
প্রভাবশালী ম্যাগাজিন ভ্যারাইটি যাকে লিখেছে ‘অস্কার ক্যাম্পেইন হটস্পট’ - যুক্তরাষ্ট্রের সেই ক্যামডেন ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে ‘অন্যদিন...’ আমন্ত্রণের খবর কয়েকদিন আগেই ফেইসবুক পাতায় জানিয়েছিলেন নির্মাতা কামার আহমাদ সাইমন। এইবার জানা গেলো নর্থ আমেরিকার অন্যতম প্রধান চলচ্চিত্র উৎসব ভ্যানকুভার ইন্ট্রান্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও নির্বাচিত হয়েছে ‘অন্যদিন...’।
গত নভেম্বরে ওয়ার্ল্ড টপ-টেন ফেস্টিভ্যাল ইডফার মূল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় আমন্ত্রণ পেয়েছিল কামার আহমাদ সাইমনের নতুন সিনেমা ‘অন্যদিন...’। বিশ্ব-অভিষেক হয়েছিলো দুনিয়ার সুন্দরতম থিয়েটার আমস্টারডামের পাথে তুসান্সকিতে। ইডফা’র ওয়েবসাইটে ‘অন্যদিন...’ সিনেমাটিকে লেখা হয়েছিলো ‘ক্যালাইডোস্কোপিক ও ফিলসফিক্যাল’। এর আগে মার্চে নিউ ইয়র্কের মিউজিয়াম অফ মুভিং ইমেজ বা মমি’র ফার্স্ট লুক ফেস্টিভালে মাত্র ১৮টা নির্বাচিত ফিচারের মধ্যে প্রথম বাংলা সিনেমা ছিল ‘অন্যদিন...’। উৎসব শুরু হয়েছিলো কানে ক্যামেরা দ্য’র বিজয়ী ক্রোয়েশিয়ান মুরিনা দিয়ে আর শেষ লোকার্নোতে গ্র্যান্ড প্রি বিজয়ী পোলিশ সিনেমা ব্যালকনি। মমি’র ওয়েবসাইটে ‘অন্যদিন...’ এর সেগমেন্টকে বর্ণনা করা হয়েছিলো ‘আর্টিস্টিক মাস্টারপিস’ হিসেবে। গেল জুনে ‘অন্যদিন...’ ছিলো সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে যেখানে অস্ট্রেলিয়ান সেগমেন্টে জুরির দায়িত্বেও ছিলেন কামার। অস্ট্রেলিয়ার লিডিং ফিল্ম ম্যাগাজিন ফিল্ম-ইংক তখন ‘অন্যদিন...’ নিয়ে লিখেছিল, ‘সিনেমাটা সবচাইতে বড় পর্দায় দেখানো উচিত’’।
২০১৪তে সানড্যান্স থেকে গ্রান্ট এওয়ার্ড জয় করে ‘অন্যদিন...’ এর কাজ শুরু করলেও সিনেমার গল্প নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ কামার। এই সিনেমার স্ক্রিপ্টের জন্যই ২০১৬তে লোকার্নোতে প্রথম কোন বাংলাদেশী নির্মাতা হিসাবে পিয়াতজা গ্রান্দায় রেড কার্পেট ডিরেক্টরের সম্মাননা দেওয়া হয়েছিলো কামারকে। একইসাথে পেয়েছিলেন ওপেন ডোর্সে শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার এবং আর্তে ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ। আর ২০১৭তে পেয়েছিলেন কান চলচ্চিত্র উৎসবের সিনফন্দেশিওনে এক্সক্লুসিভ আমন্ত্রণ । স্ক্রিন ডেইলি ‘অন্যদিন...’এর রিভিউতে লিখেছে ‘সিডাকটিভ’ আর ভ্যারাইটি লিখেছে ‘কৌতুকপূর্ণ কিন্তু বিবেক নাড়া দেয়’। ‘অন্যদিন...’ বাংলাদেশের কবে দেখতে পাবেন এর উত্তরে কামার জানিয়েছেন, ‘ক্যামডেনে যাওয়ার আগে সেন্সরে জমা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
দশ বছরের বেশি সময় ধরে একটা ওয়াটার ট্রিলজি বা জলত্রয়ীর কাজ করছেন কামার যেখানে প্রথম সিনেমা ‘শুনতে কি পাও!’ আর দ্বিতীয় সিনেমা ‘অন্যদিন...’ । লোকার্নোর ওপেন ডোর্স এবং জার্মানীর ডক-লাইপজিশের উদ্বোধনী সিনেমা ছিলো ‘শুনতে কি পাও!’ প্যারিসে সিনেমা দ্যু রিলে গ্রাপ্রি, মুম্বাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গোল্ডেন কোঞ্চ বা স্বর্ণশঙ্খ এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কারসহ আরও অনেক পুরষ্কার জয় করেছিলো সিনেমাটি।

প্রভাবশালী ম্যাগাজিন ভ্যারাইটি যাকে লিখেছে ‘অস্কার ক্যাম্পেইন হটস্পট’ - যুক্তরাষ্ট্রের সেই ক্যামডেন ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে ‘অন্যদিন...’ আমন্ত্রণের খবর কয়েকদিন আগেই ফেইসবুক পাতায় জানিয়েছিলেন নির্মাতা কামার আহমাদ সাইমন। এইবার জানা গেলো নর্থ আমেরিকার অন্যতম প্রধান চলচ্চিত্র উৎসব ভ্যানকুভার ইন্ট্রান্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালেও নির্বাচিত হয়েছে ‘অন্যদিন...’।
গত নভেম্বরে ওয়ার্ল্ড টপ-টেন ফেস্টিভ্যাল ইডফার মূল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় আমন্ত্রণ পেয়েছিল কামার আহমাদ সাইমনের নতুন সিনেমা ‘অন্যদিন...’। বিশ্ব-অভিষেক হয়েছিলো দুনিয়ার সুন্দরতম থিয়েটার আমস্টারডামের পাথে তুসান্সকিতে। ইডফা’র ওয়েবসাইটে ‘অন্যদিন...’ সিনেমাটিকে লেখা হয়েছিলো ‘ক্যালাইডোস্কোপিক ও ফিলসফিক্যাল’। এর আগে মার্চে নিউ ইয়র্কের মিউজিয়াম অফ মুভিং ইমেজ বা মমি’র ফার্স্ট লুক ফেস্টিভালে মাত্র ১৮টা নির্বাচিত ফিচারের মধ্যে প্রথম বাংলা সিনেমা ছিল ‘অন্যদিন...’। উৎসব শুরু হয়েছিলো কানে ক্যামেরা দ্য’র বিজয়ী ক্রোয়েশিয়ান মুরিনা দিয়ে আর শেষ লোকার্নোতে গ্র্যান্ড প্রি বিজয়ী পোলিশ সিনেমা ব্যালকনি। মমি’র ওয়েবসাইটে ‘অন্যদিন...’ এর সেগমেন্টকে বর্ণনা করা হয়েছিলো ‘আর্টিস্টিক মাস্টারপিস’ হিসেবে। গেল জুনে ‘অন্যদিন...’ ছিলো সিডনি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে যেখানে অস্ট্রেলিয়ান সেগমেন্টে জুরির দায়িত্বেও ছিলেন কামার। অস্ট্রেলিয়ার লিডিং ফিল্ম ম্যাগাজিন ফিল্ম-ইংক তখন ‘অন্যদিন...’ নিয়ে লিখেছিল, ‘সিনেমাটা সবচাইতে বড় পর্দায় দেখানো উচিত’’।
২০১৪তে সানড্যান্স থেকে গ্রান্ট এওয়ার্ড জয় করে ‘অন্যদিন...’ এর কাজ শুরু করলেও সিনেমার গল্প নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ কামার। এই সিনেমার স্ক্রিপ্টের জন্যই ২০১৬তে লোকার্নোতে প্রথম কোন বাংলাদেশী নির্মাতা হিসাবে পিয়াতজা গ্রান্দায় রেড কার্পেট ডিরেক্টরের সম্মাননা দেওয়া হয়েছিলো কামারকে। একইসাথে পেয়েছিলেন ওপেন ডোর্সে শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার এবং আর্তে ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ। আর ২০১৭তে পেয়েছিলেন কান চলচ্চিত্র উৎসবের সিনফন্দেশিওনে এক্সক্লুসিভ আমন্ত্রণ । স্ক্রিন ডেইলি ‘অন্যদিন...’এর রিভিউতে লিখেছে ‘সিডাকটিভ’ আর ভ্যারাইটি লিখেছে ‘কৌতুকপূর্ণ কিন্তু বিবেক নাড়া দেয়’। ‘অন্যদিন...’ বাংলাদেশের কবে দেখতে পাবেন এর উত্তরে কামার জানিয়েছেন, ‘ক্যামডেনে যাওয়ার আগে সেন্সরে জমা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
দশ বছরের বেশি সময় ধরে একটা ওয়াটার ট্রিলজি বা জলত্রয়ীর কাজ করছেন কামার যেখানে প্রথম সিনেমা ‘শুনতে কি পাও!’ আর দ্বিতীয় সিনেমা ‘অন্যদিন...’ । লোকার্নোর ওপেন ডোর্স এবং জার্মানীর ডক-লাইপজিশের উদ্বোধনী সিনেমা ছিলো ‘শুনতে কি পাও!’ প্যারিসে সিনেমা দ্যু রিলে গ্রাপ্রি, মুম্বাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে গোল্ডেন কোঞ্চ বা স্বর্ণশঙ্খ এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কারসহ আরও অনেক পুরষ্কার জয় করেছিলো সিনেমাটি।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১ দিন আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১ দিন আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১ দিন আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১ দিন আগে