বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

সিনেমার জন্য আর গান বানাবেন না প্রিন্স মাহমুদ। জনপ্রিয় এই গীতিকার ও সুরকারের এমন ঘোষণার পর চলছে নানা আলোচনা। অনেকেই মনে করছেন, কোনো অভিমান থেকেই হয়তো সিনেমা থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত তাঁর। তবে প্রিন্স মাহমুদ জানালেন, কোনো অভিমান নয়, অডিও গানে আরও বেশি মনোযোগ দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
আজকের পত্রিকাকে প্রিন্স মাহমুদ বলেন, ‘সিনেমার গান না করার বিষয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। অনেক নিউজ হচ্ছে। আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে। আমি কিন্তু ফেসবুকে লিখেছি, সিনেমার গান করে অনেক সম্মান পেয়েছি, যেটা অনেকেই পায়নি। সিনেমার গান নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে অডিও গানে যে মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন, সেটা দিতে পারছি না। এটাই হচ্ছে আমার সিদ্ধান্তের মূল কারণ।’
প্রিন্স মাহমুদ জানান, তাঁর হাতে এখন দু্টি সিনেমার সংগীতের কাজ আছে। আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদ সেই কাজ শেষ বলে আশা করছেন তিনি। এরপর পুরোপুরি মনোযোগ দিতে চান অডিও গানে।
বাংলা ব্যান্ড ও আধুনিক অনেক জনপ্রিয় গানের সঙ্গে নাম জড়িয়ে আছে প্রিন্স মাহমুদের। এই তালিকায় আছে ‘মা’, ‘বাবা’, ‘বাংলাদেশ’, ‘আজ জন্মদিন তোমার’, ‘এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়’, ‘এত দিন পরে প্রশ্ন জাগে’সহ জনপ্রিয় অনেক গান।
সিনেমার গানেও কম জনপ্রিয় নন প্রিন্স মাহমুদ। দুই বছর আগে শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’ সিনেমায় ‘ঈশ্বর’ গান দিয়ে চমকে দেন প্রিন্স। এরপর ‘রাজকুমার’ ও ‘জংলি’ সিনেমার জন্য গান করেছেন।
সিনেমার গান থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ফেসবুকে প্রিন্স মাহমুদ লিখেছেন, ‘অনেক সিনেমার কাজ ফিরিয়ে দিয়েছি। কারণ, সিনেমায় আমার নতুন কিছু দেওয়ার নাই। যে যা-ই বলুন, সিনেমার গান আসলে নায়ক-পরিচালকের গান হয়, আমার গান হয় না। অকারণ ক্রেডিট নেওয়ার কোনো মানে হয় না।’
প্রিন্স মাহমুদ আরও লেখেন, ‘আমি সিনেমার কাজ এনজয় করছি না। প্রতিটি গান ভালো করার একটা মানসিক চাপ থাকে। তবে সিনেমার গান করতে গিয়ে অনেক সম্মান পেয়েছি, সর্বোচ্চ প্রচার পেয়েছি। এটাও আমার জন্য চাপ। আমি অডিওর গানে থাকব, যেখানে জেমসের গাওয়া “মা”, “বাবা”, “বাংলাদেশ”; আইয়ুব বাচ্চুর “বেলা শেষে ফিরে এসে”, “বারো মাস তোমায় ভালোবাসি”; হাসানের “এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়”; শাফিন আহমেদের “আজ জন্মদিন তোমার”; খালিদের “যদি হিমালয় হয়ে”; মাহাদির “তুমি বরুণা হলে”; রুমির “মাটি হব মাটি”; তাহসানের “আমার ছিপ নৌকোয় এসো”; তপু-ন্যান্সির “ভুবন ডাঙার হাসি”; তানজির তুহীনের “আলো”, “অনাগত”; এলিটার “কবি” বা মিনারের গাওয়া “একাকিত্বের কোনো মানে নেই”-এর মতো গান হবে, যে গান আমার গান হবে।’
প্রিন্স মাহমুদের এমন পোস্টের পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই জানতে চেয়েছেন, কেন তিনি সিনেমার গান ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? জবাবে প্রিন্স মাহমুদ লেখেন, ‘অডিওর গানই আমাকে প্রিন্স মাহমুদ বানিয়েছে, এমন জায়গায় এনেছে—এ কথা ভুলি কী করে! অডিওর গান যদি না চলে, তাহলে অনেক কিছুই নষ্ট হবে। আমাদেরকে সেই গান বানাতে হবে, যে গান মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। একটু কম চলুক বা আস্তে আস্তে পৌঁছাক, তবুও করে যেতে হবে। কোনো কিছু চলছে দেখে কনফিউজড হওয়া যাবে না। নিজের ওপর বিশ্বাস থাকতে এবং রাখতে হবে। নিজের ভালো লাগা গান করতে হবে। অর্ডারি কাজ চাইলেই করতে পারি, কিন্তু এখন আত্মা যেটা চায় সেটা করতে হবে।’

সিনেমার জন্য আর গান বানাবেন না প্রিন্স মাহমুদ। জনপ্রিয় এই গীতিকার ও সুরকারের এমন ঘোষণার পর চলছে নানা আলোচনা। অনেকেই মনে করছেন, কোনো অভিমান থেকেই হয়তো সিনেমা থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত তাঁর। তবে প্রিন্স মাহমুদ জানালেন, কোনো অভিমান নয়, অডিও গানে আরও বেশি মনোযোগ দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
আজকের পত্রিকাকে প্রিন্স মাহমুদ বলেন, ‘সিনেমার গান না করার বিষয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। অনেক নিউজ হচ্ছে। আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে। আমি কিন্তু ফেসবুকে লিখেছি, সিনেমার গান করে অনেক সম্মান পেয়েছি, যেটা অনেকেই পায়নি। সিনেমার গান নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে অডিও গানে যে মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন, সেটা দিতে পারছি না। এটাই হচ্ছে আমার সিদ্ধান্তের মূল কারণ।’
প্রিন্স মাহমুদ জানান, তাঁর হাতে এখন দু্টি সিনেমার সংগীতের কাজ আছে। আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদ সেই কাজ শেষ বলে আশা করছেন তিনি। এরপর পুরোপুরি মনোযোগ দিতে চান অডিও গানে।
বাংলা ব্যান্ড ও আধুনিক অনেক জনপ্রিয় গানের সঙ্গে নাম জড়িয়ে আছে প্রিন্স মাহমুদের। এই তালিকায় আছে ‘মা’, ‘বাবা’, ‘বাংলাদেশ’, ‘আজ জন্মদিন তোমার’, ‘এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়’, ‘এত দিন পরে প্রশ্ন জাগে’সহ জনপ্রিয় অনেক গান।
সিনেমার গানেও কম জনপ্রিয় নন প্রিন্স মাহমুদ। দুই বছর আগে শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’ সিনেমায় ‘ঈশ্বর’ গান দিয়ে চমকে দেন প্রিন্স। এরপর ‘রাজকুমার’ ও ‘জংলি’ সিনেমার জন্য গান করেছেন।
সিনেমার গান থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ফেসবুকে প্রিন্স মাহমুদ লিখেছেন, ‘অনেক সিনেমার কাজ ফিরিয়ে দিয়েছি। কারণ, সিনেমায় আমার নতুন কিছু দেওয়ার নাই। যে যা-ই বলুন, সিনেমার গান আসলে নায়ক-পরিচালকের গান হয়, আমার গান হয় না। অকারণ ক্রেডিট নেওয়ার কোনো মানে হয় না।’
প্রিন্স মাহমুদ আরও লেখেন, ‘আমি সিনেমার কাজ এনজয় করছি না। প্রতিটি গান ভালো করার একটা মানসিক চাপ থাকে। তবে সিনেমার গান করতে গিয়ে অনেক সম্মান পেয়েছি, সর্বোচ্চ প্রচার পেয়েছি। এটাও আমার জন্য চাপ। আমি অডিওর গানে থাকব, যেখানে জেমসের গাওয়া “মা”, “বাবা”, “বাংলাদেশ”; আইয়ুব বাচ্চুর “বেলা শেষে ফিরে এসে”, “বারো মাস তোমায় ভালোবাসি”; হাসানের “এত কষ্ট কেন ভালোবাসায়”; শাফিন আহমেদের “আজ জন্মদিন তোমার”; খালিদের “যদি হিমালয় হয়ে”; মাহাদির “তুমি বরুণা হলে”; রুমির “মাটি হব মাটি”; তাহসানের “আমার ছিপ নৌকোয় এসো”; তপু-ন্যান্সির “ভুবন ডাঙার হাসি”; তানজির তুহীনের “আলো”, “অনাগত”; এলিটার “কবি” বা মিনারের গাওয়া “একাকিত্বের কোনো মানে নেই”-এর মতো গান হবে, যে গান আমার গান হবে।’
প্রিন্স মাহমুদের এমন পোস্টের পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই জানতে চেয়েছেন, কেন তিনি সিনেমার গান ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? জবাবে প্রিন্স মাহমুদ লেখেন, ‘অডিওর গানই আমাকে প্রিন্স মাহমুদ বানিয়েছে, এমন জায়গায় এনেছে—এ কথা ভুলি কী করে! অডিওর গান যদি না চলে, তাহলে অনেক কিছুই নষ্ট হবে। আমাদেরকে সেই গান বানাতে হবে, যে গান মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। একটু কম চলুক বা আস্তে আস্তে পৌঁছাক, তবুও করে যেতে হবে। কোনো কিছু চলছে দেখে কনফিউজড হওয়া যাবে না। নিজের ওপর বিশ্বাস থাকতে এবং রাখতে হবে। নিজের ভালো লাগা গান করতে হবে। অর্ডারি কাজ চাইলেই করতে পারি, কিন্তু এখন আত্মা যেটা চায় সেটা করতে হবে।’

প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরা এখন কনসার্ট নিয়েই ব্যস্ত থাকেন বেশি। নতুন গান প্রকাশ থেকে অনেকেই সরে এসেছেন। তবে ব্যতিক্রম ফাহমিদা নবী। নিয়মিতই গান প্রকাশ করছেন তিনি। সম্প্রতি ফাহমিদা নবী নতুন তিনটি গান রেকর্ড করেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশি সিনেমার ক্ষেত্রে নকলের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। সিনেমার গল্প থেকে শুরু করে পোস্টার, অভিনয়শিল্পীদের লুক, অ্যাকশন ও ভায়োলেন্সের দৃশ্য অনুকরণের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। এ নিয়ে সমালোচনাও চলে বিস্তর। গত মাসে ‘রাক্ষস’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পরও উঠেছিল নকলের অভিযোগ।
১০ ঘণ্টা আগে
এ আর রাহমানের জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে। ভারতীয় চলচ্চিত্র তো বটেই, হলিউডেও রয়েছে তাঁর চাহিদা। ভারতের অন্যতম ব্যস্ত সংগীত পরিচালক তিনি। বর্তমানে ১৫টির বেশি সিনেমার সংগীতের কাজ রয়েছে রাহমানের হাতে।
১০ ঘণ্টা আগে
চার বছর পর আবারও বিশ্বসংগীতের দুনিয়ায় পা রাখছে বিটিএস। দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় এই ব্যান্ডের সাত সদস্য ছিলেন বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণে। গত বছরের জুন নাগাদ সবাই ফিরে আসেন প্রশিক্ষণ থেকে। বিটিএসের সাত সদস্য—আর এম, জিন, জে হোপ, জিমিন, ভি, জাংকুক, সুগা; মিলিত হন তিন বছর পর।
১০ ঘণ্টা আগে