ভারতীয় সিনেমা

মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার তিনি। শুধু অভিনেতা হিসেবে নয়, প্রযোজক হিসেবেও সফল। তামিল-তেলুগু ইন্ডাস্ট্রিতেও তাঁকে যথেষ্ট কদর করা হয়। শুটিং সেটে দেওয়া হয় সর্বোচ্চ সম্মান। অথচ সেই দুলকার সালমান নাকি উপেক্ষিত বলিউডে! হাতে গোনা কয়েকটি হিন্দি সিনেমা-সিরিজে কাজ করেছেন তিনি। সেগুলো করতে গিয়ে বিরূপ অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর। এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি জানিয়েছেন দুলকার সালমান নিজেই।
হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়ার উদ্যোগে চার ইন্ডাস্ট্রির চার পরিচিত মুখকে নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। তাতে হাজির ছিলেন বলিউড নির্মাতা বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে, তেলুগু অভিনেতা রানা দগ্গুবাতি, তামিল প্রযোজক অর্চনা কল্পথি এবং মালয়ালম অভিনেতা দুলকার সালমান। নানা বিষয় নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে শুটিং সেটে তারকাদের অত্যধিক চাহিদার প্রসঙ্গ ওঠে।
শুটিংয়ে এখন নাকি বলিউড তারকারা একা আসেন না। সঙ্গে থাকে ১০-১২ জন সহকারীর দল। প্রত্যেক তারকা দাবি করেন একাধিক ভ্যানিটি ভ্যান। এই বড় টিমের ব্যয়ভার মেটাতে হয় প্রযোজককে। তবে মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রিতে নাকি এসবের সুযোগ নেই বলে জানান দুলকার সালমান। সেখানে কম বাজেটে সিনেমা তৈরি হয়। বেশির ভাগ শুটিং হয় রিয়েল লোকেশনে। সাধারণ মানুষের বাসায়ই তাঁরা খাওয়াদাওয়া, রেডি হওয়ার কাজ সেরে নেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সফলভাবে শুটিং শেষ করাই থাকে টার্গেট। বেশির ভাগ সময় তারকা একাই যান সেটে, থাকে না কোনো সহকারী। এটাই নাকি মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রির কালচার। যুগ যুগ ধরে এই ঐতিহ্য মেনে চলেন তাঁরা।
তবে বলিউডের পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে তারকা মানেই জাঁকজমক ব্যাপার। বলিউডে কাজ করতে গিয়ে দুলকার সালমানকে তাই বেশ অদ্ভুত পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। দুলকার জানান, বলিউডে কাজ করার সময় তাঁর টিমকে বারবার ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হতো, উপেক্ষা করা হতো। এমনকি বসার জন্য চেয়ার কিংবা মনিটর দেখার সুযোগও জুটত না ঠিকমতো। তাই বাধ্য হয়েই তাঁকে ‘বড় তারকা’র ভাব ধরতে হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘হিন্দি সিনেমায় কাজ করার সময় আমার সঙ্গে দুজন থাকত। তারা সেটে ধাক্কাধাক্কি করে লোকজন সরিয়ে আমাকে নিয়ে যেত। এভাবে বোঝাতে হতো আমি বড় স্টার। না হলে বসার চেয়ার ও মনিটর দেখার জায়গা পেতাম না।’
আরও বিস্ফোরক দাবি দুলকার সালমানের, বলিউডে তারকার পরিচয় নাকি দামি গাড়িতে! তাঁর ভাষায়, ‘আমি বুঝেছি, সবই পারসেপশন। আপনি যদি দামি গাড়িতে আসেন, অনেক লোক আপনাকে ঘিরে থাকে, তাহলে সবাই ভাবে, এ তো বড় স্টার!’
বিপরীতে দক্ষিণের শিল্পসংস্কৃতি ঠিক উল্টো চিত্র তুলে ধরে। মালয়ালম, তেলুগু বা তামিল—সব ইন্ডাস্ট্রিতে প্রত্যেক অভিনেতাকে সেটে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট কাউকে আলাদা করে দেখা হয় না; এমনকি বলিউডের কোনো অভিনেতা দক্ষিণি সিনেমায় কাজ করলে তাঁকেও আতিথেয়তায় ভরিয়ে দেওয়া হয়।

১৯৬১ সালে ওয়েলসের পন্টিপ্রিডে জন্মগ্রহণ করেন ফিল ক্যাম্পবেল। তিনি ১৯৮৪ সালে মোটরহেডে যোগ দেন এবং ২০১৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩১ বছর ব্যান্ডটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৫ সালে ব্যান্ডের মূল কান্ডারি লেমি কিলমিস্টারের মৃত্যুর পর মোটরহেড ভেঙে যায়।
৭ ঘণ্টা আগে
এবার ঈদ উপলক্ষে তৈরি দুটি গানে পাওয়া গেছে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের কোলাবোরেশন। একটি গানে বাংলাদেশের বেলাল খানের সুরে গেয়েছেন নচিকেতা চক্রবর্তী। আরেকটি গানে কলকাতার আকাশ সেনের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডের ডলবি থিয়েটারে ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের (অস্কার) জমকালো আসরে সম্মানিত হলেন চলচ্চিত্র জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্ররা। এবারের আসরে সেরা ছবির পুরস্কার জিতেছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা অভিনয়ের শীর্ষ সম্মাননা জিতেছেন ‘হ্যামনেট’-এর জেসি বাকলি এবং ‘সিনার্স’-এর মাইকেল বি জর্ডান।
১৮ ঘণ্টা আগে
ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার সিনেমার নেপথ্যের মানুষটি পল থমাস অ্যান্ডারসন। গত বছরের পুরোটা সময় জুড়ে যাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বাস, উত্তেজনা, উন্মাদনা ছিল চলচ্চিত্র দুনিয়ায়। ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদারের মতো একটি ‘অন্যরকম’ সিনেমা বানিয়ে যিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে