
শাহরুখ খানের প্রথম প্যান ইন্ডিয়া রিলিজ। ভারতজুড়ে ‘জওয়ান’-এর মতো এত উন্মাদনা আগে কোনো সিনেমার জন্য দেখা যায়নি। এদিকে গতকাল বুধবার রাত থেকেই জেগে ছিল পুরো ভারত। বহু জায়গাতেই বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই শুরু হয়ে যায় ‘জওয়ান’-এর প্রথম শো। আর তা নিয়েই রীতিমতো হইচই।
পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু সিনেমা হলে ভোরবেলা থেকেই বহু শো হাউসফুল। মুম্বাইয়ে ভোরের প্রথম শো দেখে রাস্তায় মিছিল করেছেন শাহরুখ খানের অনুরাগীরা। ভোর ৫টা থেকেই শুরু হয় মিছিল। তার সঙ্গে ‘উই লাভ শাহরুখ’ স্লোগান। মুহূর্তে সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
‘শাহরুখ খান ইউনিভার্স ফ্যান ক্লাব’-এর থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, এক দল অনুরাগী মিছিল করতে করতে প্রথম শো দেখতে চলেছেন। সঙ্গে লেখা হয়েছে, ‘এখন ভোর ৫.৩৫। আমরা সকাল ৬টার প্রথম শো উদ্যাপন করার জন্য বেরিয়ে পড়েছি। বলিউড বাদশাহকে বড় পর্দায় স্বাগত’।
এই ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল। তা দেখে চুপ থাকতে পারলেন না স্বয়ং বলিউড বাদশাহ। শাহরুখ লিখেছেন, ‘লাভ ইউ বয়েজ অ্যান্ড গার্লস। আশা করি, সিনেমাটি তোমাদের ভালো লাগবে। তোমাদের সিনেমা হলে দেখব বলে জেগে আছি। অনেক ভালোবাসা আর ধন্যবাদ’।
প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রও শাহরুখকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘শাহরুখ, জওয়ানের জন্য অনেক শুভকামনা।’ উত্তরে শাহরুখ লিখেছেন, ‘আপনাকে ভালোবাসি স্যার। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। কাছে এসে শক্ত আলিঙ্গন করব।’
বিক্রম পরিচালক লোকেশ কানাগরাজের টুইটের জবাবও দিয়েছেন এসআরকে। চলচ্চিত্র নির্মাতা টুইট করেছেন, ‘এসআরকে স্যার, আমার প্রিয় ভাই অ্যাটলি, অনিরুধ, নয়নথারা, বিজয় সেতুপতি এবং জওয়ানের পুরো কাস্ট এবং ক্রুকে ব্লকবাস্টার হওয়ার জন্য পরম শুভকামনা জানাচ্ছি।’ উত্তরে শাহরুখ খান বলেন, ‘আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। অনুগ্রহ করে সময় পেলে ছবিটি দেখার নিমন্ত্রণ রইল। তামিলে দেখুন এবং আমরা কেমন করেছি জানান। এবং লিওর প্রতিও আমার সব ভালোবাসা।’
এর আগে গতকাল বুধবার সুপারস্টার মহেশ বাবুও শাহরুখকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘জওয়ানের সময় এসেছে! শাহরুখ খানের উন্মাদনা এবং শক্তি সম্পূর্ণভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে! সর্বকালের ব্লকবাস্টার সাফল্য কামনা করছি! তাই পুরো পরিবারের সঙ্গে এটি দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।’ মহেশ বাবুর উত্তর শাহরুখ বলেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘অনেক অনেক ধন্যবাদ বন্ধু। আশা করি আপনি সিনেমাটি উপভোগ করবেন। আপনি যখন জওয়ান দেখতে চান আমাকে জানাবেন, আমি আপনার সঙ্গে এটি দেখতে চাই। আপনাকে এবং পরিবারের প্রতি ভালোবাসা। আপনাকে আলিঙ্গন।’
এদিকে আজ বাংলাদেশে আনকাট সেন্সর পেয়েছে ‘জওয়ান’। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই ভারতের সঙ্গে একই দিনে শাহরুখের ‘জওয়ান’ দেখতে পাবে দেশের দর্শকেরা।
‘জওয়ান’ নির্মাণ করেছেন দক্ষিণের জনপ্রিয় পরিচালক অ্যাটলি কুমার। ‘বিগিল’, ‘মেরসাল’, ‘থেরি’ ও ‘রাজারানি’র মতো দক্ষিণী সুপারহিট সিনেমাগুলো পরিচালনা করেছেন তিনি। ‘জওয়ান’-এ শাহরুখের সঙ্গে আছেন নয়নতারা, বিজয় সেতুপতি, সানিয়া মালহোত্রা, প্রিয়ামণি, যোগী বাবু প্রমুখ। অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে দীপিকা পাড়ুকোনকে। সিনেমাটি হিন্দির পাশাপাশি তামিল, তেলুগু, মালায়লাম ও কন্নড় ভাষায় মুক্তি পেয়েছে।

শাহরুখ খানের প্রথম প্যান ইন্ডিয়া রিলিজ। ভারতজুড়ে ‘জওয়ান’-এর মতো এত উন্মাদনা আগে কোনো সিনেমার জন্য দেখা যায়নি। এদিকে গতকাল বুধবার রাত থেকেই জেগে ছিল পুরো ভারত। বহু জায়গাতেই বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই শুরু হয়ে যায় ‘জওয়ান’-এর প্রথম শো। আর তা নিয়েই রীতিমতো হইচই।
পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু সিনেমা হলে ভোরবেলা থেকেই বহু শো হাউসফুল। মুম্বাইয়ে ভোরের প্রথম শো দেখে রাস্তায় মিছিল করেছেন শাহরুখ খানের অনুরাগীরা। ভোর ৫টা থেকেই শুরু হয় মিছিল। তার সঙ্গে ‘উই লাভ শাহরুখ’ স্লোগান। মুহূর্তে সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
‘শাহরুখ খান ইউনিভার্স ফ্যান ক্লাব’-এর থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, এক দল অনুরাগী মিছিল করতে করতে প্রথম শো দেখতে চলেছেন। সঙ্গে লেখা হয়েছে, ‘এখন ভোর ৫.৩৫। আমরা সকাল ৬টার প্রথম শো উদ্যাপন করার জন্য বেরিয়ে পড়েছি। বলিউড বাদশাহকে বড় পর্দায় স্বাগত’।
এই ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল। তা দেখে চুপ থাকতে পারলেন না স্বয়ং বলিউড বাদশাহ। শাহরুখ লিখেছেন, ‘লাভ ইউ বয়েজ অ্যান্ড গার্লস। আশা করি, সিনেমাটি তোমাদের ভালো লাগবে। তোমাদের সিনেমা হলে দেখব বলে জেগে আছি। অনেক ভালোবাসা আর ধন্যবাদ’।
প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রও শাহরুখকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘শাহরুখ, জওয়ানের জন্য অনেক শুভকামনা।’ উত্তরে শাহরুখ লিখেছেন, ‘আপনাকে ভালোবাসি স্যার। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। কাছে এসে শক্ত আলিঙ্গন করব।’
বিক্রম পরিচালক লোকেশ কানাগরাজের টুইটের জবাবও দিয়েছেন এসআরকে। চলচ্চিত্র নির্মাতা টুইট করেছেন, ‘এসআরকে স্যার, আমার প্রিয় ভাই অ্যাটলি, অনিরুধ, নয়নথারা, বিজয় সেতুপতি এবং জওয়ানের পুরো কাস্ট এবং ক্রুকে ব্লকবাস্টার হওয়ার জন্য পরম শুভকামনা জানাচ্ছি।’ উত্তরে শাহরুখ খান বলেন, ‘আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। অনুগ্রহ করে সময় পেলে ছবিটি দেখার নিমন্ত্রণ রইল। তামিলে দেখুন এবং আমরা কেমন করেছি জানান। এবং লিওর প্রতিও আমার সব ভালোবাসা।’
এর আগে গতকাল বুধবার সুপারস্টার মহেশ বাবুও শাহরুখকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘জওয়ানের সময় এসেছে! শাহরুখ খানের উন্মাদনা এবং শক্তি সম্পূর্ণভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে! সর্বকালের ব্লকবাস্টার সাফল্য কামনা করছি! তাই পুরো পরিবারের সঙ্গে এটি দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।’ মহেশ বাবুর উত্তর শাহরুখ বলেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘অনেক অনেক ধন্যবাদ বন্ধু। আশা করি আপনি সিনেমাটি উপভোগ করবেন। আপনি যখন জওয়ান দেখতে চান আমাকে জানাবেন, আমি আপনার সঙ্গে এটি দেখতে চাই। আপনাকে এবং পরিবারের প্রতি ভালোবাসা। আপনাকে আলিঙ্গন।’
এদিকে আজ বাংলাদেশে আনকাট সেন্সর পেয়েছে ‘জওয়ান’। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই ভারতের সঙ্গে একই দিনে শাহরুখের ‘জওয়ান’ দেখতে পাবে দেশের দর্শকেরা।
‘জওয়ান’ নির্মাণ করেছেন দক্ষিণের জনপ্রিয় পরিচালক অ্যাটলি কুমার। ‘বিগিল’, ‘মেরসাল’, ‘থেরি’ ও ‘রাজারানি’র মতো দক্ষিণী সুপারহিট সিনেমাগুলো পরিচালনা করেছেন তিনি। ‘জওয়ান’-এ শাহরুখের সঙ্গে আছেন নয়নতারা, বিজয় সেতুপতি, সানিয়া মালহোত্রা, প্রিয়ামণি, যোগী বাবু প্রমুখ। অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে দীপিকা পাড়ুকোনকে। সিনেমাটি হিন্দির পাশাপাশি তামিল, তেলুগু, মালায়লাম ও কন্নড় ভাষায় মুক্তি পেয়েছে।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১ ঘণ্টা আগে