
চলচ্চিত্র পরিচালক-প্রযোজক শফি বিক্রমপুরী মারা গেছেন। ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ বুধবার ভোর ৪টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিচালক সমিতির উপমহাসচিব অপূর্ব রানা।
মৃত্যুর আগে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন শফি বিক্রমপুরী। ব্যাংককে যাওয়ার আগে গেল জুনে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সে সময় শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত চিত্রনায়ক ওমর সানী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অনেক ভালো একজন মানুষকে হারালাম আমরা । তাঁর কোনো সিনেমা আমি করতে পারিনি বলে নিজেকে দুর্ভাগা মনে করছি, তবে তিনি ছিলেন আমার বাবার মতো। আমার পরিবারের যেকোনো বিপদে উনি সব সময় পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমার সহধর্মিণী মৌসুমীকে তিনি মেয়ের আদর দিয়েছেন। তাঁর এই মৃত্যুতে আমার পুরো পরিবার শোকাহত।’
উল্লেখ্য, ১৯৪৩ সালের ৪ জুলাই মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার মত্তগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শফি বিক্রমপুরী। ১৯৪৮ সাল থেকে পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন তিনি।
১৯৬৫ সালে দক্ষিণাঞ্চলের লোকজ প্রেমকাহিনি অবলম্বনে নির্মিত ‘গুনাই বিবি’ সিনেমাটি যৌথ প্রযোজনার মাধ্যমে তিনি প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
১৯৭২ সালে খ্যাতিমান পরিচালক সুভাষ দত্ত পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ এবং শহিদুল হক খান পরিচালিত ‘কলমি লতা’ সিনেমা দুটি যৌথভাবে প্রযোজনা ও পরিবেশনা করেন।
১৯৭৮ সালে সম্পূর্ণ রঙিন সিনেমা ‘রাজদুলারী’র মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে তাঁর অভিষেক ঘটে।
১৯৮৯ সালে ঢাকার মালিবাগে ‘পদ্মা’ ও ‘সুরমা’ নামে দুটি সিনেমা হল নির্মাণ করে প্রদর্শক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন শফি বিক্রমপুরী।
তিনি ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের সিনেমা হল মালিক সমিতির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের সদস্য ছিলেন।
শফি বিক্রমপুরীর প্রযোজনায় নির্মিত ফোক ফ্যান্টাসি জাদুর সিনেমা ‘ডাকু মনসুর’, ‘বাহাদুর’ ও ‘রাজদুলারী’ পরপর সুপারহিট হওয়ায় চলচ্চিত্রাঙ্গনে চমক সৃষ্টি হয়। এরপর তিনি ‘জীবন তৃষ্ণা’, ‘সবুজ সাথী’, ‘সকাল সন্ধ্যা’, ‘মাটির কোলে’, ‘শশীপুন্নু, ‘শান্তি-অশান্তি’, ‘জজ সাহেব’, ‘দেনমোহর’, ‘অবুঝ মনের ভালোবাসা’সহ অনেক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দেন।

চলচ্চিত্র পরিচালক-প্রযোজক শফি বিক্রমপুরী মারা গেছেন। ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ বুধবার ভোর ৪টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিচালক সমিতির উপমহাসচিব অপূর্ব রানা।
মৃত্যুর আগে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন শফি বিক্রমপুরী। ব্যাংককে যাওয়ার আগে গেল জুনে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সে সময় শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত চিত্রনায়ক ওমর সানী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অনেক ভালো একজন মানুষকে হারালাম আমরা । তাঁর কোনো সিনেমা আমি করতে পারিনি বলে নিজেকে দুর্ভাগা মনে করছি, তবে তিনি ছিলেন আমার বাবার মতো। আমার পরিবারের যেকোনো বিপদে উনি সব সময় পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমার সহধর্মিণী মৌসুমীকে তিনি মেয়ের আদর দিয়েছেন। তাঁর এই মৃত্যুতে আমার পুরো পরিবার শোকাহত।’
উল্লেখ্য, ১৯৪৩ সালের ৪ জুলাই মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার মত্তগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শফি বিক্রমপুরী। ১৯৪৮ সাল থেকে পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন তিনি।
১৯৬৫ সালে দক্ষিণাঞ্চলের লোকজ প্রেমকাহিনি অবলম্বনে নির্মিত ‘গুনাই বিবি’ সিনেমাটি যৌথ প্রযোজনার মাধ্যমে তিনি প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
১৯৭২ সালে খ্যাতিমান পরিচালক সুভাষ দত্ত পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ এবং শহিদুল হক খান পরিচালিত ‘কলমি লতা’ সিনেমা দুটি যৌথভাবে প্রযোজনা ও পরিবেশনা করেন।
১৯৭৮ সালে সম্পূর্ণ রঙিন সিনেমা ‘রাজদুলারী’র মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে তাঁর অভিষেক ঘটে।
১৯৮৯ সালে ঢাকার মালিবাগে ‘পদ্মা’ ও ‘সুরমা’ নামে দুটি সিনেমা হল নির্মাণ করে প্রদর্শক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন শফি বিক্রমপুরী।
তিনি ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের সিনেমা হল মালিক সমিতির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের সদস্য ছিলেন।
শফি বিক্রমপুরীর প্রযোজনায় নির্মিত ফোক ফ্যান্টাসি জাদুর সিনেমা ‘ডাকু মনসুর’, ‘বাহাদুর’ ও ‘রাজদুলারী’ পরপর সুপারহিট হওয়ায় চলচ্চিত্রাঙ্গনে চমক সৃষ্টি হয়। এরপর তিনি ‘জীবন তৃষ্ণা’, ‘সবুজ সাথী’, ‘সকাল সন্ধ্যা’, ‘মাটির কোলে’, ‘শশীপুন্নু, ‘শান্তি-অশান্তি’, ‘জজ সাহেব’, ‘দেনমোহর’, ‘অবুঝ মনের ভালোবাসা’সহ অনেক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দেন।

রায়হান রাফীর ‘তাণ্ডব’ সিনেমায় অভিনয়ের কথা ছিল নিদ্রা নেহার। খবরটি নিজেই জানিয়েছিলেন সংবাদমাধ্যমে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে এই খবর প্রকাশ করায় পরে সিনেমাটি থেকে বাদ দেওয়া হয় অভিনেত্রীকে।
১৭ ঘণ্টা আগে
কবীর সুমনের সঙ্গে আসিফ আকবরের যুগলবন্দী অনেক দিনের। ছোটবেলা থেকেই কবীর সুমনের গানের বড় ভক্ত আসিফ। সে মুগ্ধতা থেকেই একসময় তাঁর কথা ও সুরে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগও হয়। কবীর সুমনেরও ভালো লাগে আসিফের গায়কি।
১৭ ঘণ্টা আগে
পুরস্কার প্রদানের মধ্য দিয়ে গতকাল শেষ হলো সিনেমা নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়োজন ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২৪তম আসর। সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন আহমেদ হাসান সানি।
১৭ ঘণ্টা আগে
দর্শকদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খানের উপস্থাপনায় আবারও পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় ফ্যামিলি গেম শো ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’। বঙ্গ প্রযোজিত এই শোয়ের সিজন ২-এর প্রচার শুরু হবে আগামীকাল ১৯ জানুয়ারি থেকে।
২ দিন আগে