
একসময়ের শক্তিশালী এবং আবেগময় যাত্রার মঞ্চ যেন পরিণত হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের নৃত্য-আসরে। বাস্তবজীবনের এমন অভিজ্ঞতা নিয়ে ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ নামের সিনেমা বানিয়েছেন আসিফ ইসলাম। ৪৮তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকে যাত্রা শুরু হচ্ছে এই সিনেমার। ১৬ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে আর্টকোর সেকশনে বিশ্ব প্রিমিয়ার হবে সিনেমাটির। এই বিভাগে আরও আছে রাশিয়ার ‘অ্যান্ড সামথিং এলস’, ভারতের ‘দ্য বুক অব ড্রাই লিভস’, গ্রিস ও সুইজারল্যান্ডের ‘নোভাক’, কোরিয়া ও জাপানের ‘দ্য অ্যাশেজ অব লাভ’ ও ভিয়েতনামের ‘কাই নাম ইন’।
যাত্রার সঙ্গে আসিফ ইসলামের পরিচয় শৈশবে। সেই স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ২০১৮ সালে ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ যাত্রাপালা দেখতে যান তিনি। সেখানে গিয়ে তাঁর মনে হয়, যাত্রাশিল্প এখন পরিণত হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আয়োজিত নৃত্যের আসরে। গল্পের চেয়ে দর্শকের আগ্রহ ছিল শহর থেকে আসা এক নৃত্যশিল্পীকে ঘিরে। কয়েকটি দৃশ্যের পরেই পালা থেমে যায়, দর্শকদের দাবির মুখে অপমানে মঞ্চ ছাড়তে হয় পালার প্রধান অভিনেতাকে। মঞ্চে আসেন সেই নৃত্যশিল্পী। সেদিনের সেই ঘটনাকে ঘিরে আসিফ ইসলাম বানিয়েছেন সিনেমাটি। এতে অভিনয় করেছেন মহাশঙ্কর অপেরা যাত্রাদলের শিল্পীরা আর শহরের গ্ল্যামারাস প্রিন্সেস রোজি চরিত্রে আছেন আশনা হাবিব ভাবনা।
নির্মাতা আসিফ ইসলাম বলেন, ‘চলচ্চিত্রটি বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য যাত্রাপালার পতনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে প্রিন্সেস নামের আবেদনময়ী এক নর্তকী দর্শকদের চাহিদা মেটাতে মঞ্চ দখল করে নেয়। চলচ্চিত্রটি সমাজেরই প্রতিচ্ছবি, যা প্রকাশ করে আমরা কী হয়ে উঠেছি এবং বিনোদনের নামে এখন কী চাইছি।’
কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন অরবিন্দু মজুমদার, মাহমুদ আলম, এ কে আজাদ সেতু, জান্নাতুল বাকের খান, সালাউদ্দিন শেখ প্রমুখ।

আশার বয়স যখন ৯, তখন বাবাকে হারান। দীননাথ সন্তানদের দিয়ে গিয়েছিলেন একটি তানপুরা। বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আর কিছু নেই। এটা আছে। এটা আমি তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি। একে সামলে রেখো। মন দিয়ে গান কোরো।’ বাকি জীবন বাবার সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন লতা, আশাসহ পাঁচ ভাই-বোন।
১৩ ঘণ্টা আগে
আশাজির ব্যবহার, কথাবার্তা, নম্রতা-ভদ্রতা দেখে বোঝার উপায় ছিল না উনি এত বড় মাপের একজন শিল্পী। উনার সঙ্গে যত কথা বলেছি, ততই অবাক হয়েছি। শিল্পী হিসেবে তো বটেই, একজন মানুষ হিসেবেও তাঁর মাঝে যে গুণাবলি ছিল, তা সবার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম ছিলেন আশার বড় ভক্ত। একসঙ্গে কাজ করতে করতে আশার প্রেমে পড়ে যান তিনি। কিন্তু বিয়ের পথটা খুব সহজ ছিল না। প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে আশা প্রথমে সাড়া দেননি পঞ্চমের প্রস্তাবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আশাদির সঙ্গে ফোনে কথা হতো। ভিডিও কলেও অনেক সময় গল্প হতো। তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পর নিজেকে সামলাতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাও শূন্য হয়ে গেল।
১৪ ঘণ্টা আগে