
অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র পরিচালক হিউ হাডসন মারা গেছেন। ‘চ্যারিয়টস অব ফায়ার’খ্যাত নির্মাতার মৃত্যুর খবরটি তাঁর পরিবারের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
হাডসনের পরিবারের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হিউ হাডসন, প্রিয় স্বামী ও পিতা, অসুস্থতার পর চ্যারিং ক্রস হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি।’
জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন হাডসন। গত শুক্রবার লন্ডনের চ্যারিং ক্রস হাসপাতালে মৃত্যু হয় ব্রিটিশ এই পরিচালকের।
১৯৩৬ সালের ২৫ আগস্ট লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন হিউ হাডসন। বিজ্ঞাপন পরিচালনার মাধ্যমে তিনি নির্মাণকাজ শুরু করেন। কর্মজীবনের প্রথম দিকে ফ্রান্সে তথ্যচিত্র সম্পাদনার কাজ করতেন তিনি। সেখানে আড়াই বছরের অধিক সময় সম্পাদনার কাজ করার পর তিনি ও তাঁর দুই সহকর্মী মিলে একটি তথ্যচিত্র সংস্থা শুরু করেন।
সেই সংস্থার প্রযোজনাতেই তৈরি হয় ‘এ ফর অ্যাপল’, ‘দ্য টর্টয়েজ অ্যান্ড দ্য হেয়ার’-এর মতো এসজিএ (স্ক্রিনরাইটার্স গিল্ড অ্যাওয়ার্ড) জয়ী ও বাফটা (ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস) মনোনীত তথ্যচিত্র।
১৯৭৯–৮০ সাল নাগাদ প্রায় এক বছর ধরে ‘চ্যারিয়টস অব ফায়ার’ সিনেমা তৈরি করেন হিউ হাডসন। দুজন ব্রিটিশ অ্যাথলেটের অলিম্পিক জার্নির গল্পের ওপর ভিত্তি তৈরি হয়েছিল এই ছবির চিত্রনাট্য। ১৯৮১ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবি মনোনীত হয়েছিল অস্কারের একাধিক বিভাগে। জিতেছিল সেরা ছবি ও সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার। ‘চ্যারিয়টস অব ফায়ার’ ছাড়াও ‘গ্রেস্টোক: দ্য লিজেন্ড অব টারজান’, ‘লর্ড অব দ্য অ্যাপস’ ছবিরও পরিচালনা করেন হিউ হাডসন।
হাডসনের অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘মাই লাইফ সো ফার’ (১৯৯৯) এবং ‘আই ড্রিমড অব আফ্রিকা’ (২০০০)। সর্বশেষ গত বছরের ‘অ্যাডভেঞ্চার দ্য টাইগারস নেস্ট’-এর চিত্রনাট্যের কাজ করেছিলেন তিনি।

অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র পরিচালক হিউ হাডসন মারা গেছেন। ‘চ্যারিয়টস অব ফায়ার’খ্যাত নির্মাতার মৃত্যুর খবরটি তাঁর পরিবারের বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
হাডসনের পরিবারের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হিউ হাডসন, প্রিয় স্বামী ও পিতা, অসুস্থতার পর চ্যারিং ক্রস হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি।’
জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন হাডসন। গত শুক্রবার লন্ডনের চ্যারিং ক্রস হাসপাতালে মৃত্যু হয় ব্রিটিশ এই পরিচালকের।
১৯৩৬ সালের ২৫ আগস্ট লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন হিউ হাডসন। বিজ্ঞাপন পরিচালনার মাধ্যমে তিনি নির্মাণকাজ শুরু করেন। কর্মজীবনের প্রথম দিকে ফ্রান্সে তথ্যচিত্র সম্পাদনার কাজ করতেন তিনি। সেখানে আড়াই বছরের অধিক সময় সম্পাদনার কাজ করার পর তিনি ও তাঁর দুই সহকর্মী মিলে একটি তথ্যচিত্র সংস্থা শুরু করেন।
সেই সংস্থার প্রযোজনাতেই তৈরি হয় ‘এ ফর অ্যাপল’, ‘দ্য টর্টয়েজ অ্যান্ড দ্য হেয়ার’-এর মতো এসজিএ (স্ক্রিনরাইটার্স গিল্ড অ্যাওয়ার্ড) জয়ী ও বাফটা (ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস) মনোনীত তথ্যচিত্র।
১৯৭৯–৮০ সাল নাগাদ প্রায় এক বছর ধরে ‘চ্যারিয়টস অব ফায়ার’ সিনেমা তৈরি করেন হিউ হাডসন। দুজন ব্রিটিশ অ্যাথলেটের অলিম্পিক জার্নির গল্পের ওপর ভিত্তি তৈরি হয়েছিল এই ছবির চিত্রনাট্য। ১৯৮১ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবি মনোনীত হয়েছিল অস্কারের একাধিক বিভাগে। জিতেছিল সেরা ছবি ও সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার। ‘চ্যারিয়টস অব ফায়ার’ ছাড়াও ‘গ্রেস্টোক: দ্য লিজেন্ড অব টারজান’, ‘লর্ড অব দ্য অ্যাপস’ ছবিরও পরিচালনা করেন হিউ হাডসন।
হাডসনের অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘মাই লাইফ সো ফার’ (১৯৯৯) এবং ‘আই ড্রিমড অব আফ্রিকা’ (২০০০)। সর্বশেষ গত বছরের ‘অ্যাডভেঞ্চার দ্য টাইগারস নেস্ট’-এর চিত্রনাট্যের কাজ করেছিলেন তিনি।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৬ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৭ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৭ ঘণ্টা আগে