
ঢাকা: সংগীত তারকা লেডি গাগার বয়স তখন মাত্র ১৯। পৃথিবীর কঠিন বাস্তবতা তখনো ছোঁয়নি তাঁকে। গান নিয়েই স্বপ্ন। গানকে ঘিরেই সমস্ত প্রচেষ্টা। ওই বয়সেই এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে, যেটা সারা জীবন লেডি গাগাকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে।
তখন নিজের কিছু গান রেকর্ড করছিলেন গাগা। একজন পরিচিত প্রযোজক ছিলেন। তাঁর স্টুডিওতে কাজের জন্য মাঝেমধ্যেই যেতে হতো গাগাকে। একদিনের ঘটনা। স্টুডিওতে গাগা। প্রযোজকও আছেন। কাজের ফাঁকে হঠাৎ তিনি গাগাকে এমন এক কথা বলে বসলেন, যেটা শুনে প্রথমে নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে পারেননি শিল্পী। তাঁকে কাপড় খুলে নগ্ন হতে বলেন প্রযোজক!

সামলে উঠতে কয়েক মুহূর্ত লাগল লেডি গাগার। তারপর তিনি ‘না’ বলে স্টুডিও থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলেন। প্রযোজক হুমকি দিলেন গাগার সব গানের রেকর্ড নষ্ট করে ফেলার।
ঘটনা এখানেই শেষ নয়। ওই স্টুডিওতে নির্মমভাবে তাঁকে ধর্ষণ করেন প্রযোজক। ১৯ বছরের একটা মেয়ে। গান গাইতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখে পড়বেন, কল্পনায়ও আসেনি কখনো। কয়েক মাস ঘর থেকে বের হতে পারেননি গাগা। সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়েন। ক্রমেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

ওই সময়ের স্মৃতি সম্প্রতি সামনে এনেছেন সংগীত তারকা লেডি গাগা। প্রিন্স হ্যারি ও অপরাহ উইনফ্রের প্রযোজনা ও উপস্থাপনায় ‘দ্য মি ইউ কান্ট সি’ নামে একটি নতুন শো শুরু হয়েছে। অ্যাপল প্লাস টিভিতে প্রচার হয় শোটি। সেখানে অস্কার ও গ্র্যামিজয়ী লেডি গাগা জীবনের এ কঠিন সময় নিয়ে কথা বলেন।
গাগা বলেন, ‘তিনি আমাকে ধর্ষণ করে ঘরের এক কোনায় ফেলে চলে যান। কারণ আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। বমি হচ্ছিল। এ ঘটনায় আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। বেশ কয়েক বছর ধরে আমার চিকিৎসা চলে।’

ওই প্রযোজকের নাম মুখে আনেননি গাগা। বলেন, ‘সারা জীবন আমি তাঁর চেহারা দেখতে চাই না। দীর্ঘ সময় আমি নিজের শরীরকে ঘৃণা করেছি। এই ট্রমা কাটিয়ে উঠতে আমার অনেক সময় লেগেছে।’
দীর্ঘদিন এ মানসিক যন্ত্রণায় ভুগে একপর্যায়ে তিনি ফিরে আসেন। নতুন শক্তি নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান। গানকেই আঁকড়ে থাকেন। তারপর তো বাদবাকি ইতিহাস। লেডি গাগা হয়ে ওঠেন তারকাশিল্পী। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে তাঁর নামডাক। লেডি গাগার ভাষায়, ‘ওই ঘটনা আমি আর কখনোই মনে করতে চাই না। এটাও চাই না, এ নিয়ে আমাকে কোনো প্রশ্ন করা হোক। সবাইকে কেবল একটা কথাই জানাতে চাই, এমন জঘন্য ঘটনার পরেও জীবন শেষ হয়ে যায় না। জীবনের কাছ থেকে তখনো অনেক উপহার পাওয়া বাকি।’
নিজের জীবন দিয়ে উপলব্ধি করেছেন বলেই আরও যাঁরা মানসিক কষ্টে ভোগেন, তাঁদের জন্য সব সময় কিছু করতে চেয়েছেন লেডি গাগা। তাই ২০১২ সালে তৈরি করেন ‘বর্ন দিজ ওয়ে’ নামে একটি সংস্থা। বিভিন্ন মানসিক জটিলতায় ভুগছেন যাঁরা, তাঁদের সহায়তা করে লেডি গাগার এই সংগঠন।

ঢাকা: সংগীত তারকা লেডি গাগার বয়স তখন মাত্র ১৯। পৃথিবীর কঠিন বাস্তবতা তখনো ছোঁয়নি তাঁকে। গান নিয়েই স্বপ্ন। গানকে ঘিরেই সমস্ত প্রচেষ্টা। ওই বয়সেই এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে, যেটা সারা জীবন লেডি গাগাকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে।
তখন নিজের কিছু গান রেকর্ড করছিলেন গাগা। একজন পরিচিত প্রযোজক ছিলেন। তাঁর স্টুডিওতে কাজের জন্য মাঝেমধ্যেই যেতে হতো গাগাকে। একদিনের ঘটনা। স্টুডিওতে গাগা। প্রযোজকও আছেন। কাজের ফাঁকে হঠাৎ তিনি গাগাকে এমন এক কথা বলে বসলেন, যেটা শুনে প্রথমে নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে পারেননি শিল্পী। তাঁকে কাপড় খুলে নগ্ন হতে বলেন প্রযোজক!

সামলে উঠতে কয়েক মুহূর্ত লাগল লেডি গাগার। তারপর তিনি ‘না’ বলে স্টুডিও থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলেন। প্রযোজক হুমকি দিলেন গাগার সব গানের রেকর্ড নষ্ট করে ফেলার।
ঘটনা এখানেই শেষ নয়। ওই স্টুডিওতে নির্মমভাবে তাঁকে ধর্ষণ করেন প্রযোজক। ১৯ বছরের একটা মেয়ে। গান গাইতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখে পড়বেন, কল্পনায়ও আসেনি কখনো। কয়েক মাস ঘর থেকে বের হতে পারেননি গাগা। সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়েন। ক্রমেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

ওই সময়ের স্মৃতি সম্প্রতি সামনে এনেছেন সংগীত তারকা লেডি গাগা। প্রিন্স হ্যারি ও অপরাহ উইনফ্রের প্রযোজনা ও উপস্থাপনায় ‘দ্য মি ইউ কান্ট সি’ নামে একটি নতুন শো শুরু হয়েছে। অ্যাপল প্লাস টিভিতে প্রচার হয় শোটি। সেখানে অস্কার ও গ্র্যামিজয়ী লেডি গাগা জীবনের এ কঠিন সময় নিয়ে কথা বলেন।
গাগা বলেন, ‘তিনি আমাকে ধর্ষণ করে ঘরের এক কোনায় ফেলে চলে যান। কারণ আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। বমি হচ্ছিল। এ ঘটনায় আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। বেশ কয়েক বছর ধরে আমার চিকিৎসা চলে।’

ওই প্রযোজকের নাম মুখে আনেননি গাগা। বলেন, ‘সারা জীবন আমি তাঁর চেহারা দেখতে চাই না। দীর্ঘ সময় আমি নিজের শরীরকে ঘৃণা করেছি। এই ট্রমা কাটিয়ে উঠতে আমার অনেক সময় লেগেছে।’
দীর্ঘদিন এ মানসিক যন্ত্রণায় ভুগে একপর্যায়ে তিনি ফিরে আসেন। নতুন শক্তি নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান। গানকেই আঁকড়ে থাকেন। তারপর তো বাদবাকি ইতিহাস। লেডি গাগা হয়ে ওঠেন তারকাশিল্পী। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে তাঁর নামডাক। লেডি গাগার ভাষায়, ‘ওই ঘটনা আমি আর কখনোই মনে করতে চাই না। এটাও চাই না, এ নিয়ে আমাকে কোনো প্রশ্ন করা হোক। সবাইকে কেবল একটা কথাই জানাতে চাই, এমন জঘন্য ঘটনার পরেও জীবন শেষ হয়ে যায় না। জীবনের কাছ থেকে তখনো অনেক উপহার পাওয়া বাকি।’
নিজের জীবন দিয়ে উপলব্ধি করেছেন বলেই আরও যাঁরা মানসিক কষ্টে ভোগেন, তাঁদের জন্য সব সময় কিছু করতে চেয়েছেন লেডি গাগা। তাই ২০১২ সালে তৈরি করেন ‘বর্ন দিজ ওয়ে’ নামে একটি সংস্থা। বিভিন্ন মানসিক জটিলতায় ভুগছেন যাঁরা, তাঁদের সহায়তা করে লেডি গাগার এই সংগঠন।

কয়েকজন তরুণ নাট্যকর্মী নতুন ধারার থিয়েটার নির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে গঠন করেছেন ‘থেসপিয়ানস দ্য ঢাকা’ নামের নতুন নাট্যদল। এ মাসেই ঢাকার মঞ্চে যাত্রা শুরু করবে দলটি। থেসপিয়ানস দ্য ঢাকার প্রথম প্রযোজনার নাম ‘দ্য সি অব সাইলেন্স’। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় রয়েছেন তাজউদ্দিন তাজু।
২০ ঘণ্টা আগে
ফজলু নামের পেনশন অফিসের তৃতীয় শ্রেণির এক অসৎ কর্মচারী এবং তার পরিণতির গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছিল নাটক ‘কাঁটা’। ২০২৪ সালে প্রচারিত হয়েছিল বঙ্গতে। এবার আসছে নাটকটির সিকুয়েল। ১৫ জানুয়ারি বঙ্গতে মুক্তি পাবে রিয়াদ মাহমুদ রচিত ও পরিচালিত ‘কাঁটা ২’।
২০ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
২০ ঘণ্টা আগে
শুরু হয়ে গেছে হলিউডের পুরস্কারের মৌসুম। বছরভর যাঁদের অভিনয় মুগ্ধ করেছে দর্শকদের, এবার তাঁদের পুরস্কৃত করার পালা। গত সপ্তাহে ক্রিটিকস চয়েসের পর গতকাল অনুষ্ঠিত হলো ৮৩তম গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস।
২১ ঘণ্টা আগে