
এক রেস্তোরাঁর মালিককে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে টালিউড অভিনেতা ও তৃণমূল বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার রাতে কলকাতার নিউ টাউনে এ ঘটনাটি ঘটে। যদিও মারধরের বিষয়টি নিজে থেকেই স্বীকার করেছেন সোহম।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮ বাংলা জানিয়েছে, গতকাল নিউ টাউন সাপুরজি এলাকায় সোহমের শুটিং চলছিল। সেখানের একটি রেস্তোরাঁর সামনে শুটিংয়ের অনেক গাড়ি পার্ক করা ছিল। এ সময় রেস্তোরাঁর মালিক সেখান থেকে একটি গাড়ি সরিয়ে নিতে বলেন। কিন্তু সোহমের নিরাপত্তারক্ষীরা তখন উত্তর দেন, ‘বিধায়কের শুটিং চলছে, তাই এখান থেকে কোনো গাড়ি সরবে না।’
এমন উত্তরে তখন কড়া ভাষায় গাড়ি সরাতে বলেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক। বলেন, ‘বিধায়ক যে–ই হোক না কেন, গেট থেকে গাড়ি সরাতে হবে। আমার অতিথি আসবে।’ আর নিয়েই শুরু হয় বাগ্বিতণ্ডা। হইচই শুনতে পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন সোহম। একপর্যায়ে হাতাহাতি, এরপর ঘটে চড়–কাণ্ড। অভিযোগ উঠেছে, ওই রেস্তোরাঁর মালিককে চড়-ঘুষি-লাথি মেরেছেন অভিনেতা। দেওয়া হয়েছে রেস্তোরাঁ বন্ধ করার হুমকিও।
তবে সোহম জানিয়েছেন, হোটেলের মালিক দাম্ভিক আচরণ শুরু করেন। সোহমের কথায়, ‘দিনের শেষে আমিও মানুষ। তাঁর প্রতিফলন হয়েছে। আমি যেটুকু দেখলাম, ওরা আমার স্টাফদের সঙ্গে মারামারি করছে, ধাক্কাধাক্কি করছে। অন-ডিউটি পুলিশ অফিসারদের মেরেছে। এমন পরিস্থিতে আমি নিচে এসে জিজ্ঞেস করি, কী হয়েছে। সে বলে কে এমএলএ আমার জানার দরকার নেই! আমার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগালি করেছে।’
এদিকে মালিকের দাবি, তিনি শুধু রেস্তোরাঁর সামনে থেকে গাড়ি সরাতে বলেছিলেন। আর এ কারণেই তাঁর ওপর চড়াও হন সোহম ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা। বেধড়ক মারধরের পাশাপাশি ওই রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই মালিক।

এক রেস্তোরাঁর মালিককে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে টালিউড অভিনেতা ও তৃণমূল বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার রাতে কলকাতার নিউ টাউনে এ ঘটনাটি ঘটে। যদিও মারধরের বিষয়টি নিজে থেকেই স্বীকার করেছেন সোহম।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮ বাংলা জানিয়েছে, গতকাল নিউ টাউন সাপুরজি এলাকায় সোহমের শুটিং চলছিল। সেখানের একটি রেস্তোরাঁর সামনে শুটিংয়ের অনেক গাড়ি পার্ক করা ছিল। এ সময় রেস্তোরাঁর মালিক সেখান থেকে একটি গাড়ি সরিয়ে নিতে বলেন। কিন্তু সোহমের নিরাপত্তারক্ষীরা তখন উত্তর দেন, ‘বিধায়কের শুটিং চলছে, তাই এখান থেকে কোনো গাড়ি সরবে না।’
এমন উত্তরে তখন কড়া ভাষায় গাড়ি সরাতে বলেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক। বলেন, ‘বিধায়ক যে–ই হোক না কেন, গেট থেকে গাড়ি সরাতে হবে। আমার অতিথি আসবে।’ আর নিয়েই শুরু হয় বাগ্বিতণ্ডা। হইচই শুনতে পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন সোহম। একপর্যায়ে হাতাহাতি, এরপর ঘটে চড়–কাণ্ড। অভিযোগ উঠেছে, ওই রেস্তোরাঁর মালিককে চড়-ঘুষি-লাথি মেরেছেন অভিনেতা। দেওয়া হয়েছে রেস্তোরাঁ বন্ধ করার হুমকিও।
তবে সোহম জানিয়েছেন, হোটেলের মালিক দাম্ভিক আচরণ শুরু করেন। সোহমের কথায়, ‘দিনের শেষে আমিও মানুষ। তাঁর প্রতিফলন হয়েছে। আমি যেটুকু দেখলাম, ওরা আমার স্টাফদের সঙ্গে মারামারি করছে, ধাক্কাধাক্কি করছে। অন-ডিউটি পুলিশ অফিসারদের মেরেছে। এমন পরিস্থিতে আমি নিচে এসে জিজ্ঞেস করি, কী হয়েছে। সে বলে কে এমএলএ আমার জানার দরকার নেই! আমার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগালি করেছে।’
এদিকে মালিকের দাবি, তিনি শুধু রেস্তোরাঁর সামনে থেকে গাড়ি সরাতে বলেছিলেন। আর এ কারণেই তাঁর ওপর চড়াও হন সোহম ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা। বেধড়ক মারধরের পাশাপাশি ওই রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই মালিক।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৪ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৪ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৪ ঘণ্টা আগে