
ঢাকা: ডব্লিউডব্লিউইর চেনামুখ জন সিনা। বিশ্বব্যাপী অগণিত ভক্ত রয়েছে এই সুপারস্টার কুস্তিগিরের। শুধু মার্কিন কুস্তিগিরই নন, জন সিনা একজন অভিনেতা, র্যাপ গায়ক, সফল টিভি ভাষ্যকারও। ‘ফার্স্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’–এর নবম কিস্তিতে অভিনয় করেছেন এই রেসলার। ছবিটি এরইমধ্যে বক্সঅফিসে আলোড়ন তুলেছে।
একটা সময় গৃহহীন ছিলেন জন সিনা। খ্যাতি পাওয়ার আগে দীর্ঘদিন গাড়িতে ঘুমাতে হয়েছে তাঁকে। গাড়িতেই রাখতেন তাঁর পোশাক। পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করে পরিষ্কার হতেন এমন খবরই জানিয়েছেন ইংরেজি দৈনিক দ্য সানকে। সেটা ১৯৯১ সালের ঘটনা। ওই সময় সিনা একটা জিমেও কাজ করতেন। কিন্তু সেখান থেকে যে আয় হতো, বাড়ি ভাড়া নেওয়ার জন্য সেটা যথেষ্ট ছিল না।
বহু প্রতিভার অধিকারী জন সিনা ‘সিনাটিয়ন লিডার’, ‘দ্য চেন গ্যাং সোলজার’ কিংবা ‘দ্য চ্যাম্প’ নামেও পরিচিত। জন সিনার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট নিউবেরিতে। পুরো নাম জন ফেলিক্স অ্যান্টনি সিনা জুনিয়র। ১৯৯৮ সালে স্প্রিংফিল্ড কলেজ থেকে ফিজিওলজি নিয়ে স্নাতক হন তিনি। পরবর্তীকালে পেশাদার বডি বিল্ডিংয়ে যোগ দেন।
১৯৯৯ সালে পেশাদার রেসলিং শুরু করেন তিনি। আল্টিমেট প্রো রেসলিংয়ে হাতেখড়ি হয় তাঁর। ২০০০ সালে যোগ দেন ডব্লিউডব্লিউইতে। পাঁচবার মার্কিন চ্যাম্পিয়ন, চারবার বিশ্ব ট্যাগ চ্যাম্পিয়ন ও ১৬ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব জেতেন সিনা।
রেসলিংয়ের পাশাপাশি অভিনেতা হিসেবেও সিনার সুনাম চারিদিকে। বহু হলিউড ছবিতে অভিনয় করেছেন। যেমন ‘দ্য মেরিন’, ‘ট্রেনরেক’, ‘ফার্দানান্দ’, ‘বাম্বলবি’ ইত্যাদি। একই সঙ্গে র্যাপ গায়কও তিনি। ২০০৫ সালে গানের অ্যালবাম প্রকাশ করেন সিনা, যা প্ল্যাটিনাম হিট হয়।
কিন্তু ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে বাবার সাহায্য পাননি সিনা। বাবা কখনই চাইতেন না ছেলে একজন রেসলার হোক। তিনি বলেছিলেন, ওই পেশায় তুমি দুই সপ্তাহও টিকে থাকতে পারবে না। সিনা বলেন, ‘বাবার এ কথাগুলো আমাকে এতই পীড়া দিত যে, আমি নীরবে কাঁদতাম বাবা আমার পাশে নেই ভেবে।’

ঢাকা: ডব্লিউডব্লিউইর চেনামুখ জন সিনা। বিশ্বব্যাপী অগণিত ভক্ত রয়েছে এই সুপারস্টার কুস্তিগিরের। শুধু মার্কিন কুস্তিগিরই নন, জন সিনা একজন অভিনেতা, র্যাপ গায়ক, সফল টিভি ভাষ্যকারও। ‘ফার্স্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’–এর নবম কিস্তিতে অভিনয় করেছেন এই রেসলার। ছবিটি এরইমধ্যে বক্সঅফিসে আলোড়ন তুলেছে।
একটা সময় গৃহহীন ছিলেন জন সিনা। খ্যাতি পাওয়ার আগে দীর্ঘদিন গাড়িতে ঘুমাতে হয়েছে তাঁকে। গাড়িতেই রাখতেন তাঁর পোশাক। পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করে পরিষ্কার হতেন এমন খবরই জানিয়েছেন ইংরেজি দৈনিক দ্য সানকে। সেটা ১৯৯১ সালের ঘটনা। ওই সময় সিনা একটা জিমেও কাজ করতেন। কিন্তু সেখান থেকে যে আয় হতো, বাড়ি ভাড়া নেওয়ার জন্য সেটা যথেষ্ট ছিল না।
বহু প্রতিভার অধিকারী জন সিনা ‘সিনাটিয়ন লিডার’, ‘দ্য চেন গ্যাং সোলজার’ কিংবা ‘দ্য চ্যাম্প’ নামেও পরিচিত। জন সিনার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট নিউবেরিতে। পুরো নাম জন ফেলিক্স অ্যান্টনি সিনা জুনিয়র। ১৯৯৮ সালে স্প্রিংফিল্ড কলেজ থেকে ফিজিওলজি নিয়ে স্নাতক হন তিনি। পরবর্তীকালে পেশাদার বডি বিল্ডিংয়ে যোগ দেন।
১৯৯৯ সালে পেশাদার রেসলিং শুরু করেন তিনি। আল্টিমেট প্রো রেসলিংয়ে হাতেখড়ি হয় তাঁর। ২০০০ সালে যোগ দেন ডব্লিউডব্লিউইতে। পাঁচবার মার্কিন চ্যাম্পিয়ন, চারবার বিশ্ব ট্যাগ চ্যাম্পিয়ন ও ১৬ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব জেতেন সিনা।
রেসলিংয়ের পাশাপাশি অভিনেতা হিসেবেও সিনার সুনাম চারিদিকে। বহু হলিউড ছবিতে অভিনয় করেছেন। যেমন ‘দ্য মেরিন’, ‘ট্রেনরেক’, ‘ফার্দানান্দ’, ‘বাম্বলবি’ ইত্যাদি। একই সঙ্গে র্যাপ গায়কও তিনি। ২০০৫ সালে গানের অ্যালবাম প্রকাশ করেন সিনা, যা প্ল্যাটিনাম হিট হয়।
কিন্তু ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে বাবার সাহায্য পাননি সিনা। বাবা কখনই চাইতেন না ছেলে একজন রেসলার হোক। তিনি বলেছিলেন, ওই পেশায় তুমি দুই সপ্তাহও টিকে থাকতে পারবে না। সিনা বলেন, ‘বাবার এ কথাগুলো আমাকে এতই পীড়া দিত যে, আমি নীরবে কাঁদতাম বাবা আমার পাশে নেই ভেবে।’

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১৪ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৫ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১৫ ঘণ্টা আগে