
ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পেয়েছে হলিউডের এ সময়ের অন্যতম আলোচিত সিনেমা ‘থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’। ৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তি পায় সিনেমাটি। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পেয়েছে মার্ভেল ভক্তদের কাঙ্খিত এ সিনেমা। দর্শকদের ঈদ বিনোদনে এটি বাড়তি মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। টিকেটের জন্য দর্শকদের দীর্ঘ লাইনও লক্ষ্য করা গেছে। অনলাইনে এবং কাউন্টারে প্রচুর দর্শক টিকেটের জন্য রীতিমত হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন বলে জানান স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।
মার্ভেল ভক্তদের সময়টা ইদানিং ভালোই যাচ্ছে। একের পর এক সিরিজ আর সিনেমায় ভরপুর সুপারহিরোর জগৎ আলোড়িত করছে তাদের। সেই পালে হাওয়া দিতে এসেছে ‘থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’। গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সির সঙ্গে মহাকাশে পাড়ি জমানোর পর অনেক দিন ধরেই নিখোঁজ থর। শেষ দেখা মিলেছিল অ্যাভেঞ্জারসদের সঙ্গে মিলে থানোসকে হারানোর সময়। নিজের নগরী এজগার্ডের দায়িত্ব ভ্যালকায়রির হাতে সঁপে এক প্রকার অবসরেই চলে গেছে ওডিনপুত্র। কিন্তু ট্রেলারে দেখা গেছে, অবসর নিলেও বসে নেই থর। বাঁচিয়ে চলেছে নানা গ্রহকে। চমক হিসেবে আট বছর পর ফিরে এসেছে থরের বান্ধবী জেইন। রহস্যময়ভাবে থরের হাতুড়ি আর শক্তি দুটোই আছে তার কাছে। সেই রহস্য উদ্ঘাটনের ফাঁকেই হাজির সুপারভিলেন গর দ্য গড বুচার, যার মূল লক্ষ্য থরসহ সব দেবতাকে ধ্বংস করা। চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন সবার প্রিয় ব্যাটম্যানখ্যাত অভিনেতা ক্রিস্টিয়ান বেল। এ ছাড়া থরের চরিত্রে ক্রিস হেমসওয়ার্থ তো থাকছেনই।
বেশকিছু নতুন অনুষঙ্গ যুক্ত হয়েছে এই সিনেমায়। নর্স পুরাণের বজ্র দেবতার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে অন্যান্য জগতের নানা মানুষ ও গল্প। টাইকা ওয়াইটিটি পরিচালিত সিনেমাটির টিজার থেকে বেশকিছু বিষয় আগ্রহী দর্শকের চোখে পড়বে। গানস অ্যান্ড রোজেসের ‘সুইট চাইল্ড ও মাইন’ গানের মিউজিক দিয়ে শুরু হয় থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার-এর টিজার। গল্পটি অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম-এর পর থেকে শুরু হয়। থর এখানে গার্ডিয়ান অব দ্য গ্যালাক্সির সদস্যদের নিয়ে নতুন বাসভূমির সন্ধানে যাচ্ছেন। কৌতূহলের বিষয় হলো থরকে আত্মানুসন্ধানের মধ্য দিয়ে যেতে দেখা যায়। থরের কণ্ঠে শোনা যায়, ‘এ হাত দুটো এক সময় যুদ্ধে ব্যবহৃত হতো কিন্তু এখন শান্তির জন্য কাজ করবে।’ কিন্তু শান্তির আদৌ কোনো সুযোগ আছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ। অ্যাসগার্ডিয়ান এবং গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সির সদস্যদের নিয়ে নতুন প্রতিকূলতার মুখে পড়ছেন থর। সিনেমায় পিটার কুইলের চরিত্রে থাকছেন ক্রিস প্যাট, জিউসের চরিত্রে রাসেল ক্রো, ভ্যালকারিন হিসেবে টেসা থম্পসন। বিরতি দিয়ে মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে ফিরেছেন নাটালি পোর্টম্যান। গল্পটিতে জেন ফস্টারকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ২০১১ সালে কেনেথ ব্রানা পরিচালিত থরে নাটালি এ চরিত্রটি করেছিলেন। পরবর্তী সিনেমাগুলোয় জেন ফস্টারের উপস্থিতি ছিল না। এবারের ছবিতে জেন ফস্টার শক্তিশালী এক চরিত্র হয়ে ফিরছে। এই মুহুর্তে আলোচনার তুঙ্গে আছে প্রেম ও প্রলয়ের সিনেমাটি । থর এবং তার সঙ্গী সাথীদের জন্য মহাকাশের দুধর্ষ অভিযান কেমন হয়, তাই দেখার অপেক্ষায় দর্শকেরা।

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পেয়েছে হলিউডের এ সময়ের অন্যতম আলোচিত সিনেমা ‘থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’। ৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তি পায় সিনেমাটি। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পেয়েছে মার্ভেল ভক্তদের কাঙ্খিত এ সিনেমা। দর্শকদের ঈদ বিনোদনে এটি বাড়তি মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। টিকেটের জন্য দর্শকদের দীর্ঘ লাইনও লক্ষ্য করা গেছে। অনলাইনে এবং কাউন্টারে প্রচুর দর্শক টিকেটের জন্য রীতিমত হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন বলে জানান স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।
মার্ভেল ভক্তদের সময়টা ইদানিং ভালোই যাচ্ছে। একের পর এক সিরিজ আর সিনেমায় ভরপুর সুপারহিরোর জগৎ আলোড়িত করছে তাদের। সেই পালে হাওয়া দিতে এসেছে ‘থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’। গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সির সঙ্গে মহাকাশে পাড়ি জমানোর পর অনেক দিন ধরেই নিখোঁজ থর। শেষ দেখা মিলেছিল অ্যাভেঞ্জারসদের সঙ্গে মিলে থানোসকে হারানোর সময়। নিজের নগরী এজগার্ডের দায়িত্ব ভ্যালকায়রির হাতে সঁপে এক প্রকার অবসরেই চলে গেছে ওডিনপুত্র। কিন্তু ট্রেলারে দেখা গেছে, অবসর নিলেও বসে নেই থর। বাঁচিয়ে চলেছে নানা গ্রহকে। চমক হিসেবে আট বছর পর ফিরে এসেছে থরের বান্ধবী জেইন। রহস্যময়ভাবে থরের হাতুড়ি আর শক্তি দুটোই আছে তার কাছে। সেই রহস্য উদ্ঘাটনের ফাঁকেই হাজির সুপারভিলেন গর দ্য গড বুচার, যার মূল লক্ষ্য থরসহ সব দেবতাকে ধ্বংস করা। চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন সবার প্রিয় ব্যাটম্যানখ্যাত অভিনেতা ক্রিস্টিয়ান বেল। এ ছাড়া থরের চরিত্রে ক্রিস হেমসওয়ার্থ তো থাকছেনই।
বেশকিছু নতুন অনুষঙ্গ যুক্ত হয়েছে এই সিনেমায়। নর্স পুরাণের বজ্র দেবতার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে অন্যান্য জগতের নানা মানুষ ও গল্প। টাইকা ওয়াইটিটি পরিচালিত সিনেমাটির টিজার থেকে বেশকিছু বিষয় আগ্রহী দর্শকের চোখে পড়বে। গানস অ্যান্ড রোজেসের ‘সুইট চাইল্ড ও মাইন’ গানের মিউজিক দিয়ে শুরু হয় থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার-এর টিজার। গল্পটি অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম-এর পর থেকে শুরু হয়। থর এখানে গার্ডিয়ান অব দ্য গ্যালাক্সির সদস্যদের নিয়ে নতুন বাসভূমির সন্ধানে যাচ্ছেন। কৌতূহলের বিষয় হলো থরকে আত্মানুসন্ধানের মধ্য দিয়ে যেতে দেখা যায়। থরের কণ্ঠে শোনা যায়, ‘এ হাত দুটো এক সময় যুদ্ধে ব্যবহৃত হতো কিন্তু এখন শান্তির জন্য কাজ করবে।’ কিন্তু শান্তির আদৌ কোনো সুযোগ আছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ। অ্যাসগার্ডিয়ান এবং গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সির সদস্যদের নিয়ে নতুন প্রতিকূলতার মুখে পড়ছেন থর। সিনেমায় পিটার কুইলের চরিত্রে থাকছেন ক্রিস প্যাট, জিউসের চরিত্রে রাসেল ক্রো, ভ্যালকারিন হিসেবে টেসা থম্পসন। বিরতি দিয়ে মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে ফিরেছেন নাটালি পোর্টম্যান। গল্পটিতে জেন ফস্টারকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ২০১১ সালে কেনেথ ব্রানা পরিচালিত থরে নাটালি এ চরিত্রটি করেছিলেন। পরবর্তী সিনেমাগুলোয় জেন ফস্টারের উপস্থিতি ছিল না। এবারের ছবিতে জেন ফস্টার শক্তিশালী এক চরিত্র হয়ে ফিরছে। এই মুহুর্তে আলোচনার তুঙ্গে আছে প্রেম ও প্রলয়ের সিনেমাটি । থর এবং তার সঙ্গী সাথীদের জন্য মহাকাশের দুধর্ষ অভিযান কেমন হয়, তাই দেখার অপেক্ষায় দর্শকেরা।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১২ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১৩ ঘণ্টা আগে