বিনোদন ডেস্ক

ভালো বন্ধু তাঁরা। একসঙ্গে কাজও করেছেন। তবে রাজনৈতিক মতভেদ দূরত্ব সৃষ্টি করেছিল নাসিরুদ্দিন শাহ ও অনুপম খেরের মধ্যে। ২০২০ সালে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন তাঁরা। এত দিন মুখ দেখাদেখিও বন্ধ ছিল। অবশেষে পরস্পরের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিবাদ মিটিয়ে নিলেন বলিউডের এই দুই প্রখ্যাত অভিনেতা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অনুপম খের জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে যে তিক্ততা ছিল, সেটা দূর হয়েছে। পরিচালক এইচ ডি পাঠকের স্মরণসভায় হাজির ছিলেন নাসিরুদ্দিন শাহ ও অনুপম খের। সেখানেই অনুপমের কাছে ক্ষমা চান নাসিরুদ্দিন। আর তাতে মন গলেছে অনুপমের। দূরত্ব মিটেছে। আবারও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়েছেন তাঁরা।
অনুপম খের বলেন, ‘মাঝে মাঝে আমার সম্পর্কে অযৌক্তিক কথা বললেও নাসিরের প্রতি আমার এখনো একই রকম শ্রদ্ধা আছে। সম্প্রতি এইচ ডি পাঠকের স্মরণসভায় আমাদের দেখা হয়েছিল। সেখানে তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, স্যরি ইয়ার। আমি তাঁকে সত্যিই অনেক পছন্দ করি। অভিনয়জীবনে আমাকে যাঁরা বিভিন্ন সময়ে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, নাসির তাঁদের মধ্যে অন্যতম।’
তাঁর সম্পর্কে নাসিরুদ্দিন শাহের আগের করা মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অনুপম খের বলেন, ‘নাসির খুবই মেধাবী মানুষ। ঈশ্বর তাঁকে অনেক কিছু দিয়েছেন। প্যারালাল সিনেমায় তাঁর চেয়ে বড় তারকা আর নেই। তবে কখনো আমার সম্পর্কে, কখনো দীলিপ কুমার, রাজেশ খান্নার উদ্দেশে যে কথাগুলো তিনি বলেন, তাতে আমার মনে হয়, তিনি হয়তো মানসিক জটিলতায় ভুগছেন।’
নাসিরুদ্দিন শাহ ও অনুপম খেরের মধ্যে বিবাদের শুরু ২০২০ সালে। ওই বছরের জুনে ভারতের জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হোস্টেল ফি বৃদ্ধিসহ নানা ইস্যুতে আন্দোলন করছিলেন। তাঁদের আন্দোলনে হামলা চালায় দুষ্কৃতকারীরা। এতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়। অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন ক্যাম্পাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে এ আন্দোলনে সংহতি জানান। তাতে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠেন বিজেপির নেতারা। দীপিকার সিনেমা বয়কটের ডাক দেওয়া হয়। অনুপম খেরও সরকারের পক্ষ নিয়ে দীপিকার সমালোচনা করেন।
তবে নাসিরুদ্দিন শাহ প্রশংসা করেন দীপিকার। অনুপম খেরের রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘অনুপম খেরের মতো অনেকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাঁকে অত গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই। সে একটা জোকার। সরকারের চাটুকারিতা করা তাঁর রক্তে মিশে আছে।’
নাসিরুদ্দিনের এ কথার জবাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুপম খের লেখেন, ‘এত সাফল্য পাওয়ার পরও আপনি পুরো ক্যারিয়ার হতাশায় কাটিয়েছেন। সারা জীবন যেসব পদার্থ পান করেছেন, তাতে আপনার বিচারবুদ্ধি লোপ পেয়েছে।’
সেই থেকে যত দিন গড়িয়েছে, তাঁদের দূরত্ব ততই বেড়েছে। অবশেষে দ্বন্দ্ব মিটিয়ে কাছাকাছি এলেন তাঁরা।

ভালো বন্ধু তাঁরা। একসঙ্গে কাজও করেছেন। তবে রাজনৈতিক মতভেদ দূরত্ব সৃষ্টি করেছিল নাসিরুদ্দিন শাহ ও অনুপম খেরের মধ্যে। ২০২০ সালে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন তাঁরা। এত দিন মুখ দেখাদেখিও বন্ধ ছিল। অবশেষে পরস্পরের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিবাদ মিটিয়ে নিলেন বলিউডের এই দুই প্রখ্যাত অভিনেতা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অনুপম খের জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে যে তিক্ততা ছিল, সেটা দূর হয়েছে। পরিচালক এইচ ডি পাঠকের স্মরণসভায় হাজির ছিলেন নাসিরুদ্দিন শাহ ও অনুপম খের। সেখানেই অনুপমের কাছে ক্ষমা চান নাসিরুদ্দিন। আর তাতে মন গলেছে অনুপমের। দূরত্ব মিটেছে। আবারও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়েছেন তাঁরা।
অনুপম খের বলেন, ‘মাঝে মাঝে আমার সম্পর্কে অযৌক্তিক কথা বললেও নাসিরের প্রতি আমার এখনো একই রকম শ্রদ্ধা আছে। সম্প্রতি এইচ ডি পাঠকের স্মরণসভায় আমাদের দেখা হয়েছিল। সেখানে তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, স্যরি ইয়ার। আমি তাঁকে সত্যিই অনেক পছন্দ করি। অভিনয়জীবনে আমাকে যাঁরা বিভিন্ন সময়ে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, নাসির তাঁদের মধ্যে অন্যতম।’
তাঁর সম্পর্কে নাসিরুদ্দিন শাহের আগের করা মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অনুপম খের বলেন, ‘নাসির খুবই মেধাবী মানুষ। ঈশ্বর তাঁকে অনেক কিছু দিয়েছেন। প্যারালাল সিনেমায় তাঁর চেয়ে বড় তারকা আর নেই। তবে কখনো আমার সম্পর্কে, কখনো দীলিপ কুমার, রাজেশ খান্নার উদ্দেশে যে কথাগুলো তিনি বলেন, তাতে আমার মনে হয়, তিনি হয়তো মানসিক জটিলতায় ভুগছেন।’
নাসিরুদ্দিন শাহ ও অনুপম খেরের মধ্যে বিবাদের শুরু ২০২০ সালে। ওই বছরের জুনে ভারতের জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হোস্টেল ফি বৃদ্ধিসহ নানা ইস্যুতে আন্দোলন করছিলেন। তাঁদের আন্দোলনে হামলা চালায় দুষ্কৃতকারীরা। এতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়। অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন ক্যাম্পাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে এ আন্দোলনে সংহতি জানান। তাতে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠেন বিজেপির নেতারা। দীপিকার সিনেমা বয়কটের ডাক দেওয়া হয়। অনুপম খেরও সরকারের পক্ষ নিয়ে দীপিকার সমালোচনা করেন।
তবে নাসিরুদ্দিন শাহ প্রশংসা করেন দীপিকার। অনুপম খেরের রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘অনুপম খেরের মতো অনেকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাঁকে অত গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই। সে একটা জোকার। সরকারের চাটুকারিতা করা তাঁর রক্তে মিশে আছে।’
নাসিরুদ্দিনের এ কথার জবাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুপম খের লেখেন, ‘এত সাফল্য পাওয়ার পরও আপনি পুরো ক্যারিয়ার হতাশায় কাটিয়েছেন। সারা জীবন যেসব পদার্থ পান করেছেন, তাতে আপনার বিচারবুদ্ধি লোপ পেয়েছে।’
সেই থেকে যত দিন গড়িয়েছে, তাঁদের দূরত্ব ততই বেড়েছে। অবশেষে দ্বন্দ্ব মিটিয়ে কাছাকাছি এলেন তাঁরা।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১৬ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৬ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১৬ ঘণ্টা আগে