
তিন বছরেরও বেশি সময় মানসিক অবসাদে ভুগেছেন বলিউড পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। অন্ধকার সে সময়ে তিনবার পুনর্বাসন থেকে ফিরে এসেছেন তিনি। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন অনুরাগ।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অনুরাগ বলেন, ‘২০১৯ সালের আগস্টে আমি টুইটার ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কারণ আমার মেয়েকে সেই সময় প্রচুর ট্রল করা হচ্ছিল। এমনকি তাকে ধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। সেসময় আমার মেয়ে খুব মানসিক অবসাদে ভুগছিল। তখন আমি শুটিংয়ে পর্তুগাল চলে যাই এরপর লন্ডনে শুটিং করি। এরপরই পুরো জামিয়া মিলিয়ার (ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন–সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ) ঘটনা ঘটে। আমি ভারতে ফিরি। দেখি কেউ আমার সঙ্গে কথা বলছে না, এটা সহ্য করা আমার পক্ষে খুব কঠিন ছিল।’
অনুরাগ আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে অসাধারণ। ও সত্যিই সেই সময় নিজের সঙ্গে লড়াই করেছে। মেয়ের এই উদ্বেগ আমাকে কষ্ট দিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তাঁর এই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত অবস্থা থেকে আক্ষরিক অর্থে আমি সাহস সঞ্চার করেছিলাম। তখন আমি সবকিছু ফেলে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাই। ও ফিরে আসে এ দেশে। ও উদ্বেগের মধ্যে দিয়ে কাটিয়েছে সেসময়। তবে ও অসাধারণ মেয়ে।’
২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতে পাস হয় বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)। এই আইনকে বৈষম্যমূলক আখ্যায়িত করে ভারতজুড়ে তখন বিক্ষোভ শুরু হয়। দিল্লির ঐতিহ্যবাহী জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়েও ছড়িয়ে পড়ে সেই বিক্ষোভ। এমনকি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা। সেসময় সিএএ-বিরোধী সেই বিক্ষোভে অংশ নিতে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন অনুরাগ। এরপরই তাঁর মেয়েকে ধর্ষণের হুমকি আসে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি।
একই সাক্ষাৎকারে অনুরাগ গত বছরে তাঁর অসুস্থতা ও হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়েও কথা বলেছেন। গত বছরে হৃদ্রোগের জন্য অ্যানজিওপ্লাস্টি করিয়েছেন তিনি।
কাজে ফিরে আসার প্রসঙ্গে এ নির্মাতা বলেন, ‘অন্যদের মতো আমার বসে থাকার মতো বিলাসিতার সুযোগ নেই।’
অনুরাগ কাশ্যপ ভারতীয় সিনেমার একজন জনপ্রিয় প্রযোজক, পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা। তাঁর অসাধারণ কাজের জন্য একবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং চারবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন। তিনি ‘ডেভ. ডি’, ‘গ্যাং অব ওয়াসিপুর ১ ও ২ ’, ‘বোম্বে টকিজ’ এর মতো ব্যবসাসফল সিনেমা নির্মাণ করেছেন। অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত পরবর্তী ছবি় ‘পেয়ার উইথ ডিজে মহব্বত’ ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

তিন বছরেরও বেশি সময় মানসিক অবসাদে ভুগেছেন বলিউড পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। অন্ধকার সে সময়ে তিনবার পুনর্বাসন থেকে ফিরে এসেছেন তিনি। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন অনুরাগ।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অনুরাগ বলেন, ‘২০১৯ সালের আগস্টে আমি টুইটার ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কারণ আমার মেয়েকে সেই সময় প্রচুর ট্রল করা হচ্ছিল। এমনকি তাকে ধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। সেসময় আমার মেয়ে খুব মানসিক অবসাদে ভুগছিল। তখন আমি শুটিংয়ে পর্তুগাল চলে যাই এরপর লন্ডনে শুটিং করি। এরপরই পুরো জামিয়া মিলিয়ার (ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন–সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ) ঘটনা ঘটে। আমি ভারতে ফিরি। দেখি কেউ আমার সঙ্গে কথা বলছে না, এটা সহ্য করা আমার পক্ষে খুব কঠিন ছিল।’
অনুরাগ আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে অসাধারণ। ও সত্যিই সেই সময় নিজের সঙ্গে লড়াই করেছে। মেয়ের এই উদ্বেগ আমাকে কষ্ট দিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তাঁর এই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত অবস্থা থেকে আক্ষরিক অর্থে আমি সাহস সঞ্চার করেছিলাম। তখন আমি সবকিছু ফেলে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাই। ও ফিরে আসে এ দেশে। ও উদ্বেগের মধ্যে দিয়ে কাটিয়েছে সেসময়। তবে ও অসাধারণ মেয়ে।’
২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতে পাস হয় বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)। এই আইনকে বৈষম্যমূলক আখ্যায়িত করে ভারতজুড়ে তখন বিক্ষোভ শুরু হয়। দিল্লির ঐতিহ্যবাহী জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়েও ছড়িয়ে পড়ে সেই বিক্ষোভ। এমনকি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থীরা। সেসময় সিএএ-বিরোধী সেই বিক্ষোভে অংশ নিতে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন অনুরাগ। এরপরই তাঁর মেয়েকে ধর্ষণের হুমকি আসে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি।
একই সাক্ষাৎকারে অনুরাগ গত বছরে তাঁর অসুস্থতা ও হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়েও কথা বলেছেন। গত বছরে হৃদ্রোগের জন্য অ্যানজিওপ্লাস্টি করিয়েছেন তিনি।
কাজে ফিরে আসার প্রসঙ্গে এ নির্মাতা বলেন, ‘অন্যদের মতো আমার বসে থাকার মতো বিলাসিতার সুযোগ নেই।’
অনুরাগ কাশ্যপ ভারতীয় সিনেমার একজন জনপ্রিয় প্রযোজক, পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা। তাঁর অসাধারণ কাজের জন্য একবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং চারবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন। তিনি ‘ডেভ. ডি’, ‘গ্যাং অব ওয়াসিপুর ১ ও ২ ’, ‘বোম্বে টকিজ’ এর মতো ব্যবসাসফল সিনেমা নির্মাণ করেছেন। অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত পরবর্তী ছবি় ‘পেয়ার উইথ ডিজে মহব্বত’ ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
২০ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
২০ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
২০ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
২১ ঘণ্টা আগে