বিনোদন প্রতিবেদক

নওশীন নাহরিন মৌ
প্রিয় চরিত্র:
‘দীপ জ্বেলে যাই’ সিনেমার রাধা
১৯৫৯ সালে মুক্তি পাওয়া এ ছবিতে রাধা একটি মানসিক হাসপাতালের নার্স। তাঁর চোখে-চেহারায় প্রচন্ড মায়া। ভালোবাসা-আদর-আন্তরিকতা দিয়ে সে জয় করে ফেলতে পারে সব। এমনকি সারিয়ে তুলতে পারে বিপর্যস্থ মানুষটিকেও। এজন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বারবার তাঁর কাছেই অনুরোধ নিয়ে আসে, তীব্র মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী এলে। তবে ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে রাধাও যে মাঝেমধ্যে ক্লান্ত হয়ে পড়ে না, তা নয়।
দীর্ঘদিন খুব কাছের মানুষের মতো, প্রেমিকার মতো সেবা করতে করতে মানুষটির প্রেমে হয়তো সেও পড়ে যায়। মায়ায় পড়ে যায়। কিন্তু সে জানে, রোগীটি মানসিক সুস্থতা ফিরে পেলে তাকে এ মায়া ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। এই বাস্তবতা রাধাকে ভেতরে ভেতরে পোড়ায়।

কাজী নওশাবা আহমেদ
প্রিয় চরিত্র:
‘সাগরিকা’ সিনেমার সাগরিকা
পঞ্চাশের দশকের এক ধনী নারী। মেডিকেল কলেজের ছাত্রী। বিশাল এক বাড়িতে একাই থাকেন। তিনি প্রখর ব্যক্তিত্বময়ী। সেইসঙ্গে আবার প্রেমের জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করতে প্রস্তুত। সাগরিকা চরিত্রটি সুচিত্রা সেন অভিনীত অন্য চরিত্রগুলো থেকে বেশ খানিকটা আলাদা। ‘সাগরিকা’ সিনেমা মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালে।

আশনা হাবিব ভাবনা
প্রিয় চরিত্র:
‘ইন্দ্রাণী’ সিনেমার ইন্দ্রাণী।
‘হসপিটাল’-এর দু’বছর আগের ছবি ‘ইন্দ্রাণী’। অনেকটা মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা এ চরিত্রটিও মননে এবং মানসিকতায় আত্মনির্ভরশীল ও স্বাধীনচেতা। যে কোনোভাবে অক্ষুণ্ন রাখতে চায় নিজের চাওয়া। আপন হাতেই গড়তে চায় নিজের ভাগ্য। উত্তম কুমার, মানে ছবির সুদর্শন দত্তের সঙ্গে তার প্রেম হয়, পরিবারের অমতে তাকে বিয়েও করে। কিন্তু বিয়ের পর দেখা দেয় দু’জনের ইগোর দ্বন্দ্ব।

প্রসূন আজাদ
প্রিয় চরিত্র:
‘সাড়ে চুয়াত্তর’ সিনেমার রমলা
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংলাপের মতো রমলা চরিত্রটি ‘বাত্তিওয়ালা মাইয়া’। মানে, এনলাইটেনড, আলোকপ্রাপ্ত। হঠাৎ বেকার হয়ে পড়া এবং অনেকটা আলসে বাবার চক্করে পড়ে স্বপরিবারে রমলাদের ঠাঁই হয় একটি মেসবাড়িতে। ছেলেদের মেসবাড়িতে হঠাৎ একটি পরিবার, বিশেষ করে রমলার মতো সুন্দরী; অনেকেই তাঁদেরকে রাখতে অমত করলেও বাকিদের সমর্থনে রমলারা সেখানেই থেকে যায়। ছবির নায়ক, উত্তম কুমার মানে রামপ্রীতি তাঁর সঙ্গে প্রথমে রমলার দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক গড়ে উঠলেও অনতিবিলম্বে তারা পরস্পরের প্রেমে পড়ে। ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ কমেডি ঘরানার ছবি। মুক্তি পায় ১৯৫৩ সালে। বলে রাখা ভালো, এটি উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন জুটির প্রথম ছবি।

শবনম ফারিয়া
প্রিয় চরিত্র:
‘সপ্তপদী’ সিনেমার রিনা ব্রাউন
রিনা ব্রাউন সুন্দরী এবং মেধাবী খ্রিষ্টান মেয়ে। দুই বিপরীত ধর্মের তরুণ হৃদয়ের প্রেমের উপাখ্যান এটি। দু’জনই মেডিকেলে পড়ে। স্বভাবতই প্রথমে রিনা ব্রাউন অপছন্দ করতো নেটিভ বাঙালি কৃষ্ণেন্দুকে। কিন্তু ধীরে ধীরে কাছে আসে তাঁরা, ভালবাসে পরস্পরকে। বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলে রিনার বাবা শর্ত জুড়ে দেয় কৃষ্ণেন্দুকে খ্রিষ্টান হতে হবে। কৃষ্ণেন্দু ধর্ম বদলায়। কিন্তু কৃষ্ণেন্দুর পিতা রিনার কাছে হাতজোড় করে তাঁকে ফিরিয়ে দিতে। রিনা তাই করে।
বহু বছর পর রিনার সঙ্গে কৃষ্ণেন্দুর দেখা হয় মিলিটারি হসপিটালে। রিনা তখন মদ্যপায়ী এবং উচ্ছৃঙ্খল এক তরুণী, যে ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। অন্যদিকে নাস্তিক কৃষ্ণেন্দু ঈশ্বরের মাঝে খুঁজে পেয়েছে প্রশান্তি।
‘ধর্মের চেয়ে মানুষ বড়’ মূলত এ শিক্ষাই দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে ‘সপ্তপদী’র শেষ দৃশ্যে। তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত এ ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৬১ সালে।

নওশীন নাহরিন মৌ
প্রিয় চরিত্র:
‘দীপ জ্বেলে যাই’ সিনেমার রাধা
১৯৫৯ সালে মুক্তি পাওয়া এ ছবিতে রাধা একটি মানসিক হাসপাতালের নার্স। তাঁর চোখে-চেহারায় প্রচন্ড মায়া। ভালোবাসা-আদর-আন্তরিকতা দিয়ে সে জয় করে ফেলতে পারে সব। এমনকি সারিয়ে তুলতে পারে বিপর্যস্থ মানুষটিকেও। এজন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বারবার তাঁর কাছেই অনুরোধ নিয়ে আসে, তীব্র মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী এলে। তবে ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে রাধাও যে মাঝেমধ্যে ক্লান্ত হয়ে পড়ে না, তা নয়।
দীর্ঘদিন খুব কাছের মানুষের মতো, প্রেমিকার মতো সেবা করতে করতে মানুষটির প্রেমে হয়তো সেও পড়ে যায়। মায়ায় পড়ে যায়। কিন্তু সে জানে, রোগীটি মানসিক সুস্থতা ফিরে পেলে তাকে এ মায়া ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। এই বাস্তবতা রাধাকে ভেতরে ভেতরে পোড়ায়।

কাজী নওশাবা আহমেদ
প্রিয় চরিত্র:
‘সাগরিকা’ সিনেমার সাগরিকা
পঞ্চাশের দশকের এক ধনী নারী। মেডিকেল কলেজের ছাত্রী। বিশাল এক বাড়িতে একাই থাকেন। তিনি প্রখর ব্যক্তিত্বময়ী। সেইসঙ্গে আবার প্রেমের জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করতে প্রস্তুত। সাগরিকা চরিত্রটি সুচিত্রা সেন অভিনীত অন্য চরিত্রগুলো থেকে বেশ খানিকটা আলাদা। ‘সাগরিকা’ সিনেমা মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালে।

আশনা হাবিব ভাবনা
প্রিয় চরিত্র:
‘ইন্দ্রাণী’ সিনেমার ইন্দ্রাণী।
‘হসপিটাল’-এর দু’বছর আগের ছবি ‘ইন্দ্রাণী’। অনেকটা মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা এ চরিত্রটিও মননে এবং মানসিকতায় আত্মনির্ভরশীল ও স্বাধীনচেতা। যে কোনোভাবে অক্ষুণ্ন রাখতে চায় নিজের চাওয়া। আপন হাতেই গড়তে চায় নিজের ভাগ্য। উত্তম কুমার, মানে ছবির সুদর্শন দত্তের সঙ্গে তার প্রেম হয়, পরিবারের অমতে তাকে বিয়েও করে। কিন্তু বিয়ের পর দেখা দেয় দু’জনের ইগোর দ্বন্দ্ব।

প্রসূন আজাদ
প্রিয় চরিত্র:
‘সাড়ে চুয়াত্তর’ সিনেমার রমলা
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংলাপের মতো রমলা চরিত্রটি ‘বাত্তিওয়ালা মাইয়া’। মানে, এনলাইটেনড, আলোকপ্রাপ্ত। হঠাৎ বেকার হয়ে পড়া এবং অনেকটা আলসে বাবার চক্করে পড়ে স্বপরিবারে রমলাদের ঠাঁই হয় একটি মেসবাড়িতে। ছেলেদের মেসবাড়িতে হঠাৎ একটি পরিবার, বিশেষ করে রমলার মতো সুন্দরী; অনেকেই তাঁদেরকে রাখতে অমত করলেও বাকিদের সমর্থনে রমলারা সেখানেই থেকে যায়। ছবির নায়ক, উত্তম কুমার মানে রামপ্রীতি তাঁর সঙ্গে প্রথমে রমলার দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক গড়ে উঠলেও অনতিবিলম্বে তারা পরস্পরের প্রেমে পড়ে। ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ কমেডি ঘরানার ছবি। মুক্তি পায় ১৯৫৩ সালে। বলে রাখা ভালো, এটি উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন জুটির প্রথম ছবি।

শবনম ফারিয়া
প্রিয় চরিত্র:
‘সপ্তপদী’ সিনেমার রিনা ব্রাউন
রিনা ব্রাউন সুন্দরী এবং মেধাবী খ্রিষ্টান মেয়ে। দুই বিপরীত ধর্মের তরুণ হৃদয়ের প্রেমের উপাখ্যান এটি। দু’জনই মেডিকেলে পড়ে। স্বভাবতই প্রথমে রিনা ব্রাউন অপছন্দ করতো নেটিভ বাঙালি কৃষ্ণেন্দুকে। কিন্তু ধীরে ধীরে কাছে আসে তাঁরা, ভালবাসে পরস্পরকে। বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলে রিনার বাবা শর্ত জুড়ে দেয় কৃষ্ণেন্দুকে খ্রিষ্টান হতে হবে। কৃষ্ণেন্দু ধর্ম বদলায়। কিন্তু কৃষ্ণেন্দুর পিতা রিনার কাছে হাতজোড় করে তাঁকে ফিরিয়ে দিতে। রিনা তাই করে।
বহু বছর পর রিনার সঙ্গে কৃষ্ণেন্দুর দেখা হয় মিলিটারি হসপিটালে। রিনা তখন মদ্যপায়ী এবং উচ্ছৃঙ্খল এক তরুণী, যে ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। অন্যদিকে নাস্তিক কৃষ্ণেন্দু ঈশ্বরের মাঝে খুঁজে পেয়েছে প্রশান্তি।
‘ধর্মের চেয়ে মানুষ বড়’ মূলত এ শিক্ষাই দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে ‘সপ্তপদী’র শেষ দৃশ্যে। তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত এ ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৬১ সালে।

গত বছর ‘জংলি’র পর এবার রোজার ঈদ উপলক্ষেও নতুন সিনেমা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছেন সিয়াম আহমেদ। ‘রাক্ষস’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন ‘বরবাদ’খ্যাত পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়। গত মাসে দেশে শুরু হয় শুটিং। সিয়ামের ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এসেছে। এসেছে অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার।
১২ ঘণ্টা আগে
পারিবারিক রোমান্টিক গল্প দিয়েই নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন করণ জোহর। ১৯৯৮ থেকে ২০২৩—তিনি উপহার দিয়েছেন ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কাভি আলবিদা না ক্যাহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল...
১২ ঘণ্টা আগে
আগের দুই পর্বের মতো অ্যাভাটারের তৃতীয় পর্বটি শুরুতেই অতটা দাপট দেখাতে পারেনি। তাই ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসে সাড়া ফেলতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। নির্মাতা জেমস ক্যামেরন নিজেও ছিলেন সন্দিহান।
১২ ঘণ্টা আগে
২০২০ সালে একদল থিয়েটারকর্মীর উদ্যোগে নাট্যদল থিয়েটারিয়ানের যাত্রা শুরু হয়। বছর দুয়েক পর মঞ্চে আসে এ দলের প্রথম প্রযোজনা ‘ডেথ অব আ সেলসম্যান’। প্রশংসিত হয় তাদের প্রথম প্রযোজনা। এবার দ্বিতীয় প্রযোজনা নিয়ে আসছে থিয়েটারিয়ান। তাদের নতুন নাটকের নাম ‘তার্ত্যুফ’।
১২ ঘণ্টা আগে