
ওমর সানী-জায়েদ খানের দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছে। জায়েদ খানের বিরুদ্ধে চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে হয়রানি, বিরক্ত করার পাশাপাশি সংসার ভাঙার চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছেন ওমর সানী। কিন্তু এ প্রসঙ্গে মৌসুমী মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন। অবশেষে আজ বিষয়টি নিয়ে একটি অডিও বার্তা দিয়েছেন ‘প্রিয়দর্শিনী’ খ্যাত এই অভিনেত্রী।
মৌসুমী বললেন, ‘আমার প্রসঙ্গটা অহেতুক টানা হয়েছে। জায়েদের সঙ্গে একজন শিল্পীর যে সম্পর্ক, তা-ই আছে। আমি জায়েদকে অনেক স্নেহ করি, ও আমাকে যথেষ্ট সম্মান করে। আমাদের মধ্যে যতটুকু কাজের সম্পর্ক, সেটা খুবই ভালো একটা সম্পর্ক। আমাকে অসম্মান করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। ও কখনো অপ্রীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে, তা আমি কখনো দেখিনি। সে অনেক ভালো ছেলে। সে কখনোই আমাকে অসম্মান করেনি।’
কিছুটা বিরক্ত মৌসুমী বলেন, ‘কেন এই প্রশ্নটা বারবার আসছে যে সে আমাকে বিরক্ত করছে- উত্ত্যক্ত করছে! এই জিনিসটা আমি বুঝতে পারছি না। এটা যদিও একান্তই আমাদের ব্যক্তিগত সমস্যা। সে সমস্যা আমাদের পারিবারিকভাবেই সমাধান করা দরকার ছিল। এখানে জায়েদের খুব একটা দোষ আমি পাইনি।’
তিনি মনে করেন জায়েদ খানের মধ্যে তেমন একটা দোষ নেই। সাম্প্রতিক ঘটনাতেও সেটা স্পষ্ট। মৌসুমী বলেন, ‘আমাকে ছোট করার মধ্যে অন্যের আনন্দ কেন? যাকে আমরা অনেক শ্রদ্ধা করে আসছি সেই ওমর সানী ভাই কেন এত আনন্দ পাচ্ছেন, সেটা আমি বুঝতে পারছি না! আমার কোনো সমস্যা থাকলে অবশ্যই আমার সঙ্গে সমাধান করবে, সেটিই আমি আশা করি।’
প্রশ্ন তুলেছেন সংবাদপত্রের প্রচার নিয়েও। নব্বই দশকের জনপ্রিয় এই তারকা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা আসলে একটা নিউজ পেলে, যাচাই-বাছাই ছাড়াই দ্রুত প্রকাশের চেষ্টা করেন। এটা আসলে ঠিক না। আমার প্রসঙ্গটি তো আমিই পরিষ্কার করব, নাকি? তিনি (সানী) আসলে একতরফা বলেছেন। কিন্তু আমি বলেছি কি না, আমি অভিযোগ করেছি কি না, জানাটা খুব বেশি জরুরি ছিল। এই ইস্যুতে আমার নামটা যেন অপ্রয়োজনে না আসে।’
এ-সম্পর্কিত পড়ুন:

১৮ বছর পূর্তিতে নাটকের দল বটতলা তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নাট্য প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, সেমিনার, পাঠচক্র, স্মৃতিচারণ, গান, পাপেট থিয়েটারসহ নানা আয়োজন। আগামী ২৮ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন।
৬ ঘণ্টা আগে
১৯৬৪ সালের দাঙ্গার পর ভাগ্যান্বেষণে শরণার্থী হয়ে কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন রাজ্জাক। উদ্দেশ্য ছিল এ দেশের সিনেমায় অভিনয় করা। ‘১৩ নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন’ দিয়ে ঢাকাই সিনেমায় যাত্রা শুরু তাঁর।
৮ ঘণ্টা আগে
কোক স্টুডিও বাংলার দ্বিতীয় সিজনে মেঘদল ব্যান্ড গেয়েছিল ‘বনবিবি’। ২০২৩ সালে প্রকাশ পেয়েছিল গানটি। তিন বছর পর চা-শিল্পীদের শতবর্ষের পুরোনো গানের নতুন সুর নিয়ে কোক স্টুডিও বাংলায় ফিরল তারা। গতকাল রাতে প্রকাশ পেয়েছে মেঘদলের পরিবেশনায় ‘মুল্লুক’ শিরোনামের গানটি।
৯ ঘণ্টা আগে
ঢাকার মঞ্চে আসছে পাওলো কোয়েলহোর সাড়া জাগানো উপন্যাস ‘দ্য আলকেমিস্ট’। আত্মোপলব্ধি, স্বপ্ন ও ভাগ্যের অন্বেষণে এক তরুণের সুদূর আন্দালুসিয়া থেকে মিসরীয় পিরামিডের উদ্দেশে যাত্রার রূপকধর্মী গল্পটি এবার জীবন্ত হয়ে উঠবে ঢাকার মঞ্চে।
১০ ঘণ্টা আগে