটাভিল হোল্ডিংস সাম্রাজ্য, অ্যালকোহল ব্যবসা এবং বার্কশায়ার হ্যাথওয়েতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিলিয়নিয়ার হয়ে উঠেছিলেন জিমি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে মৃত্যুর আগে জিমিকে বিলিয়নিয়ার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল ফোর্বস।
এসব বিষয় পর্যালোচনা করে শুধুমাত্র সংগীত দিয়ে বিলিয়নিয়ার হওয়া টেলর সুইফটকে তুলনা করা হচ্ছে ব্রুস স্প্রিংস্টিনের মতো কিংবদন্তিদের সঙ্গে। জীবদ্দশায় শুধুমাত্র রোড শো করেই বিলিয়ন ডলার আয় করেছিলেন ব্রুস।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১০ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১০ ঘণ্টা আগে