চলে গেলেন টারজানখ্যাত জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেতা রোনাল্ড পিয়ার্স এলি। গত ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারার বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। প্রায় এক মাস পর গতকাল ২৩ অক্টোবর ইনস্টাগ্রামের এক পোস্টে বাবার মৃত্যুর খবর দেন অভিনেতার মেয়ে ক্রিশ্চেন এলি। রন এলির বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সালে এনবিসি টেলিভিশনে প্রচারিত ‘টারজান’ সিরিজটি রন এলিকে তারকাখ্যাতি দিয়েছে। সারা বিশ্বের দর্শকের পাশাপাশি বাংলাদেশেও ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল টারজান। এনবিসি টেলিভিশনে দুই সিজনে টারজানের ৫৭টি পর্ব প্রচারিত হয়। শুটিংয়ে এলি তার প্রায় সব স্টান্ট নিজেই করতেন। এসব স্টান্ট করতে গিয়ে একাধিকবার তাঁর কাঁধের হাড় ভেঙেছে, পিঠের পেশি ছিঁড়েছে এবং দুবার সিংহের কামড় খেয়েছেন।
ষাটের দশকের গোড়ার দিকে সিটকম ‘ফাদার নোজ বেস্ট’, ‘হাউ টু ম্যারি আ মিলিয়নেয়ার’, ‘দ্য মেনি লাভস অব ডোবি গিলিস’-এর মতো জনপ্রিয় টিভি শোগুলোতে অভিনয় করেন রন এলি। ‘ডক স্যাভেজ’, ‘সাউথ প্যাসিফিক’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমাতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। ২০০১ সালে অভিনয় থেকে অবসর নেন এলি। এরপর মনযোগ দেন লেখালেখিতে।
রন এলির জন্ম ১৯৩৮ সালে টেক্সাসের হেয়ারফোর্ডে। ১৯৫৯ সালে প্রেমিকা হেলেন ট্রিপলেটকে বিয়ে করেন, দুই বছরের ব্যবধানে বিচ্ছেদ ঘটে। ১৯৮৪ সালে মিস ফ্লোরিডা ভ্যারেলি লুনডেনকে বিয়ে করেন। তাঁদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে।

এবার ঈদ উপলক্ষে তৈরি দুটি গানে পাওয়া গেছে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের কোলাবোরেশন। একটি গানে বাংলাদেশের বেলাল খানের সুরে গেয়েছেন নচিকেতা চক্রবর্তী। আরেকটি গানে কলকাতার আকাশ সেনের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডের ডলবি থিয়েটারে ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের (অস্কার) জমকালো আসরে সম্মানিত হলেন চলচ্চিত্র জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্ররা। এবারের আসরে সেরা ছবির পুরস্কার জিতেছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা অভিনয়ের শীর্ষ সম্মাননা জিতেছেন ‘হ্যামনেট’-এর জেসি বাকলি এবং ‘সিনার্স’-এর মাইকেল বি জর্ডান।
৯ ঘণ্টা আগে
ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার সিনেমার নেপথ্যের মানুষটি পল থমাস অ্যান্ডারসন। গত বছরের পুরোটা সময় জুড়ে যাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বাস, উত্তেজনা, উন্মাদনা ছিল চলচ্চিত্র দুনিয়ায়। ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদারের মতো একটি ‘অন্যরকম’ সিনেমা বানিয়ে যিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে যারা সোনালি ট্রফিটি হাতে তুলতে পারেননি, তাঁদেরও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে না। বরং মনোনীত প্রত্যেক তারকার জন্য অপেক্ষা করছে ৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার সমমূল্যের এক অবিশ্বাস্য ‘গিফট ব্যাগ’, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ টাকার সমান। এভরিওয়ান উইনস (সবাই জয়ী) শিরোনামের..
১০ ঘণ্টা আগে